কতদিন ঘুড়ি হয়ে উড়ে যেতে চেয়েছি দূর আকাশে,পাখি হয়ে ছুঁতে চেয়েছি মেঘ। রঙিন প্রজাপতির মতো ডানা মেলে ছন্দনৃত্যে ঘুরেছি কত যে সবুজে । কৈশোর পেরিয়ে জেনেছিলাম ওসব ছেলেমানুষি। সুতো কেটে ঘুড়ি কোথায় হারায়। ফুলের কাটা বিদ্ধ হয়ে প্রজাপতি হয় ছন্দহীন। কল্পনারাজ্যের বুনন তাই থেমে না। পথটা কেবল বদলে নেয়। রুপচাদের আলোয় ঝলসে যেতে চাই, প্রেমস্নাত হয়ে শুদ্ধ হতে চাই। কিন্তু আমর নদীর জল সমুদ্রে পড়ে না, ভালোবাসা তাই প্রেমেও গড়ায় না। জীবনবাস্তবতায় শিখে নিই সাদা জোছনা, অমাবশ্যায় অন্ধকারই থাকে। যৌবনের শেষ বিকেলে স্বপ্ন সারথি মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় ও পথের দরজা তাই তালাবদ্ধ করেছিলাম। ভুল করেও যেন কেউ সেখানে কড়া না নাড়ে। কিন্তু কাউকে কড়া নাড়তে হয় নি। কোন এক উদাসী সন্ধ্যায় হুট করে দরজটা ভেঙ্গে পড়ল। সে ভাঙ্গনে আমারও সহযোগিতা।
ভালোবাসার জোয়ার আর পানির জোয়ারের বড় পার্থক্য এই যে, ভালোবাসার জোয়ারে মানুষ নিজেই ভেসে যেতে চায়। ফেরেশতাই হবে হয়তো। নুরের তৈরী না হলে এক পলকেই চোখ ধাঁধিয়ে উঠল কেন? আমি আবার ফতুর হতে শুরু করলাম। দিতে দিতে আমার নদী শুকিয়ে গেল, সমুদ্রকে আর ছোয়া হলো না। .ে.া প্রতি বিনিয়োগকৃত রাশি রাশি ভালাবাসা সুউচ্চ প্রেম নির্মিত হলো না। .ে.া সাথে শুধু বন্ধুতার স্বপ্নটুকুও তাই দৃশ্যমান হয় নি আজো। তবে এই লেখার শিরোনাম মিথ্যে করে দিয়ে ভালোবাসার গলনে প্রেম একদিন নির্মিত হবেই।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:০০