somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

উত্তম আমলকারীদের জন্য সুসংবাদ! শুধুই সুসংবাদ........... !!

০৬ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হামদ ও সানা, একটুখানি প্রাণের কথা...........
লক্ষ কোটি সুজূদ, কুউ-দ, সানা, হামদ, তাসবীহ, তাহলীল, তাহিয়্যাত- সেই মহান মালিক মুনিব বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লার দরবারে আলী শানে। তিনি দয়া করে আমাদের ঈমানের আলোয় আলোকিত করেছেন। বিশ্বাসের হিরক দ্যুতিতে পূর্ণ করেছেন আমাদের হৃদয়-মন। আমরা পার্থিব জীবনে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁর বেশুমার নেআ'মতের শুকরিয়া আদায় করতে করতে রাতে আমাদের চক্ষু মুদ্রিত হয়। পূর্ব দিগন্তে তাঁর অপার অপরিসীম বিপুল মহিমা ভালোবাসার প্রকাশ সোনালী সূর্যের মায়াবি আভা দেখতে দেখতে আমাদের সুবহি সাদিক জেগে ওঠে। আমরা পাখির মত কিচিরমিচির রবে তাকে ডাকি। তাঁর গুনগান গাই। তাকে ডাকতে পেরে প্রসন্নতায় হৃদয় দোলাই। আমাদের পার্থিব জীবন তাঁর দয়ায় ধন্য। আমাদের পারকালীন জীবনও বিশ্বাসের হিরন্ময় জ্যোতিতে হয়ে উঠুক আলোকিত, নাজাতপ্রাপ্ত, মুক্ত।



উত্তম আমলকারীদের জন্য সুসংবাদ! শুধুই সুসংবাদ........... !!
আ'মালে সালেহ অর্থাত, উত্তম আমলকারীরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার বন্ধু। আর যারা আল্লাহ পাকের বন্ধু তাদের কোনো ভয় নেই। পবিত্র কুরআনের অসংখ্য আয়াতে একথার ঘোষনা তিনি নিজেই দিয়েছেন। আল্লাহ পাক বলেন,

أَلا إِنَّ أَوْلِيَاء اللّهِ لاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘জেনে রেখ! নিশ্চয়ই আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা ইউনুস : আয়াত ৬২)

অন্য আয়াতে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন,

يَا عِبَادِ لَا خَوْفٌ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ وَلَا أَنتُمْ تَحْزَنُونَ

'হে আমার (ইবাদতকারী) বান্দাগণ! আজ তোমাদের কোনো ভয় নেই এবং তোমরা চিন্তিতও হবে না।’ (সুরা যখরূফ : আয়াত ৬৮)



আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে পাকের অনেক জায়গায় উত্তম আমলকারীদের সুসংবাদ শুনিয়েছেন, তাদের অভয় দিয়েছেন, তাদের সাহস দিয়েছেন। এ বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু আয়াত তুলে ধরা হলো-

এক.

قُلْنَا اهْبِطُواْ مِنْهَا جَمِيعاً فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُم مِّنِّي هُدًى فَمَن تَبِعَ هُدَايَ فَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে কোনো নির্দেশ আসলে যারা আমার নির্দেশ অনুসারে চলবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। (সুরা বাকারা : আয়াত ৩৮)

দুই.

بَلَى مَنْ أَسْلَمَ وَجْهَهُ لِلّهِ وَهُوَ مُحْسِنٌ فَلَهُ أَجْرُهُ عِندَ رَبِّهِ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘হ্যাঁ, যে নিজেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণরূপে সমর্পন করে এবং নেক কাজ করে, তার জন্য প্রতিপালকের কাছে পুরস্কার রয়েছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১১২)

তিন.

الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ ثُمَّ لاَ يُتْبِعُونَ مَا أَنفَقُواُ مَنًّا وَلاَ أَذًى لَّهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘যারা আল্লাহর পথে সম্পদ খরচ করে; খরচের কথা বলে বেড়ায় না এবং কষ্টও দেয় না, তাদের জন্য প্রতিপালকের কাছে রয়েছে পুরস্কার। তাদের কোনো ভয় নেই আর তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৬২)

চার.

الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سِرًّا وَعَلاَنِيَةً فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘যারা খরচ করে নিজেদের ধন-সম্পদ রাতে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে; তাদের জন্য প্রতিপালকের কাছ থেকে রয়েছে প্রতিদান। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৪)

পাঁচ.

إِنَّ الَّذِينَ آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ وَأَقَامُواْ الصَّلاَةَ وَآتَوُاْ الزَّكَاةَ لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘নিশ্চয় যারা ঈমান আনে, নেক আমল করে, নামাজ প্রতিষ্ঠা করে এবং জাকাত দেয়; তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে পুরস্কার। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৭)



ছয়.

وَمَا نُرْسِلُ الْمُرْسَلِينَ إِلاَّ مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ فَمَنْ آمَنَ وَأَصْلَحَ فَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘আমি রাসুলদেরকে শুধুমাত্র সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করিনি। সুতরাং যে ঈমান আনবে এবং নিজেকে সংশোধন করবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা শোকার্ত হবে না।’ (সুরা আনআম : আয়াত ৪৮)

সাত.

يَا بَنِي آدَمَ إِمَّا يَأْتِيَنَّكُمْ رُسُلٌ مِّنكُمْ يَقُصُّونَ عَلَيْكُمْ آيَاتِي فَمَنِ اتَّقَى وَأَصْلَحَ فَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘হে আদম সন্তান! যদি তোমাদের কাছে তোমাদেরই মধ্য থেকে রাসুলগণ এসে আমার নিদর্শনসমূহ তোমাদের কাছে বর্ণনা করেন; তখন যে ব্যক্তি তাকওয়া অবলম্বন করবে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তাদের কোনো চিন্তাও নেই।’ (সুরা আরাফ : আয়াত ৩৫)

আট.

إِنَّ الَّذِينَ آمَنُواْ وَالَّذِينَ هَادُواْ وَالنَّصَارَى وَالصَّابِئِينَ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَعَمِلَ صَالِحاً فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ

‘যারা ঈমান এনেছে এবং যারা ইয়াহুদি, খ্রিস্টান ও সাবিঈন; তাদের মধ্য থেকে যারা আল্লাহ ও শেষ দিবেসের ওপর ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে; তাদের জন্য প্রতিপালকের কাছে রয়েছে পুরস্কার। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ৬২)

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লার এসব ঘোষণার প্রতি অটল ও অবিচল আস্থা এবং বিশ্বাস স্থাপনকারীরাই প্রথমত ঈমানদার ও নেক আমলকারী। অতঃপর আয়াতে ঘোষিত ঈমান, নামাজ, জাকাতসহ আল্লাহ তাআ'লা কর্তৃক নির্ধারিত ইবাদত, আমল এবং হুকুমগুলো যথাযথভাবে শরিয়তের বিধান মোতাবেক পালনকারীগনের প্রত্যেকেই এসব নেক আমলকারীদের অন্তর্ভূক্ত হিসেবে গন্য হবেন।



আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লার উপরোল্লিখিত ঘোষণাগুলোকে শক্তিশালী করেছে আল কুরআনের আরও কিছু আয়াতে কারিমাহ। যেমন, আল্লাহ তাআ'লা বলেন,

إِنَّ الَّذِينَ قَالُوا رَبُّنَا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوا فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

‘নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের রব হচ্ছেন আল্লাহ; এবং তাতে অটল থাকে; তাদের কোনো ভয় নেই এবং তাদের কোনো চিন্তাও নেই।’ (সুরা আহকাফ : আয়াত ১৩)

إِنَّ الَّذِينَ قَالُوا رَبُّنَا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوا تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ الْمَلَائِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَبْشِرُوا بِالْجَنَّةِ الَّتِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ

'নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় করো না, চিন্তা করো না এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন।' (সূরা হা-মীম সেজদাহ : আয়াত ৩০)

نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِي أَنفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ

'ইহকালে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদের জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে তোমরা দাবী কর।' (সূরা হা-মীম সেজদাহ : আয়াত ৩১)

نُزُلًا مِّنْ غَفُورٍ رَّحِيمٍ

'এটা ক্ষমাশীল করুনাময়ের পক্ষ থেকে সাদর আপ্যায়ন।' (সূরা হা-মীম সেজদাহ : আয়াত ৩২)

