somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অবনি মণি
অনেক বছর হলো ; তবুও নিঃসঙ্গ বৃক্ষের মতো নির্জন নিস্তব্ধ মৌন পাহাড়ের মতোই একা পড়ে আছি আজও। একাই আছি এই দীর্ঘশ্বাসের মতো! তোমারও কি শুধু দীর্ঘশ্বাস,গ্রীলে বিষন্ন গোধূলী?

নীলদা; এবং নীলাদি’র ক’ফোটা ব্যথিত চোখের জল

০৬ ই মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(এক)
নীলদা,
হঠাৎই ভীষণ মনে পড়লো গো তোমায়। নতুন বউদির সাথে তোমার এই ছবিগুলো বড্ড বেমানান লাগে আমার কাছে। আজ আবার নীলাদির সেইসব দিনগুলোকে ভীষণ মিস করছি! তুমি বলতে পারো নীলাদির কি দোষ ছিল সেদিন ! না ; তা পারবেনা। কারণ এতটুকুই জেনেছিলে যে তুমি ; নীলাদি তোমাকে পাগলের মতো ভালোবাসতো,এটাই ছিল নীলাদির সবচেয়ে বড় দূর্বলতা। আর আজও সে তোমাকেই.... ।

জানোতো নীলদা,
নীলাদি তোমাকে কত নামে ডাকতো ; তার মধ্যে নীল নামটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশী ভালো লাগতো তাই আমিও এই নামেই ডেকেছি তোমাকে । আর হ্যাঁ,নীলাদির চোখে আজও তুমিই সেই শ্রেষ্ঠ পুরুষ রয়ে গেছ,তুমিই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষ। জানো,আজও তোমার ব্যাক্তিত্বের কথা বলে বেড়ায় সবার কাছে। তোমার সম্পর্কে একটা নেতিবাচক কথা আজও শুনতে রাজি না নীলাদি। কি মধুর ভালোবাসা ছিলো গো তোমাদের; কিন্তু কি যে হয়ে গেলো ! যার ভার আজও নীলাদিকেই একা বয়ে বেড়াতে হচ্ছে আর তুমি তোমার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছো ।

নীলদা,
সম্পাদিকে বিয়ে করার পর প্রথম যেদিন সম্পাদির ঐ অগোছালো সংসার দেখতে গেলাম সেদিন তোমাদের বেডরুমে ঢুকতেই আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো ! বিয়ের প্রায় দেড় বছর আর নীলাদিকে ছেড়ে যাবার ছিল তখন প্রায় চার বছর অথচ তোমার বিছানার পাশে নীলাদির দেয়া উপহারগুলো অনেক যত্নে গুছিয়ে রাখা। কেন! কেন এটা করেছিলে তুমি নীলদা ! তবে কেন সেদিন নীলাদিকে ছেড়ে গিয়েছিলে? তা আজও জানতে পারলোনা নীলাদি ! শুধু এতটুকুই জেন,নীলাদি আজও তোমাকে মন ভরে ভালোবেসে শান্তি পায়, তোমাকে মনে করে কিছুক্ষণ কেঁদেকেটে প্রশান্তি লাভ করে। আজও রাত ভোর করে ফেলে তোমার কথা ভেবে ভেবে। সেদিনের সেই পাগল নীলাদি আজও তোমার জন্যই পাগল।

যাক ; সবকিছুর পরেও তোমাদের জন্য সবসময়ই অসংখ্য শুভকামনা থাকবে যেন তোমরা আরো সূখি হতে পারো তোমাদের সুন্দর দাম্পত্য জীবনে। তোমাদের মেয়েটা যেন তোমার মতই হয় নীলদা ! তুমি যেমন অনেক ইনোসেন্ট ছিলে ঠিক তেমনটি যেন হয়! তোমার মতো মিষ্টি মন ভোলানো হাসি দিয়ে যেন জয় করে নেয় তোমাদের মন আজীবন। খুব খেয়াল রেখো মেয়েটির; কারণ নীলাদিও একটা মেয়েই ছিল নীলদা, তাঁর বাবা-মা হয়তো তাঁর খেয়ালে অবহেলা করাতে আজ নীলাদি প্রতিটা মুহূর্তেই পোড়ে ছাই হচ্ছে । সেদিন যদি নীলাদি তাঁর পরিবারের কথা রাখতো তবে হয়তো নীলাদির জীবনে আজ এমন বিপর্যয় নেমে আসতোনা ; দেখো তোমার মেয়েটি যেন তোমাদের অবাধ্য না হয়!

