যে কোন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ করলেই দেখা যাবে প্রতিটি বিভাগেই শিক্ষকদের অপর্যাপ্ততা আর সীমিত শিক্ষরের মধ্যেও বেশীর ভাগেরই ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি। এরপরও যে কজন শিক্ষক বিভাগে থাকেন, স্বাভাবিকভাবেই তারা অস্বাভাবিক চাপের সম্মুখীন হন। এত ব্যস্ততা ও অস্থিরতার মধ্যে কখন যে আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ি কে জানে! যতটা দায়িত্বপ্রবণতা তারা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে প্রকাম করে, আমরা শিক্ষকদের সেই রুপটির সঙ্গে পরিচিত হতে পারিনি কেন? রাজনৈতিক কাজে ব্যস্ত হয়ে যখন একজন শিক্ষক পরীক্ষার খাতায় ঠিক সময়ে জমা দেন না বা ঠিক সময়ে ক্লাশ নেন না, তখন একজন শিক্ষাথর্ীর পক্ষে কতটুকুই করা সম্ভব?
না, এগুলো অভিযোগ নয়। অভিযোগ জানানোর সময় তো অনেক আগেই পেরিয়ে এসেছি আমরা। এখন শুধুই হতাশা-নিজের কাছে মাঝে মধ্যে প্রশ্ন করি, আর কত দিন আমরা শিক্ষাথর্ীরা গিনিপিগ হয়ে থাকব? আসলে ঠিক কোন জিনিসটির সংস্কার প্রয়োজন? শিক্ষাক্ষেত্রের সংস্কারের আগে আমাদের বিবেকের সংস্কার হওয়া প্রয়োজন নয় কি? নইলে আমরা কীভাবে বুঝব যে, একজন শিক্ষাথর্ীর জীবনের মোড় বদলে দিতে পারে?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