শেষের দু'টি কথা..........
তাঁর প্রশংসা শুরুতে এবং শেষে। তিনি বর্তমান। তিনি অতীত। তিনি ভবিষ্যত। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি ছিলেন। আছেন। থাকবেন। তিনি ছাড়া কিছু ছিল না। থাকবে না। তিনিই কেবল অমর। অজর। অব্যয়। অক্ষয়। তিনি আমাদের অভয়দান করেন। আমাদের উত্তম আমলের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির জন্য পুরষ্কারের ঘোষনা দেন। তিনি তা না দিলেও পারতেন। তাকে কেউ কৈফিয়ত নেয়ার ক্ষমতা রাখে না। কারও এই অধিকারও নেই। তিনি আমাদের প্রতি পরম দয়ালু। তাই আমাদের নির্ভয়-নির্ভাবনার বানী শোনান। আশার আলো দেখান। ভয়হীন, ডরহীন, চিন্তামুক্ত, ক্লেশমুক্ত, কোলাহল মুক্ত, ঝগড়া বাগাড়াম্বরবিহীন চির কান্তিময় দুগ্ধ ধ্ববল জান্নাতের অবিনাশী আলয়ের স্বপ্ন দেখান। সেই জান্নাতের অচেনা পথে হাটতে আমাদের সাহস যোগান। আশার বানী শোনান। আশ্রয়দান করেন। কষ্ট দূরিভূত করেন। বিপদ থেকে বাঁচান। সুখ শান্তির মহিমাদানে ধন্য করেন। তাঁর নিকটই আমাদের প্রত্যাবর্তন। তাঁর সকাশেই নিবেদিত আমাদের জীবন। আমাদের মরন, নামাজ, কুরবানী। সকল কিছু।

তাওফিকদাতা কেবল মাত্র তিনিই। তাঁরই নিকট সামর্থ্য কামনা করছি নেক আমলের। আমিন।

ছবি: অন্তর্জাল।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২১
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭১-কখনোই ৫০/৫৫বছরের পুরোনো কোনো ঘটনা নয় ।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:০১




৭১-হলো আমাদের বাংলাদেশের বাঙালি জাতির প্রতিদিনের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা । ৭১ আমাদের অস্তিত্ব,একাত্তর আমাদের আত্মপরিচয়ের ইতিহাস । একাত্তর যদি মলিন বা বিলীন হয়,তখন আমি আর আমি,আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুভ সকাল। আসসালামু আলাইকুম।

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩৪



ভোর থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে!
অবশ্য বর্ষাকাল চলছে, বৃষ্টি তো হবেই। ছাতা ছাড়াই বাসা থেকে বের হলাম। ছাতা নেই। ভেঙে গেছে। এক বছর হয়ে গেলো। কিনবো কিনবো করে আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভুল, অনুতাপ ও ভালোবাসা

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮


আজকে একটু তাড়াতাড়ি ফিরবা? আমি রান্নাঘর থেকে মাথা বের করে আনিসকে বললাম। সে জুতোর ফিতা বাঁধতে বাঁধতেই ছোট্ট করে উত্তর দিল,
- চেষ্টা করব। আমি হেসে বললাম,
- তোমার এই চেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা, পরিকল্পনা কোথায়?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:১৯



শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা দিচ্ছেন, সময় পার হয়ে গেলে আবার নতুন ডেট দিচ্ছেন। তিনি কি আসলেই ফিরবেন? নাকি নিজের দলকেই কনফিউজ করে রাখছেন? অথবা শুধু জাশির ঘুম হারাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রামের বন্যায় আক্রান্তদের জন্য আমরা কি কিছু করতে পারি?

লিখেছেন সৈয়দ তাজুল ইসলাম, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৪:০৭


সম্মানিত ব্লগার,
বাংলাদেশের সবরকমের দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের ব্লগারদের বিশেষ অবদান রয়েছে। দুর্যোগে আক্রান্তদের সহযোগিতায় আমাদের সামু ব্লগারেরা সবসময়ই এগিয়ে এসেছেন। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য আমি অনুরোধ করছি না। আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×