
চিত্রকরের চুলের ঝাপ উড়িয়ে, বাতাস দুলে ওঠা
এক নারী এসে দাঁড়ায় সমুখে।
ঝর্ণা কলমটি শিল্পীর দিকে বাড়িয়ে
তৃষিত আবদারে মেলে দিয়ে হাতের করপূট-থালা
- “ একটা ছবি এঁকে দাও না!”
একবার চোখ তুলে দেখে নেয়- রমণীয় পুঁইয়ের ডাঁটা,
মদীর ঢাল বেয়ে নেমে আসা কান্তি, রেশমি চুলের-
মেঘ ঢাকা আধ পূর্ণিমা।
শিল্পীর হাত মুখর শ্লোগানে। ঝর্ণার নাকছাবি ছুঁড়ে
ক্ষিপ্র আঁচড়ে এঁকে যাচ্ছে সে কারও
অর্ধনগ্না নিটোল মাতৃকা।
থর-থর চিত্রপট, অধর তরণী কেঁপে ওঠে ঈষৎ অস্ফুট স্বরে-
- “ ইস...আস্তে!’ ব্যথায় কাতর করপূট শিরা।
- “ কি হ’লো, কোন সমস্যা?” মগ্ন চৈতন্যে বেজে ওঠে
শিস যুবকের, যুবতীর হাত তখনো এলানো- বেতসলতা!
আঁচলে ঢেকে নিয়ে শেষ বিকেলের চুম, নকশী পাঁড়ের দোল
হেঁটে চলে বলে,
- আজ তবে আসি,
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো বলে!
- এসো,
প্রতিদিন এসো, এসো প্রতিক্ষণ,
সন্ধ্যা তারা হয়ে ফুটে থেকো তুমি,
এসো রাত্রি ভেদ করা আলো,
এসো বার-বার; অনেকবার
আবার তুমি এসো...”
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




