somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্থানীয় উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদের ভুমিকা

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইউনিয়ন পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক ইউনিট। সাধারণত প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার লোক অধ্যুষিত কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় এক একটি ইউনিয়ন ৷স্থানীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পাশাপাশি ছোট-খাট বিরোধ-মামলার নিষ্পত্তি এবং আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যই ইউনিয়ন পরিষদের সৃষ্টি ৷ ইউনিয়ন পরিষদ একজন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে ৷ এর মধ্যে ৩টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত৷ পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন ৷ বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ঐচ্ছিক এবং বাধ্যতামুলকসহ ৩৯ টি কার্য সম্পাদন করে থাকেন।


“স্থানীয় উন্নয়ন” এর বহুমাত্রিক এবং বহুমূখী আঙ্গিক বিবেচনা করলে ইউনিয়ন পরিষদ তার দায়িত্ব ও সংগঠনিক শক্তির নিরিখে সবচেয়ে সম্ভবনাময় উন্নয়ন সমন্বয়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিগণিত। আইনী অবকাঠামো, সাংগঠনিক শক্তির পাশাপাশি সম্পদ প্রবাহের প্রাবল্য এবং তৃনমূল পর্যায়ের উন্নয়ন প্রত্যাশী জনগোষ্ঠীর সাথে সরাসরি সংযোগ ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম শক্তি।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ ১৯৮৬ মূলে ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎপরবর্তী কালে উন্নয়ন সম্ভবনাকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং আর্থিক শৃংখলাসহ কার্যকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার মানসে দলীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন (সংশোধনী) ২০১১ প্রণীত হয়। বিদ্যামন এ আইনে ইউনিয়ন পরিষদের সাংগঠনিক অবকাঠামো বিস্তত করনে ওয়ার্ড পর্যায়ে ওয়ার্ড কমিটি গঠন এবং বাৎসরিক নূন্যতম ২ বার ওয়ার্ড সভা আহবানের বিধান রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদকে ১৪টি ক্ষেত্রভিত্তিক স্থায়ী কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। এতে করে ওয়ার্ড সভায় সরাসরিভাবে স্থানীয় ভোটারগনের মতামত, উন্নয়ন প্রস্তাবনা সমূহ ক্ষেত্রভিত্তিক স্থায়ী কমিটিতে যাচাই বাছাই অন্তে সুস্পষ্ট সুপারিশ সহ ইউনিয়ন উন্নয়নের সমন্বয় সভার মাধ্যামে অনুমোদন এবং বাস্তাবায়ন করা সম্ভব হবে। তৃনমূল পর্যায়ের জনসাধারনের সরাসরি অংশগ্রহনের এ কাঠামো গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার উৎকৃষ্ট নির্দশন।
আইনী অবকাঠামোর আধুনিকরণ উন্নয়ন ব্যবস্থপনার অন্যতম অনুসঙ্গ, তবে প্রথাগত উন্নয়ন চর্চার সাথে এর মধ্যবর্তী খারাপ নিরসনে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিগনের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীতা রয়েছে।
উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সম্পদ। স্থানীয় ভাবে সম্পদ আহরন সহ অপরাপর উৎস হতে প্রাপ্ত সম্পদ যথাযথ ভাবে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন সুনিদিষ্ট পরিকল্পনা প্রনয়ন করা। সে মোতাবেক দক্ষ নেতৃত্ব এবং পেশাদারী আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালনা বাস্তবায়ন করে কাংখিত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। তৃনমূল পর্যায়ের উন্নয়ন সম্ভবনাকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে ব্যাপৃত কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে বিকশিত নেতৃত্ব একটি অনতিক্রম্য পার্থক্য গড়ে তুলতে পারে। একজন নেতৃত্বগুন সম্পন্ন জনপ্রতিনিধি তার আন্তঃ ব্যাক্তি যোগাযোগ দক্ষতা প্রেরনা (মোটিভেশন) দানের সক্ষমতা সকল মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা এবং নিয়ন্ত্রিত ঝুুকি গ্রহনের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দুরদর্শী পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করতে পারেন । পরিকল্পনা প্রনায়নের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন প্রেক্ষাপটের ঝডঙঞ (ংঃৎবহমঃয, বিধশহবংং, ড়ঢ়ঢ়ড়ৎঃঁহরঃু এবং ঃযৎবধঃ) ধহধষুংরং অন্যতম কার্যকরী পন্থা বলে বিবেচিত বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের সকল কর্মকান্ডে জনকল্যান এবং স্থানীয় উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয়া হলে ইউনিয়ন পরিষদের জন প্রতিনিধিদের আদর্শগত মতাপার্থক্য কারনে সৃষ্ট জড়তা সমূহ দূরীভূত ইবে । সামগ্রিক বিবেচনার ইউনিয়নের কর্মকান্ড পরিচালনার টীম ওয়ার্ক নিশ্চিত করে উন্নয়ন সমাধান নিরপূন করে সমন্বিত ভারসাম্যমূলক সমাধান নিরুপন করে ঃিহ-রিহ পরিস্থিতি অজর্ন করা সম্ভব।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×