
যৌবনের দাপুটে সময়েও বার্ধক্যের কথা মনে পড়ে গেলো...সেদিন বাংলামোটরে একজন বয়োবৃদ্ধকে দেখলাম একেবারে বেঁকে গেছেন...অনেকটা ‘এল’ আকৃতির হয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন...দেখে চমকে উঠলাম ওই বয়স পর্যন্ত যেনো যেতে না হয়...
সেদিন আমার দাদী কলের পাড়ে পড়ে আহত হয়েছেন...আমার ফোন দেয়া হয়নি...ঊনিই ফোন দিয়ে জানালেন; কষ্ট পেলাম...
আজকাল ঢাকা শহরে ভিক্ষাবৃত্তির ব্যবসায় বোধকরি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের ব্যবহার বেশি হচ্ছে...যে বৃদ্ধাকে কবি নজরুলের মাজারের সামনে ভিক্ষা চাইতে দেখেছি তাকে গুলশান লেকের পাশেও দেখেছি আর শুনেছি; ‘বাজান আল্লায় তোমারে দিবো আমি নামাজ পইড়া দোয়া করমু...’
অনেকে আবার ভিক্ষা না করে নিজেরা ছোট কাজ করে কেউ রিকশা চালায় এমনকি বাদাম বিক্রি করে...
তবে আমার আপনজন যখন বার্ধক্যে পৌঁছাবে তাদের যেনো কোনদিন কষ্ট পেতে না হয়...
মানুষ বেশিদিন বেঁচে থাকতে চায় এটাও যেমন ঠিক তবুও সে বুড়ো হতে চায় না...তারপরও বার্ধক্য আসে...অতিবৃদ্ধের কষ্টটা বোধকরি অনেক বেশি...একবার এক রিটায়ার্ড বৃদ্ধের সাথে বাসে বাড়ি গিয়েছিলাম...তিনি পুরো পথটা উৎফুল্ল ছিলেন পথে আমার সাথে আইস্ক্রিম খেলেন...মাংস দিয়ে ভাতও খেলেন...বুঝলাম চুরি করে খেয়েছেন; এসব খেতে মানা...তবে যখন আমার আগের স্টেশন জলঢাকায় তিনি নেমে গেলেন তখন তাকে ভীষণ বিষণ্ন মনে হচ্ছিল...
উপলব্ধি : যৌবনেই যেনো সব শেষ হয়ে যায়...আমিও যেনো চলে যাই। নবি (সা.) ও দোয়া করতেন নাকি শুনেছি; হে আল্লাহ আমাকে বার্ধক্যের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিও...
বোধ : বৃদ্ধদের হাসি দেখলে মন ভরে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




