শতাব্দী থেকে বিদায় নিলো আরেকটি বছর ২০১৪তে যা ঘটেছিল সবই এখন ইতিহাস।
আমরা হারিয়েছি অনেক কান্ডারিকে আবার অনেকেই হয়তো জন্ম নিয়েছে যে হাল ধরবে সামনে।
যতোগুলো নবজাতক/জাতিকা জন্ম নিয়েছে সকলের জন্য রইলো অনেক ভালোবাসা এবং শুভকামনা।
অনেককেই দেখেছি বর্ষবরণ নিয়ে অতিমাত্রায় উত্তেজিত হতে আবার অনেককেই দেখেছি আয়োজন করে এদের বিরোধীতা করতে গালিগালাজ সহকারে আসলে আমরা বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বা এখন এমনই হয়ে গেছি;চট করেই বিভক্ত হয়ে যাই কয়েকটা ভাগে।
নতুন বছরের শুরুতে একটু আধটু আবেগে আপ্লুত হওয়াটা খারাপ কিছু নয় আবার অতিরিক্ত আবেগ নিয়ে উন্মাদের মতো উত্তেজিত হয়ে যাওয়াটাও প্রসংশনীয় নয়।
আমার খুব প্রিয় শিক্ষক একটা কথা বলেছিলেন সেদিন;একটা নাস্তিক সারা জীবন শুধু ধর্মের বিরোধীতা করে গেলো আরেকজন ধার্মিক এতোই উগ্রভাবে ধর্মকর্ম পালন করে গেলো যে সে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মানুষই মনে করতোনা।
জীবনের শেষলগ্নে এসে উভয়ই বোঝতে পারলো আসলে তারা কেউ কিছুই অর্জন করেনি।
বর্ষবরণ ব্যাপারটা এমন নয় যে বছরের প্রথম দিন যদি আমরা একটু আনন্দ আর হৈ হুল্লোড় নিয়ে ব্যাস্ত হই সারা বছর আনন্দেই কাটবে,আবার যারা ভাবছেন সারা বছরইতো ব্যাস্ত থাকি আজ বছরের প্রথম দিনটা না হয় একটু তামাশা করে কাটালাম এদের জানাই সাধুবাদ।
সবকিছুরই কিন্তু একটা সীমা আছে আর সীমানার চিহ্ন আছে নিশ্চয় এমন কিছুকে কখনোই প্রশ্রয় দেবোনা যেটা আমার সংস্কারের সাথে যায়না।
আনন্দের নামে অশ্লীলতা আমরা সমর্থন করিনা অশ্লীলতা বলতে নারীপুরুষ এক হয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিমায় নাচানাচিকে নির্দেশ করছি এগুলো আমাদের সংস্কার নয়।
পাশ্চাত্যরা যাই করুক আমরা ওদের কেন অনুকরণ করবো?বরং এমন ব্যাবস্থাটাই করা উচিৎ যাতে ওরাই আমাদের অনুকরণ করে।
আমরা হয়তো পারিনা বিতর্কমুক্ত একটা বছর পার করতে,বিতর্ক থাকবেই তবে বিতর্কের হারটা কমাতে পারি অন্তত: আমরা পারিনা ভেজালমুক্ত একটা বছর পার করতে ওঠাও থাকবেই,আমরা যেটা পারি সেটা হলো মানুষে মানুষে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে।
আসুন পরিহার করি বিভক্তনিতী আমাদেরকে আমরা মানুষ ভাবি অন্যায়কে অন্যায় বলি, একে অপরের বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতাটা কমিয়ে সহাবস্থান করি,যতটুকু সম্ভব চলাচল করি সমান্তরালে।
সবাইকে জানাই নতুন বছরে শুভ+ইচ্ছা।
আজ যাঁদের জন্মদিন তাদের জন্য রইলো অনেক অনেক দোআ।
পূরন হউক সকলের সকল সুন্দর প্রত্যাশা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

