আজ আর বেশি কিছু লিখবো না কারন আমার সারে চার বছর বয়সি মেয়েটির জন্য মন খারাপ । গত দুই মাস দেখে অনেক ওষুধ খাওয়ানোর পরে ডাক্তার সাহেব ফাইনাল পদক্ষেপ নিলেন আমার মেয়ের গলা কাটবেন । আর ডাক্তার সাহেবের মুখে এই কথাটি শুনে মনটি ভীষন খারাপ হয়ে গেল । অতটুক মেয়ে অতটুক বয়সে সৃষ্টি কর্তা তার এমন একটি রোগ দিলেন যে রোগের কারনে তার গলা কাটতে হবে । থাক আর নাই বা বললাম আমার মন খারাপের কথা আর নাই বা শুনলেন । চলুন এবার দেশের ম্যার্জেস্টেট সাহেবের কিছু কথা বলি । ঘটনা হল আজ কদিন থেকেই শুনছি গাড়ি ভাড়া নিয়মন্ত্রন নিয়ে একটি ভ্রামমান আদালত গঠন করা হয়েছে । অবশ্য সে কারনে রাস্তাও বেশ ফাঁকা যাচ্ছিল কদিন ধরে । যাই হোক আজ সকালে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে ভালই গেছি কোন জায়গায় আটকানো হয় নাই পুজর ছুটির কারনে রাস্তায় তেমনগাড়িও ছিল না ।
ঘটনার অঘটন ঘটলো আসার পথে পিজির সামনে বা সাহাবাগের সামনে থেকে টিকেট কেটে ফাল্গুন গাড়িতে চরে বসলাম আমি আমার স্ত্রী ও আমার ছোট মেয়েটি এবং গাড়িতে অন্যান্য যাত্রীরাও আছেন । গাড়ি কিছু দূর এগিয়ে আসার পর হঠাৎ ব্রেক করল । আমি প্রথমে ভাবলাম হয়ত গাড়ির চাকা পানসার হয়েছে । পরে দেখি না সব ঠিক আছে । প্রথমে দেখলাম দুজন পুলিশ পরে তাদের পিছনে একজন কোট টাই পড়া ভদ্র লোক গাড়িতে উঠছেন । ভদ্রলোক একজনকে জিজ্ঞেসা করলেন আপনদের কাছ থেকে ভাড়া কি বেশি নেওয়া হয়েছে । আমরা সকলে বললাম না ভাড়া বেশি নেয়নি এবং এটা একটি কাউন্টার গাড়ি ও এরা আগের ভাড়াই রাখছেন ।
এর মাঝে গাড়ির ড্রাইভার ভাই বললেন স্যার আমাদের এটা কাউন্টার গাড়ি আর এ গাড়িতে আগের চ্যাট অনুযায়ী ভাড়া নেওয়া হচ্ছে । বাস হয়ে গেল ড্রাইভার ভাই এই কথাগুলো বললো কেন ? এটাই তার অপরাধ সে কারনে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রথমে তার গাড়ির কাগজ পত্র পরে তার ড্রাইভারীং লাইসেন্স চাওয়া হল । সবগুলো কাগজ দেওয়া হলে সব দেখে তাকে বলা হল সব ঠিক আছে কিন্তু ড্রাইভারের অপরাধ একটাই আর তা হল সে কেন ম্যাজিস্টেডেটের সামনে বললো স্যার এটা কাউন্টার গাড়ি । আর এ কথার জন্য ড্রাইভার ভাইয়ের জরিমানা করা হল মাত্র ত্রিশহাজার টাকা এবং তা নগদ দিতে হল । এবার পাঠক গণ বলুন এটা কি আসলে ঠিক হল নাকি অন্যায় হলো । এটাকি ব্যাবিচার হলনা একজন ড্রাইভারের প্রতি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