(দুই)
নীলদা,
যতবার আমার মোবাইলের গ্যালারিতে ঢুঁ মারি আর নতুন বউদির সাথে তোমার ছবিগুলো দেখি ঠিক ততোবারই হারিয়ে যাই আমি নীলাদির সাথে তোমার সেই অনিন্দ্যসুন্দর আর উজ্জ্বল স্বপ্নময় দিনগুলোতে! মনে পড়ে যায় ছলোছলো করা নীলাদির দুটি চোখ। কি হাসি আর আনন্দে ভেসে থাকতো সারাক্ষণ । মনে পড়ে, তোমার সাথেই হতো সর্বাগ্রে নীলাদির দৃষ্টি বিনিময়! কথা ছিল তোমার চোখের দিকে চেয়ে থাকবে দুচোখ ভরে চিরটাকাল! কিন্তু তা আর হলনা; হঠাৎ তাঁর বুকের মধ্যে কিশোরিবেলার দুঃখগুলো মোচড় দিয়ে উঠলো ,তাঁর জীবনে নেমে আসলো সূর্যাস্তের ছায়া; ভাংচুর হতে থাকলো নীলাদির ভেতরটা !

নীলদা, জগতের সমস্ত সৌন্দর্য দিয়ে আল্লাহ তোমাকে সৃষ্টি করেছেলিন ঠিকই; তাই বলে তুমি এ সৌন্দর্যের অপব্যবহার করবে তা ভাবিনি কখনো। নীলাদির এ অগাধ বিশ্বাসটুকু ধুলিসাৎ করে দিয়ে তুমি যে অশনিসংকেত রেখে গিয়েছিলে তার জীবনে; তা আজও স্মৃতির রুমাল হয়ে পড়ে আছে। নীলাদি আজও অপেক্ষায় থাকে তার ঐ সকালের নিমগ্ন ঘুম ভাঙিয়ে দিয়ে যাবে বলে। কিন্তু না ; সেই ঘুম আজ আর নীলাদির ইচ্ছেমতও ভাঙেনা। অলস দুপুরে শুরু হয় নীলাদির সকাল। আর ভাটিয়ালি গানের মত কাটে উদাস দুপুর আজ। তবু তোমার ফোন আর আসেনা নীলদা! নীলদা, তুমি হয়তো ভুলেই গিয়েছো সেই দিনগুলোর কথা ; যখন মোবাইলের কল রেট ছিল ২.৮৮ পয়সা তখন নীলাদি ক্লাস নাইনে পড়ে আর সেই সময়ই নীলাদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতো তোমার সাথে। হ্যাঁ ,তুমিও কল করতে তা মিথ্যে নয় কিন্তু তুমি তো বেশ কয়টা টিউশন করে হাজার হাজার টাকা কামাই করতে পারতে কিন্তু নীলাদি কি করে জোগাড় করতো সেই টাকাগুলো! স্কুলের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে,কখনো রিক্সায় না গিয়ে পায়ে হেটে স্কুলে গিয়ে যে টাকাগুলো বেঁচে যেত সেই টাকা দিয়ে নিজের সখের কোনকিছু না কিনে কিংবা না খেয়ে তোমাকে ফোন করবে বলে কার্ড কিনে রেখে দিত। আর নীলাদির ঘরের ল্যান্ডফোনটা মাস শেষে বিলের যে কাগজটা শো করতো তা দেখে নীলাদির পরিবারের বুঝতে বাকি থাকতোনা যে এমন সু-বুদ্ধিসম্পন্ন কাজ নীলাদি ছাড়া আর কারোর নয়। একদিকে মোবাইলে এতো এতো খরচ তার উপর আবার ল্যান্ড ফোনের এতোগুলো বিল তাতেও ক্ষান্ত থাকতোনা নীলাদি । কখনোই তার বিবেকে বাঁধতোনা যে সে কিসের পেছনে এতো ছোটাছুটি করছে ! আজ সে অনুধাবন করছে যে সেইদিন সে একটা অন্ধকার ছায়ার পেছনে বিরামহীনভাবে দৌড়োচ্ছিল ! আজ অনুধাবন করতে পারছে রাতের পর রাত সে যার সাথে কথা বলে কাটিয়ে দিয়েছিল সে তুমি ছিলেনা; তোমার অন্য রূপ ছিল নীলদা।

