প্রিয় -ে-া,অনেকের ভিড়ে হয়তো চোখেই পড়েনি। দেখেছো কখনো টিফিনের ফাকে কিংবা কিছু ক্লাশে অপেক্ষার সেখানে বসে থাকতাম। কোন একদিন না এলে কি করে যে দিনটা কাটত তা এখন তোমাকে বুঝই কি করে। হয়তো তখনো বুঝতে পারতে না। তাহলে তখনই বুঝতে পারতাম আমাকে তোমার অপছন্দ,তখনো হয়তো একটা সুযোগ ছিল। কিন্তু নিজেকে কিভাবে ফেরাব জানা নেই। আমি না হয় জানাইনি কিন্তু তুমি তো আমাকে তোমার কথা জানাতে পারতে। তা না করে শুধু এড়িয়ে চলেছো। কখনো কথাও বলনি, তাই অপেক্ষায় থেকেছি। যদি কখনো জানতে চাও,আমি কতভাবে যে তোমাকে বোঝাতে চেয়েছি। হয়তো বুঝেও না বোঝার ভান করেছে।
মনে পড়ে হিসাব বিজ্ঞান স্যারের কোচিং ক্লাশগুলোর কথা। আমি হা করে তোমার তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতাম আর তুমি মুখ ফিরিয়ে নিতে। কখনো কি উপলব্দি করেছো,তখন আমার ভিতরটায কী ঘটতো।
.ে.া তোমাকে এখন আমি ভুলে থাকতে চাই।বাস্তবকে গ্রহন করে অনেক দুরে যেতে চাই। কিন্তু কি করব পারি না যে; খুব ইচ্ছে করছিল তোমাকে একটু দেখে আসব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর যাইনি।
আসলে তোমাকে বিরক্ত করতে চাইনি। সুযোগও ছিল। কিন্তু নতুন করে আর কষ্ট পেতে চাইনি। আজ যদি আমি আর একটু বড় হতাম, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতাম তবে কি আমাকে গ্রহন করতে? যদি কখনো যদি নিজেকে তোমার যোগ্য হিসাবে প্রমান করতে পারি। আমাকে গ্রহন করবে তো? আমি যে আমার আবেগগুলো লেখায় প্রকাশ করতে পারি নাই। তুমি কি বিশ্বাস করবে এটুকু লিখতে যে কতবার চোখের পাতাগুলো ভিজে গেছে। তবে খুব হালকা লাগছে তোমাকে কথাগুলো জানাতে পেরে।আচ্ছা তুমি এই লেখা পড়বে তো? আমাকে চিনবে তো? লেখাটি পড়ার পড় আমাকে ফোন করবে তো?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




