
সকাল সন্ধ্যার আমল:
আল্লাহ তাআলা মানুষের কল্যাণে পবিত্র কুরআনুল কারিম নাজিল করেছেন। এ কুরআনে রয়েছে ফজিলতপূর্ণ বিশেষ বিশেষ সুরা এবং আয়াত। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সুরা ও আয়াতগুলোর বিশেষ আমলও ঘোষণা করেছেন। তন্মধ্যে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত অন্যতম।
১. হাদিসের বর্ণনায় সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত
প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ''নির্ঘাত আল্লাহ তাআলা সুরা বাক্বারাকে এমন দু'টি আয়াত দ্বারা শেষ করেছেন; যা আমাকে আরশের বিশেষ ধনভাণ্ডার থেকে দান করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা তা শেখ এবং নিজেদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্তুতিকে শিক্ষা দাও।' (বাইহাকি)
সূরাহ বাকারার শেষ দু'টি আয়াত-
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللّهِ وَمَلآئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ وَقَالُواْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ لاَ يُكَلِّفُ اللّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَآ أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
আয়াতদ্বয়ের বঙ্গানুবাদ:
'রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।'
'আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।'

আয়াত দু'টির ফজিলতে বর্নিত আরও কিছু হাদিস:
হজরত আবু মাসউদ আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি (সুরা বাকারার) এই আয়াত দু`টি পাঠ (মনে প্রাণে বিশ্বাস করে সে অনুযায়ী আমল) করে; তবে তা (দুনিয়া ও আখিরাতে) তার জন্য যথেষ্ট। (বুখারি ও মুসলিম)
হজরত নোমান ইবনে বশির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘আসমান-জমিন সৃষ্টির দু’হাজার বছর পূর্বে আল্লাহ তাআলা লিপিবদ্ধ করেছেন যে, সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াত যে ঘরে তিন দিন পাঠ করা হবে; সে ঘরের কাছে শয়তান আসতে পারবে না।’ (বগবি, তাফসিরে মাজহারি)
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যখন আমাকে সিদরাতুল মুনতাহায় (মেরাজের রজনীতে) নিয়ে যাওয়া হয়; তখন তিনটি জিনিস দান করা হয়।
প্রথমত: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ;
দ্বিতীয়ত: সুরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহ;
তৃতীয়ত: এ উম্মতের যে সব লোক শিরক না করে তাদের কবিরা গোনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ। (মুসলিম, তাফসিরে মাজহারি)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একটি বর্ণনা পাওয়া যায় যে, ‘দুটি আয়াত, যা পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার শেষে রয়েছে, এ আয়াতসমূহ (পরকালে মুক্তির জন্য) শাফায়াত করবে; এ আয়াত আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয়।
এ কারণে হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমাদের মতে যার সামান্যতম জ্ঞান আছে, ওই ব্যক্তি এ আয়াত দু'টি পাঠ করা ব্যতিত নিদ্রা যাবে না।'
সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াতের বাংলা উচ্চারন-
উচ্চারণ : আ-মানার রসু-লু বিমা- উংযিলা ইলাইহি মির রব্বিহি- ওয়াল মু’মিনু-ন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লা-হি ওয়া মালা-ইকাতিহি- ওয়া কুতুবিহি- ওয়া রুসুলিহি-। লা- নুফাররিক্বু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহি-। ওয়া ক্বা-লু- সামি'না- ওয়া আত্বা'না- গুফরা-নাকা রাব্বানা- ওয়া ইলাইকাল মাছি-র।
লা- ইউকাল্লিফুল্লা-হু নাফসান ইল্লা- উসআ’হা- লাহা- মা- কাসাবাত ওয়া আলাইহা- মাকতাসাবাত, রাব্বানা- লা- তুআখিজনা- ইন্নাসিনা- আও আখত্বনা-, রাব্বানা- ওয়া লা- তাহমিল আলাইনা- ইছরাং কামা- হামালতাহু- আলাল্লাজি-না মিং ক্বাবলিনা-, রাব্বানা- ওয়া লা- তুহাম্মিলনা- মা- লা- ত্ব-ক্বাতা লানা- বিহি-, ওয়া’ফু আ’ন্না ওয়াগফিরলানা- ওয়ারহামনা-, আংতা মাওলা-না- ফাংছুরনা- আলাল ক্বাওমিল কা-ফিরি-ন। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ২৮৫-২৮৬)

মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে- সাহাবায়ে কেরাম একবার প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বসা অবস্থায় ছিলেন। হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামও সেখানে উপস্থিত। এমন সময় আকস্মাৎ আসমান থেকে একটি ভয়ংকর আওয়াজ আসল।
হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম তখন ওপরের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন এবং বললেন, ‘আসমানের এমন একটি দরজা উন্মুক্ত হলো- যা ইতিপূর্বে আর উন্মুক্ত হয়নি।'
তখন সে দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে হাজির হলেন এবং বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি সন্তুষ্ট হোন। আপনাকে এমন দু'টি নূর প্রদান করা হয়েছে; যা ইতিপূর্বে কোনো নবিকে প্রদান করা হয়নি।'
তা হলো সুরা ফাতেহা এবং সুরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহ; এর প্রত্যেকটি অক্ষরে আপনাকে নূর প্রদান করা হবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির)
২. আরেকটি আমল:
এক সাহাবি হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সবিনয়ে আরজ করলেন, হে আল্লাহর রসুল! আমাকে একটি সহজ আমল বলে দিন, যার ওপর আমল করে আমি জান্নাত লাভ করতে পারি। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তুমি সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ ফজর ও মাগরিবের নামাজান্তে সাতবার পড়বে-
'আল্লাহুম্মা আজরিনি মিনাননার।'
'হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন'।