আচ্ছা নীলদা, চলেই যাবে যদি তবে সেদিন কেন করেছিলে নীলাদির বহু ক্ষতের শুশ্রূষা ? কেন বয়েছিল তার সকল দুঃখভার ? তারপর তার হাতে ভিক্ষাপাত্র তুলে দিয়ে, ছিঁড়ে ফেলে দিলে সব প্রিয় আকর্ষণ, সব মায়ার বন্ধন! অথচ নীলাদি আজও তোমার ঘৃণার বদলে ভালোবাসার গোলাপ ছড়ায় ! তোমার ঘৃণা আর তাচ্ছিল্যতা উপেক্ষা করে নীলাদি আজও ব্যথিত-ব্যাকুল হৃদয়ে তোমাকেই ভালোবেসে যায় অবিরত! কোনোকিছুই আজ তাকে রুদ্ধ করতে পারেনি ! জানো নীলদা,আজও নীলাদির বুকের বাম পাশটা খালিই পড়ে আছে ; সেখানে কেবল পাতা ঝরার শব্দ ,পার ভাঙার শব্দ! ইচ্ছে করলেই মনের দুঃখে নিজেকে অকূলে ভাসিয়ে দিতে পারেনা ; পারেনা হাতে তোলে নিতে বিষ! অনেক ইচ্ছে হলেও পারেনা খুলে ফেলে দিতে তোমার সভ্যতার মুখোশ ; শুধু পারে চোখের জলে বুকটা ভাসিয়ে দিতে ।

(তিন)
তোমার চলে যাওয়াটা নিছকই একটা ভূল বুঝাবুঝি ছিল নাকি তোমার ঘৃণা থেকে ছিল তা আজও জানা হলোনা নীলাদির। নীলদা, সবথেকে বেশি কষ্ট লাগে এ কথা ভেবে যে,সকল শঙ্কা আর ভয়কে অতিক্রম করে নীলাদি তোমার হাত ধরেই তোমার কাছাকাছি চলে এসেছিল শুধু তোমাকে পাওয়া সহজ হবে বলে। তারপর? তারপর প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূর থেকে তোমার কথামতো তোমারই প্রিয় নগরীতে চলে আসতে দ্বিধাবোধ করতোনা সেদিন নীলাদি ; আর তুমি বিমুখ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে কখন আসবে ! তারপর ঘরে পৌঁছাতে রাত হলে অন্য জনকে হাত করে ঘরে ঢুকতে হতো নীলাদিকে; তুমিও সহযোগীতা করতে সবসময় । অনেক চিন্তায় পড়ে যেতে তুমি ; কি হবে ভেবে । তবু পরের সপ্তাহে আবার ঐ একই আবদার থাকতো তোমার ; নীলাদিকে ৮০ কিলোমিটার জার্নি করাতে দ্বিধাবোধ ছিলোনা তোমারও নীলদা ; তারপর তোমার পঙ্খিরাজ বাইকে মাইলের পর মাইল ঘুরে বেড়ানোটাই ছিল তোমার আর নীলাদির সবথেকে নিকটে আসার সময় ! নীলদা,তুমি কি করে ভূলে যেতে পারলে তুমি এই বাইকটা অনেক কষ্টের জমানো টাকা থেকে কিনেছিলে শুধু নীলাদিকে নিয়ে ঘুরে বেড়াবে বলে । অথচ যেই সীটে নীলাদির বসার কথা ছিলো সেই ওই সীটটাতে নতুন বউদিকে নিয়ে কি করে পারো ঘুরতে ? আচ্ছা নীলদা, তোমার বুকটা কি কখনোই হাহাকার করেনা ? ঐ প্রসন্ন মুখটি কি একবারও তোমার চোখে ভেসে ঊঠেনা ?

