somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন ভুলে যাই বিভক্তনিতী,কাঁধে কাঁধ রেখে হেঁটে যাই পরষ্পরের সমান্তরালে।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শতাব্দী থেকে বিদায় নিলো আরেকটি বছর ২০১৪তে যা ঘটেছিল সবই এখন ইতিহাস।
আমরা হারিয়েছি অনেক কান্ডারিকে আবার অনেকেই হয়তো জন্ম নিয়েছে যে হাল ধরবে সামনে।
যতোগুলো নবজাতক/জাতিকা জন্ম নিয়েছে সকলের জন্য রইলো অনেক ভালোবাসা এবং শুভকামনা।
অনেককেই দেখেছি বর্ষবরণ নিয়ে অতিমাত্রায় উত্তেজিত হতে আবার অনেককেই দেখেছি আয়োজন করে এদের বিরোধীতা করতে গালিগালাজ সহকারে আসলে আমরা বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বা এখন এমনই হয়ে গেছি;চট করেই বিভক্ত হয়ে যাই কয়েকটা ভাগে।
নতুন বছরের শুরুতে একটু আধটু আবেগে আপ্লুত হওয়াটা খারাপ কিছু নয় আবার অতিরিক্ত আবেগ নিয়ে উন্মাদের মতো উত্তেজিত হয়ে যাওয়াটাও প্রসংশনীয় নয়।
আমার খুব প্রিয় শিক্ষক একটা কথা বলেছিলেন সেদিন;একটা নাস্তিক সারা জীবন শুধু ধর্মের বিরোধীতা করে গেলো আরেকজন ধার্মিক এতোই উগ্রভাবে ধর্মকর্ম পালন করে গেলো যে সে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মানুষই মনে করতোনা।
জীবনের শেষলগ্নে এসে উভয়ই বোঝতে পারলো আসলে তারা কেউ কিছুই অর্জন করেনি।
বর্ষবরণ ব্যাপারটা এমন নয় যে বছরের প্রথম দিন যদি আমরা একটু আনন্দ আর হৈ হুল্লোড় নিয়ে ব্যাস্ত হই সারা বছর আনন্দেই কাটবে,আবার যারা ভাবছেন সারা বছরইতো ব্যাস্ত থাকি আজ বছরের প্রথম দিনটা না হয় একটু তামাশা করে কাটালাম এদের জানাই সাধুবাদ।
সবকিছুরই কিন্তু একটা সীমা আছে আর সীমানার চিহ্ন আছে নিশ্চয় এমন কিছুকে কখনোই প্রশ্রয় দেবোনা যেটা আমার সংস্কারের সাথে যায়না।
আনন্দের নামে অশ্লীলতা আমরা সমর্থন করিনা অশ্লীলতা বলতে নারীপুরুষ এক হয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিমায় নাচানাচিকে নির্দেশ করছি এগুলো আমাদের সংস্কার নয়।

পাশ্চাত্যরা যাই করুক আমরা ওদের কেন অনুকরণ করবো?বরং এমন ব্যাবস্থাটাই করা উচিৎ যাতে ওরাই আমাদের অনুকরণ করে।
আমরা হয়তো পারিনা বিতর্কমুক্ত একটা বছর পার করতে,বিতর্ক থাকবেই তবে বিতর্কের হারটা কমাতে পারি অন্তত: আমরা পারিনা ভেজালমুক্ত একটা বছর পার করতে ওঠাও থাকবেই,আমরা যেটা পারি সেটা হলো মানুষে মানুষে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে।
আসুন পরিহার করি বিভক্তনিতী আমাদেরকে আমরা মানুষ ভাবি অন্যায়কে অন্যায় বলি, একে অপরের বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতাটা কমিয়ে সহাবস্থান করি,যতটুকু সম্ভব চলাচল করি সমান্তরালে।
সবাইকে জানাই নতুন বছরে শুভ+ইচ্ছা।
আজ যাঁদের জন্মদিন তাদের জন্য রইলো অনেক অনেক দোআ।
পূরন হউক সকলের সকল সুন্দর প্রত্যাশা।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×