৩. সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি 'আউযুবিল্লাহিসসামিইল আলিমি মিনাশসাইত্বানির রাজিম' তিনবার পড়ে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়বে, আল্লাহতায়ালা তাকে শহীদের ফজিলত দান করবেন, ৭০ হাজার ফেরেশতা তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করবে। ৭০ হাজার ফেরেশতা তার উচ্চ মর্যাদা লাভের জন্য দোয়া করবে।
সূরাহ হাশরের শেষ তিনটি আয়াত-
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاء الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
''তিনিই আল্লাহ তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা। তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্নøশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা’ আলা তা থেকে পবিত্র। তিনিই আল্লাহ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।''
তিন শ্রেনির মানুষ বিনা হিসেবে জান্নাত লাভ করবে:
রসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তিন শ্রেণির লোক বিনা হিসাবে জান্নাত লাভ করবে। তারা হলেন-
১. মুসলমানদের সন্তান, যারা অপ্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। তাদের কোনো সুওয়াল-জওয়াব নেই। তারা এমনিতেই জান্নাতে চলে যাবে। আমাদের সন্তান মৃত্যুবরণ করলে আমরা অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করি। তবে স্বভাবত: সন্তানের প্রতি ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কারণে যে কান্না আসে, তাতে আমলনামায় সওয়াব লিখা হয়। কিন্তু এ পরিমাণ কষ্ট পাওয়া কিংবা এমন দুঃখ প্রকাশ করা নিষিদ্ধ, যাতে মনে হয় আল্লাহতায়ালা সন্তানের মৃত্যু প্রদান করে অন্যায় করেছেন। (নাউযুবিল্লাহ) এ ধরনের আক্ষেপ ও দুঃখ-বেদনা প্রকাশ করা হারাম। রসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, মুসলমানদের যেসব শিশু মৃত্যুবরণ করে, তারা হাশরের দিন আল্লাহতায়ালার সঙ্গে তর্ক করে বলবে:
'হে আল্লাহ! আমাদের পিতা-মাতা কোথায়?'
আল্লাহতায়ালা বলবেন, 'তারা তো তাদের কৃতকর্মের কারণে জাহান্নামে দগ্ধ হচ্ছে।'
এ শুনে শিশুরা বলবে, 'তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে আমাদের কাছে এনে দিন!'
তখন আল্লাহপাক বলবেন, 'তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া তো আমার আইনবিরোধী।'
শিশুরা বলবে, 'আইন বুঝি না, আমরা আমাদের পিতা-মাতাকে চাই।'
আল্লাহতায়ালা বলবেন, 'তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়।'
তখন শিশুরা বলবে, 'আমাদের পিতা-মাতা জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান সম্ভব না হলে আমরাও তাদের সঙ্গে জাহান্নামে যাব।'
এ বলে তারা জাহান্নামের দিকে রওনা করবে। জাহান্নামের কাছে যখন তারা পৌঁছবে, তখন জাহান্নাম তাদের দেখে ভয়ে চিৎকার করে বলবে,
'হে আল্লাহ! এদের ফিরিয়ে নিন, অন্যথায় আমার অস্তিত্ব বিনষ্ট হয়ে যাবে।'
তখন আল্লাহতায়ালা তাদের পিতা-মাতাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাত দান করবেন।
২. নবী-রসুলগন মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জান্নাতে চলে যাবেন। তাঁদের কোনো প্রকার হিসাব নেই। নবী-রসুলগন নিষ্পাপ হয়ে থাকেন, তাঁরা গুনাহ করেন না, করতে পারেন না। আমাদের দেশের একশ্রেণির লোক বলে বেড়ান যে, নবীরা নিষ্পাপ নন, এখানেই শেষ নয়। এ বিষয়ে তারা রীতিমতো দলিল-প্রমাণও পেশ করেন। তাদের দুঃসাহস দেখে আফসোস করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না। অথচ আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের আকিদা হলো, সকল নবী-রসুল নিষ্পাপ। কেউ যদি বলে নবীরা ইচ্ছাকৃত গুনাহ করেন, তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।
৩. সে সব মুজাহিদ, যাঁরা শরিয়তের বিধান অনুযায়ী আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইসলাম ধর্মকে পৃথিবীর বুকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য যুদ্ধ করে শাহাদাতবরণ করেন, তাঁরা বিনা হিসেবে জান্নাত লাভ করবেন।
আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে পথপ্রদর্শন করুন। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে দুনিয়া আখিরাতের কল্যানের পথে ফিরে আসার তাওফি মুসলিম উম্মাহকে আরশের ধনভান্ডার থেকে দান করা ফজিলতপূর্ণ আয়াতদ্বয় সকাল-সন্ধ্যায় পাঠ করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের সব কল্যাণ দান করুন।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