নীলদা,সকলেরই মতো নীলাদিরও তৃষ্ণা ছিল, ভালবাসা ছিল । নিলাদিও স্বপ্ন খুঁজেছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে ! মনে আছে তোমার, নীলাদির সাথে মাঝরাতে বৃষ্টিপাতের শব্দ শুনতে; তুমি বলতে বৃষ্টিই তোমার প্রিয় গান ।মনে পড়ে? চৈত্র মাসের বৃষ্টিরাতে যমুনারঘাটে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে যেতে, নীলাদি সঙ্গে নেই; ফোন এর ঐপারে, তবু তুমি বলতে তোমার সাথেই আছে ।মনে পড়ে নীলদা ? তোমার বাড়ির ধারের স্কুল মাঠে বসে নীলাদির সাথে কথা বলতে বলতে সন্ধ্যা পেরিয়ে কখন যে রাত হয়ে যেত তুমিও খেয়ালই করতে পারতেনা ! নীলদা মনে কি আছে তোমার? প্রতিটা রমজান মাসের ইফতারের আগের আধা ঘণ্টা যেন তোমার জন্যই বরাদ্ধ ছিল নীলাদির । সন্ধ্যার কিছু আগেই হঠাৎ বেজে উঠত নীলাদিদের ল্যান্ডফোনটা আর নীলাদি মুহূর্তেই যেন হয়ে উঠতো চঞ্চল হরিণ ! যেন তুমি ছিলে তার মাথার উপর ছায়াময় স্নিগ্ধ নীলাকাশ । সেদিন নীলাদি ছিল তোমার কাছে দুপুরের খরতাপ শেষে একটা শান্ত সন্ধ্যা ; তোমার স্মৃতির অববাহিকায় ছিল একটি প্রিয় নদী নিরবধি !

(শেষ)
অথচ আজ পাল্টে গিয়েছে সমস্ত পটভূমি! এখন নীলাদির বুকের ভেতর বেজে যায় অবিরত অন্তহীন একটি গাঢ় টেলিফোন! মাথায় রৌদ্র-আলো নিভে গিয়ে নেমে এসেছে শুধুই মেঘ নীলাদির জীবনে। নীলাদির বুকের ভেতর বর্ষার নদীর মতো ঢেউ উঠে ! তোমারও আবেগ ফুরিয়েছে আর নীলাদির মনে অনন্ত শূণ্যতা ছাড়া আর কিছুই নেই।স্মৃতি আর স্বপ্নে আজ কেবল কাঁপছে তার বুক। হয়তো একদিন নীলাদিরও আবেগের নদী শুকিয়ে যাবে ঢেকে যাবে ঘন অন্ধকারে উজ্জ্বল আলোর ভোর। আর কখনো অনুভূতিগুলি সঞ্চারিত হবেনা ; হয়তো মর্মমূল ছুঁয়ে যাবে পুরনো সেই দিনগুলো! নীলাদিও হয়তো কোনো এক শ্রাবনের ধারাজলে ধুয়ে নেবে ব্যর্থতার গ্লানি ; নতুন কোনো এক বর্ষার জলে পুনোরায় সঞ্জীবিত হবে

বিঃদ্রঃ গল্পে "আমি" একটা কাল্পনিক চরিত্র বাকি সব বাস্তব !


সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ৮:০৫
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ সরকারের কাছে সোলার এনার্জি বিক্রি করা কতটা লাভজনক?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৭



যারা আগামী ৬ মাসের মধ্যে বাড়ির ছাদে সোলার সিস্টেম ইন্সটল করবেন, তাঁদেরকে বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেক ইউনিট ইলেক্ট্রিসিটির জন্যে ১০.৫০ টাকা করে দিবে। রুফটপে সোলার এনার্জি প্ল্যান্ট বসিয়ে লাভ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্পর্ক ও আত্মহত্যা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৭



কাউকে আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে বিয়ে করা অথবা আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে অথবা ব্ল্যাকমেইল করে গুরুতর মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনের মাধ্যমে কাউকে বিয়েতে বাধ্য করা। - বিশ্বের যে কোনো দেশের আইনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২ লাখ কর্মীর খবর ভুয়া - তবে ২৫ টা সাদা হাতি আসছে!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২



স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়া সেপ্টেম্বর মাস থেকে ধাপে ধাপে ২ লাখ কর্মী নেবে ।

আগামী ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×