somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে কিছু কথা.....................

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বরাবরের মতই আনন্দ উৎসাহের সাথে ঈদ কেটে গেল! রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবরের মতই দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন। দেশবাসীন শান্তি কামনা করলেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই দেশ বাসীদের মধ্যে হুম্মাম কাদের, ব্রিঃ জেনারেল (অবঃ) আব্দু্ল্লাহি আমান আযমী এবং ব্যারিষ্টার আমানরা কি রয়েছেন? নাকি তারা এই শান্তি কামনার মধ্যে অন্তুভুক্ত নয়! নাকি তারা এই চেতনাময় দেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছার অন্তুভুক্ত নয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনারই আত্নিয়! সম্পর্কে ভাতিজা হবে হয়তো! আপনার পিতার ইচ্ছানুযায়ী সাকা চৌধুরীর সঙ্গে আপনার বিয়ে হলে এই হুম্মা হয়তো আপনারই গর্ভজাত সন্তান হতো। কিন্তু বিধি বাম! আপনার ভালোবাসাটা পূর্ণতা পায় নি। কিন্তু তাই বলে কি আপনার ভালোবাসার মানুষটির ছেলের কোন খোজই রাখবেন না? এটাকি প্রকৃত প্রেমিকার চরিত্র হতে পারে? তাছাড়া সে তো আপনারই আত্নিয়! নিজের আত্নিয়কে মিন্টু রোডের ডিবি অফিসের খুপড়ি ঘরগুলোতে বন্দি করে রাখা কি ঠিক হচ্ছে? আপনার গোয়েন্দা সদস্যরা ছেলেটাকে সেই যে উঠিয়ে নিয়ে গেল আর কোন খবরই দিল না! এটা তো আত্নিয়তার চেতনাকে লঙ্ঘন করছে! তাছাড়া আপনি নিজেও একজন মা! আপনি কি হুম্মাম কাদেরের মায়ের কথা একটিবারও ভাবতে পারছেন না! সেই মায়ের ব্যাথাটা অনুভব করতে পারছেন না! যদি নাই পারেন তবে আপনি কিসের মা? আপনার মা হবার কোন যোগ্যতাই নেই! আপনি মা জাতির কলঙ্ক।



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহি আমান আযমীকে তো আপনার ভাল করে চেনার কথা! হয়তো একনামেই চিনে থাকবেন! কারণ আপনি ক্ষমতায় আসার পরতো এই ব্রিগেডিয়ার সাহেবকেই প্রথম বাধ্যতামূলক অবসরে যেতে বাধ্য করেছিলেন! কথিত আছে আমান আযমী যেদিন খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট থেকে চলে আসেন সেদিন সৈনিকরা হুহু করে কান্না শুরু করে দেয়! একজন যুদ্ধাপরাধীর ছেলের জন্য কান্না করাও অপরাধ! তাদেরকেও অবসরে পাঠিয়ে দেয়া উচিত ছিল! কিন্তু আপনি মহানুভব! আপনি উদার! আপনি সম্মানিত মায়ের জাত! তাই দয়া করে তাদের পেটে লাত্থি মারেন নি! এতোগুলো সৈনিকের আপনি চাকরি বহাল রেখেছেন! ম্যাডাম! একটা কথা বলতে খারাপ লাগছে! জানি এই কথা শুনলে আপনার পিত্য জ্বলে যাবে! তারপরও এগুলো আপনার বিজ্ঞানী ছেলের কাছে কিছুই না! খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজটাকে সাফল্যে দ্বারপ্রান্তে নাকি এই আমান আযমীই নিয়ে গেছে! সেখানে বিশাল একটি কম্পিউটার ল্যাবও চালু করে দিয়েছেন গোলাম আযম এর এই পুত্র! হাজার হলেও তিনি সেনাবাহিনীর একজন সাবেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা! তাকে এভাবে গুম করে রাখাটা কি ঠিক হচ্ছে ম্যাডাম? তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলে পুরে রাখুন! কিন্তু একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে এভাবে মাসের পর মাস গুম করে রেখে নিজেরই ক্ষতি করছেন! আজ সেনা কর্মকার্ত বিচার পাচ্ছে না কাল জয় বাবু বিচার পাবে তো? নাকি তাকে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে দিন পার করতে হবে?



মাননীয়া, দেশ মাতার দরদী সন্তান, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী প্রধানমন্ত্রী! ব্যারিষ্টার আমান এর কথা শুনে থাকবেন হয়তো! জি দেশের অন্যতম ধনকুবের পুত্র! যে ধনকুবের কথা শুধু মিডিয়াতেই শোনা যায় কিন্তু ধনকুবদের ঢাকা ক্লাবে তার নাম দেখি না! বিলেত ফেরত একজন ব্যারিষ্টার কে মিন্টুরোডে আটকিয়ে রাখাটা কি ঠিক হচ্ছে? কোন ধরনের অভিযোগ ছাড়াই একজন ব্যারিষ্টারকে দিনের পর দিন আটকিয়ে রাখাটাও একটি ফৌজদারি অপরাধ! মাননীয়া! আপনি এমন অপরাধ করতে পারেন না! আপনিই যদি এমন অপরাধ করেন পরবর্তিতে তুরিন আফরোজদের দু’পয়সার উকিলদের তো বছরের পর কারাগারে মাথা ঠুকে মরতে হবে! এভাবে অনিয়ম করলে আপনার দলের কর্মীরা পরবর্তিতে অবেলায় শহীদ হয়ে যাবে! আপনি তাহা সহ্য করতে পারবেন! আমার মনে হয় না আপনি পারবেন! কারণ আপনি তো মা! মায়ের জাত! যদি আপনি নিজেকে মা হিসেবে স্বীকার না করে সেটা ভিন্ন কথা! যারা হত্যার পর সোহানের দু’চোখ উপড়িয়ে ফেলে তাদেরকে মা ই বলি কি করে???????

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:২৭
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×