somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

মিথ্যাবাদী কাউয়া কাদেরের জন্য চিন্তা হচ্ছে...

১২ ই আগস্ট, ২০২৪ সকাল ৯:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মিথ্যাবাদী কাউয়া কাদেরের জন্য চিন্তা হচ্ছে...

ছবি অন্তর্জাল হতে সংগৃহিত।

ওবায়দুল কাদের। মিথ্যা কথন, ভূয়া তথ্য প্রদানে তাহার অতি পারঙ্গমতায় মুগ্ধ হইয়া আদর করিয়া সবাই তাহাকে ডাকিতেন কাউয়া কাদের নামে। কেউ কেউ অবশ্য ওকাও বলিয়া থাকেন। তবে এই কাউয়া নামে তাহার নামকরণের পেছনে অনেক কারণ থাকিলেও ইহার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, কাউয়া অর্থাৎ, কাক, অর্থাৎ, কালো দাঁড় কাকের মত অনবরত কা কা করিয়া যাইতে তাহার পারদর্শিতা ও পারঙ্গমতা ছিল এককথায় অতুলনীয়। আর তাহার অধিকাংশ কথাই যে মিথ্যা এবং ভূয়া হইতো তাহা তো একেবারেই প্রমানিত সত্য। বস্তুতঃ পলাতক স্বৈরাচার খুনী হাসিনার পরেই মিথ্যাবাদিতায় তিনি নিজের কৃতিত্বকে প্রমান করিতে পারিয়াছিলেন বলিয়াই তাহাকে মিথ্যা বুলি অবিরত আওড়াইয়া যাওয়ার মহান এই দায়িত্বটি দেওয়া হইয়াছিল। তাহাকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রয় করিয়া চলা দলটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হইয়াছিল। তিনিও এই দায়িত্ব অবিচলতা এবং অতি নিষ্ঠার সহিত পালন করিয়া গিয়াছেন। একেবারে পালাইয়া যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পালন করিয়াছেন।

তাহাকে দেখা যাইতো, তিনি মিথ্যা আওড়ানোর এই গুরু দায়িত্ব পালন করিতে যাইয়া নিজেকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করিতেন। কখনো কখনো মিথ্যা বলিতে বলিতে তাহার হাসি আসিবার উপক্রম হইলেও তাহা অতি নিখুতভাবে নিয়ন্ত্রণ করিতেন। তাহার ভাবনায় হয়তো ইহাই থাকিত যে, মিডিয়ার সামনে কথা বলিতে বলিতে যদি নিজেই হাসিয়া দেন, তাহা হইলে তো সর্বনাশ। লোকেরা তাহার মিথ্যাবাদিতা ধরিয়া ফেলিবে। তাই তিনি অন্ধের মত আচরণ করিতেন। কে কি বলিলো না বলিলো সেই দিকে আদৌ ভ্রুক্ষেপ না করিয়া কাউয়া সম্প্রদায়ের সত্যিকারের কাউয়ারা যেমন কা কা রবে এলাকা মাতাইয়া তুলিয়া থাকে, কাউয়া কাদেরও একইরকম প্রতিবন্ধী টাইপের আচরণ প্রদর্শন করিতেন।

এই কাউয়াটার জন্য খুব চিন্তা হয় এখন। কারণ, কাউয়া দীর্ঘ দিন ধরিয়া বিএনপি, জামাতে ইসলামিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের নামে অনবরত মিথ্যা বলার যে অভ্যাস গড়িয়া তুলিয়াছিল তাহাতে হঠাৎ করিয়া ছেদ পড়িয়া যাওয়ার কারণে ইহার পেটের ভাত কি করিয়া এখন হজম হইবে, ইহাই এখন বড় চিন্তার কারণ হইয়া দাঁড়াইয়াছে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০২৪ সকাল ১১:৩১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?

আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কটা দুলাল

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×