somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক মৃত্যুদন্ড নামের শাস্তি বিধান।

০৭ ই মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একজন মানুষ যখন যে কোন উপায়ে আরেকজনের অনিষ্ট সাধন করে তখন তার পরিচয় হয়ে দাঁড়ায় অপরাধি হিসেবে;
এই অপরাধী কে দমন করার স্বার্থে আইন তখন এগিয়ে আসে,আইন বিজ্ঞান অনুসারে কাউকে শাস্তি দেয়ার মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে একজন অপরাধি যাতে বার বার অপরাধ করার সুযোগ না পায় সেটা নিশ্চিত করা;
আসলে এটা ধরে নেয়া হয়;যে মানুষটা একবার অনিষ্ট সাধন করে অপরাধীর তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছে সে যে আবারও অপরাধ করবেনা তার তো কোনো নিশ্চয়তা নেই তাছাড়া তাকে বোঝানো উচিৎ সে যে ভূল করেছে এর জন্য সমাজ শাস্তির ব্যাবস্থা করে রেখেছে।
শাস্তি দেয়ার আরেকটা উদ্দেশ্য হলো দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যাতে করে আরেকজন মানুষ অপরাধী হওয়ার আগে ভয় পায়।
একই অপরাধী যাতে আরেকটা অপরাধ সংগঠনে কোনোরূপ ভূমিকা পালন করতে না পারে সেটাও শাস্তি প্রদানের আরেকটা উদ্দেশ্য,
আইন যে শাস্তি গুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে তন্মধ্যে দুইটা খুব বেশী দৃষ্টান্তমূলক একটা মৃত্যু দন্ড অপরটা কারাদণ্ড যা সশ্রম অশ্রম দুইটাই হতে পারে।
আমার দাবী সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে যে ধরনের কাজ করানো হয় সেগুলো হউক লাভ জনক।
এরকম কিছু বলছিনা সে যেহেতু অপরাধি তাকে দিয়ে কঠিন কঠিন কাজ করানো হউক।
বরং এটা বলছি কঠিন কাজটা তাকে দিয়ে সহজ ভাবে করানো হউক তবে সেটা হউক উতপাদন মূলক।

মৃত্যু দন্ডের ব্যাবস্থাটা চিরতরে বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে আমি;আমার কাছে আমৃত্যু কারাদণ্ড যা মৃত্যুদণ্ড ও তা।
বরং মৃত্যুদন্ড দেয়াটা বর্বর;সেই সাথে এখনকার সমাজ ব্যাবস্থা এতোটাই জঠিল হয়ে দাঁড়িয়েছে এখানে একজন নির্দোষ মানুষকেও অপরাধী বানানো তেমন কঠিন কিছু না।
মৃত্যু দন্ড কার্যকর করা হয়ে গেলে সে মানুষটাকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব না।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মধ্য দিয়ে না হয় দেশের লাভ না দশের লাভ আর ভিকটিম পরিবারগুলোর তো কোন লাভই হয়না।
যদি এরকম করা হয় একটা কারখানা নির্মাণ করা হয়;যেখানে সাজা প্রাপ্ত কয়েদিরা কাজ করবে এবং সাধারণত একজন শ্রমিক যে মজুরি পায় সেটাও পাবে যার সবটাই তুলে দেয়া হবে ভিকটিম পরিবারের হাতে যার থেকে থেকে সরকার শতকরা হারে কিছু টাকা নিতে পারে; যখন সরকার কতৃক কারখানা স্থাপন টাকে আমরা ধরে নিতে পারি বিনিয়োগ হিসেবে।
ব্যাপারটা কিন্তু একটুও দাশ প্রথা সমর্থন করছেনা,এখানে সার্বভৌমত্বের বরাত দিয়ে আদালত একটা সমাদৃত আদেশ প্রদান করছে মাত্র;কয়েদির কাছ থেকে কোনো টাকা সে নিচ্ছে না কয়েদির শ্রম ও শোষণ করছেনা বরং তাকে সঠিক হারে মজুরি প্রদান করছে সে যেহেতু আরেকজনের অনিষ্ট সাধন করেছে সুতরাং টাকাটা ঐ মানুষটার উন্নতির স্বার্থে ব্যায় হচ্ছে যেটাকে কখনোই অনৈতিক বলা যাবেনা।
আর এই শ্রমের আদেশকে জবরদস্ত শ্রমও বলার সুযোগ নেই যদি তাই বলতে চান তবে আমি বলবো তাহলে আদালতের সকল আদেশ ই জবরদস্তিমূলক কারন ফাঁসি,কারাদণ্ড সব ধরনের শাস্তি ই আসামির অনিচ্ছায় দেয়া হয়।
আসলে এই ব্যাপারটাকে ধরা যেতে পারে এরকম যেমনটা জরিমানা;
সাধারণ জরিমানার ক্ষেত্রে আদালত বলে এই ক্ষতির কারনে আসামি পক্ষকে নির্দেশ দেয়া হলো ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাদিপক্ষকে নির্দিষ্ট অমুক অংকের টাকা দেবেন।
এখানেও একই জিনিস ঘটেছে তফাৎ শুধু এটাই এখানে জরিমানার পরিমাণ অনির্ধারিত;
এখানে সশ্রম কারাদণ্ডটাই জরিমানা-
আরেকটা প্রশ্ন আসতে পারে এখানে যে টাকার বিষয়টা যদি এতো প্রাধান্য দেয়া হয় তাহলে ধনি পরিবারগুলো ১৪*৩৬৫*মজুরির টাকাটা এক কালীন দিয়ে মুক্তি পেতে চাইবে কিন্ত সেটা হবেনা কারণ এখানে জরিমানা+শাস্তি বলতে সশ্রম কারাদণ্ড বোঝানো হচ্ছে।
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×