
এখন খালে, বিলে, পুকুরে এবং ডোবায় মাছের প্রজননের সময়। শৈল, টাকি, গজাল সহ অনেক মাছের ক্ষুদ্র পোনায় পরিপুর্ন এখন খাল-বিল।
কথায় আছে –
‘মাছের পোনা
দেশের সোনা’
কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় যে, আমাদের মধ্যে অনেকেই পোনার বাইস দেখে তাদের জিহ্বা সামলাইতে পারেন না। ঠেলা জালি, আন্তা অথবা বিভিন্ন প্রকারের জাল দিয়ে এই মাসুম মাছের পোনাগুলোকে ধরে ফেলেন।
এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদী হয়ে উঠছে না। বরং অনেকেই মনের আনন্দে এসব পোনাই কিনছেন আর দেশি মাছের স্বাদ মেটাচ্ছেন। এ যেন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো।

কিন্তু আপনি কি ভেবেছেন, কত টন খাদ্য আপনি নষ্ট করেছেন এবং কত মাছের বংশ বিস্তার আপনি নষ্ট করেছেন। এ এক বাইস মাছের পোনা আপনার হয়ত একবেলার খোরাক ও হবে না। তাহলে কেন এই অপরিনামদর্শী আচরন? কেন ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য বৃহত্তর স্বার্থের কবর? মাত্র কয়েক মাসের ধৈর্যও কি আমাদের নেই? আমাদের এই ঘৃণ্য লোভের জন্যই দেশী মাছ আজ বিলুপ্তির দিকে, ইতিমধ্যেই অনেক দেশী প্রজাতির মাছের বিলুপ্তি ঘটে গেছে।

এমনেতেই কীটনাশক প্রয়োগ এবং পুকুর-খাল সেচের কারনে মাছের বংশ বিস্তার বিনাশ হয়ে গেছে। এর পরেও যদি আমরা ক্ষুদ্র মাছের পোনার লোভ সংবরন করতে না পারি তাহলে এর পরিণাম আমারাই ভোগ করব।
আসুন মাছের পোনা বাচাই, বাচাই ভবিষ্যত। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন করা আমাদের দায়িত্ব। তাই আসুন, সবাই মিলে পোনা নিধন বন্ধের পাশাপাশি বাজারে এসব পোনা কেনাবেচা একেবারেই পরিহার করি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৪ ভোর ৫:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




