প্রচন্ড গরম।
পুরো শরীর ঘেমে নেয়ে একাকার। পা থেকে মাথা অবধি কেবলই দরদর করে ঘাম ঝরতেছে।
আমি যখন গোসল করে ভেজা গা নিয়ে রোদের নিচে দাঁড়াই তখন দেখেছি ভেজা গা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
আজ রোদের তেজটাও চরম। বুদ্ধি করে ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে তেজোদ্যীপ্ত সূর্যতাপে দাঁড়ালাম।
কিন্তু এ কী!!!
আজ সবকিছু এরকম উল্টপাল্টা হচ্ছে কেনো? ঘাম শুকানোর বদলে আরও জোরসে ঘাম বের হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কেউ শরীরে ঘামের পাম্প বসাইছে। সেই পাম্প সেচ দিয়ে ঘামের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে...
উফফ...
এজন্যই কবি বলেছেনঃ-
ঘাম ঝরে দর দর,গ্রীষ্মের দুপুরে...
মাঠঘাট চৌঁচির,জল নেই পুকুরে...
১৯৯০ সালে গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১৯৯৫ এ ছিল ২৭ ডিগ্রি। ২০০০ সালে ছিল ২৯ ডিগ্রি। ২০০৫ সালে ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস!!
আর গতবছর (২০১৬সালে) গড় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস!!
যদিও আজ এই মূহুর্তে (দুপুর ১২টা) তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার যদি এভাবে বাড়তে থাকে তাহলে ২০২০ সালে হবে ৫০ ডিগ্রী এবং ২০২৫ সালে তাপমাত্রা হবে ৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াস!!!
১৯৮০ সালে বাংলাদেশের বনভূমি ছিল ১৬ ভাগ আর এখন তা কমতে কমতে ৯ ভাগে নেমে এসেছে!!!
অন্যান্য দেশ যেখানে ১টি গাছ কাটলে ২টি গাছ লাগানোর নির্দেশ দিচ্ছে সেখানে আমাদের দেশে সবুজ পুড়িয়ে দিচ্ছে! গাছ কেটে মরুভূমি বানাচ্ছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে সুন্দরবন ধ্বংসের মহাযজ্ঞ চলছে।
তাই,আসুন গাছ লাগাই,পরিবেশ বাঁচাই,নিজেদের বাঁচাই।
#Savesundarban
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



