somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা হেফাজতে থাকিবার অধিকার ইহাদের অবশ্যই থাকা উচিত...

১৪ ই আগস্ট, ২০২৪ সকাল ১১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা হেফাজতে থাকিবার অধিকার ইহাদের অবশ্যই থাকা উচিত...

দুই সুরতে দরবেশ, ছবি অন্তর্জাল হতে সংগৃহিত

মদিনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালাইবেন বলিয়া যিনি ঘোষনা দিয়াছিলেন সেই মহান মহিয়সী নেত্রী স্বয়ং হযরত শায়খ হাসিনা আলাইহাস সালামসহ তাহার যে সমস্ত এমপি, মন্ত্রী এবং উহাদের চ্যালা চামুন্ডা রহমাতুল্লাহি আলাইহিম বিগত প্রায় ১৫ বছর ধরিয়া বঙ্গদেশের খেদমত করিতে করিতে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করিয়া দিয়াছেন, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করিতে করিতে দেশের স্বাস্থ্য হালকা বানাইয়া দিয়া দেশটারে ডায়েট কন্ট্রোল করিতে অভ্যস্ত করিয়া তুলিয়াছেন, শেয়ার বাজার, ব্যাংক বীমা, বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করিয়া, উন্নয়নে দেশকে যাহারা প্রায় চতুর্থ আসমানের কাছাকাছি তুলিয়া ফেলিয়াছেন বলিয়া দাবি করিতেন, তাহাদের প্রতি বর্তমান ছাত্র জনতার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সদয় আচরণ করিবে - এতটুকু অন্ততঃ আমরা আশা করিতেই পারি। আমরা দেখিতে পাইয়াছি, ইতোমধ্যে খবর রটিয়াছে যে, গতকল্য ১৩ আগস্ট ২০২৪ সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক রহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী হযরত শায়খ হাসিনা আলাইহাস সালাম এর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা বিশিষ্ট ধর্মব্যবসায়ী হযরত সালমান এফ রহমান রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে এই সরকার নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়াছেন। এই অতি মহত কাজটি সম্পাদন করিবার কারণে বর্তমান সরকার একটি ধন্যবাদ পাইতেই পারে। কিন্তু এই সরকারকে এখনও পুরোপুরি ধন্যবাদ দিতে পারিতেছি না, কারণ, তাহারা যথাযথ উদ্যোগ নিতে অতিশয় বিলম্ব করিয়া ফালাইতেছেন বলিয়া মনে হইতেছে। সালমান দাঁড়ি কাটিয়া নওজোয়ান সাজিয়াছে দেখিয়া অনেকে বেওকুফ বনিয়া গিয়াছেন। বলি, বেওকুফ বনিয়া যাইবার ভান ধরিতেছেন কেন? যৌবন কে না চাহে? মুখ টিপিয়া হাসিয়েন না, সালমানের মতন এমন চান্স পাইলে, আমি নিশ্চিত, আপনিও এই কাম করিয়া নিজেরে তাগড়া প্রমান করিতে দ্বিধাবোধ করিতেন না।

বিগত ১৫ বছর ধরিয়া মোমবাতির মত তিল তিল করিয়া যাহারা নিজেদেরকে বিলাইয়া দিয়া বিভিন্ন দেশে সম্পদের পাহাড় গড়িয়া তুলিয়াছেন, কমপক্ষে তাহাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের প্রতি যদি এই সরকার সম্মান প্রদর্শন করিতে বিন্দুমাত্র কসুর করে তাহা হইলে আমরা ছাত্র জনতাকে সঙ্গে লইয়া এই সরকারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে মাঠে নামিতেও দ্বিধা করিব না। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে যাহাদের নাম এই মুহূর্তে মনে পড়িতেছে, মহামতি আসাদুজ্জামান কামাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি, কাউয়া কাদের রহমাতুল্লাহি আলাইহি, জাহিদ মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি, ব্রেশিয়ারেস্টার তুরিন আফরোজ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সহিত এমপি নির্বাচন করিয়া যিনি হারিয়া গিয়াছেন সেই হাসানুল হক ইনু রহমাতুল্লাহি আলাইহি, কওমি আলেম ওলামাদের বিপথে পরিচালিত করিতে যাহার ভূমিকা অবিস্মরণীয় সেই কাল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি, বিচারপতিদের বুড়িগঙ্গায় চুবানোর কথা বলিয়া যিনি বিয়াফক মজা উদগীরন করিতেন সেই মেয়র তাপস রহমাতুল্লাহি আলাইহি, যুবলীগ নেতা নিক্সন রহমাতুল্লাহি আলাইহি, বাংলাদেশ পিছলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মিসবাহুর রহমান চৌধুরী, বিখ্যাত মুরগী চোরা শাহরিয়ার কবির, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ওরফে গোবিন্দ চন্দ্রসহ অপরাপর তেলবাজ আতেল আলাইহিমুস সালামগণকে অতি শিঘ্রই মহা সাড়ম্বরে রাষ্ট্রীয় মেহমান বলিয়া গণ্য করিয়া বিশেষ হেফাজতে নেওয়ার জন্য তীব্র দাবি জানাইতেছি।

আর হ্যাঁ, নেত্রী বলিয়া কথা! এই তিলকওয়ালী তো, ক্ষণেই আবার তছবিহ জপার কত সঙই না তিনি এই জাতিকে দেখাইলেন! তিনি দেশের বাহিরে থাকিবেন, তাহা কি করিয়া হয়? তাহার একটা সম্মান আছে না? তাহাকেও দেশে আনিতে হইবে! প্রয়োজন হইলে ইন্টারপোলের সহযোগিতা লইতে হইবে, কিন্তু দেশে ফিরাইয়া তাহাকে আনিতেই হইবে! শুধু ফিরাইয়া আনিলেই হইবে নাম, যথাযথ পুরষ্কারেও তাহাকে ভূষিত করা জনগণের এখন প্রাণের দাবি! এইভাবে পলাতক প্রতিটি কীট পতঙ্গকে খুঁজিয়া খুঁজিয়া সসম্মানে ফিরাইয়া আনিয়া আরাম আয়েসে তাহারা যাহাতে খাইতে পারে, অবিলম্বে তাহার ব্যবস্থা করা হউক।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০২৪ দুপুর ১২:২০
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×