somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এটা সেটা- একশত লেখা

০৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্লগে আমার আগমন ঘটেছে প্রায় এক বছর হয়ে গেল। অনেক ভাল ভাল ব্লগারের পোষ্ট এর সাথে পরিচিত হতে পেরেছি এই ব্লগের মাধ্যমে। অনেক কিছু জানতে পেরছি, অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। তাই ব্লগ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। যেমনটা ভাল কিছু শিখেছি আবার কিছু খারাপও শিখেছি। ব্লগে এসে এমন কিছু গালির সাথে পরিচিত হয়েছি যা আগে কখনো শুনিনি বা এমন ভাবে ভদ্রবেশী লোকরাও যে বলতে পারে তা আগে জানতাম না। জেনেছি ভাল করেছি, সব কিছু জেনে রাখা ভাল।
আজ আমার এক শত পোষ্ট পূর্ন হল। প্রায় এক বছর সময় ধরে জমানো পোষ্ট হল এ গুলো। ভাল কিছু তো লিখতে পারিনি অবশ্যই। নিজের মতটা প্রকাশ করেছি নিজের মত করেই। উদ্দ্যেশ্যটা যেহেতো অন্যকে পড়ানোর সেহেতো সাধ্য মতো চেষ্টা করেছি ভাল কিছু লেখার এবং ভাল লাগার মত করে লিখতে। হয়তো পেরেছি হয়তো পারিনি।
আমার প্রথম পোষ্ট এ প্রথম কমেন্ট করেছিলেন কৌশিক। প্রথমে জানতাম না যে তাৎক্ষনিক মন্তব্য করা হয় বা করে এখানে। তাই পরের দিন লগিন করে দেখি অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন এই নতুন ব্লগারকে। দিন দিন ব্লগটাকে বেশি ভাল লাগতে লাগলো।
ব্লগে আসার ব্যপারে আমাকে কেউ কিছু বলেনি। অর্থাৎ আমাকে এই ব্লগের এড্রস কেউ দেয়নি। তাহলে কিভাবে এলাম? বাংলা সাইট খুজতে গিয়ে গুগলে মাই বাংলা লিখে সার্চ করলাম। কয়েকটা লিংক এর সাথে এল সামহোয়ারের এক ব্লগার এর একটা পোষ্ট। সেটা কার পোষ্ট ছিল তা মনে নেই। পরে সেখান থেকে প্রথম পাতায় গিয়ে রেজিষ্টেশান করলাম তখনই। একটা পোষ্টও করলাম।
প্রথম প্রথম ব্লগটাকে আমি সিরিয়াস ভাবে নেইনি। তবে পড়তে খুব ভাল লাগতো। লিখার চেয়ে পড়তাম বেশি। মন্তব্যও করতাম পোষ্টে। একটা ফান জাতীয় পোষ্টে ফান জাতীয় মন্তব্য করলাম। লেখকের ফিডব্যাক পেয়ে আমি তো থ হয়ে গেলাম। খুশবু এর একটা পোষ্টে আমি সে মন্তব্য করেছিলাম। খুশবু আমাকে পাবলিক মাইরের ভয় দেখিয়ে ছিল। আমি সেদিন সত্যিই ভয় পেয়েছিলাম। কয়েকদিন পর্যন্ত ব্লগে যায়নি। ভয়কে কাটিয়ে আবার এলাম ব্লগে। আমি যেভাবে মন্তব্যটা করেছিলাম খুশবু ঠিক সেভাবে বুঝতে পারেনি। ভুল শ্বীকার করলাম। পরবর্তিতে আমার মনে হয়না কখনো আমি খুশবোর কোন পোষ্টে কোন কমেন্ট করছি।
রাগ ইমনের বিষয় ভিত্বিক একটা পোষ্টে মন্তব্যের জের ধরে জামাল ভাস্কর এর চটকনার মুখোমুখি হয়েছিলাম। অবশ্য রাগ ইমনের সে পোষ্টটা ছিল জামাল ভাস্করেরই একটা পোষ্টকে নিয়ে।
ব্লগে আসার আগে আমি সরাসরি কোন নাস্তিক এর মুখোমুখি হইনি বা তাদের কোন লেখাও পড়িনি। এখানে আসার পর অনেক নাস্তিকের দেখা পেলাম। প্রথমে অবাকই হয়ছিলাম। এটা কিভাবে সম্ভব যে কেউ তার সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করেনা। পৃথিবীতে প্রতিটি বস্তু ই কোন কিছুর বা কারো মাধ্যমে হয়ে থাকে, তাহলে একটা মানুষ কিভাবে এমনিতেই তৈরি হতে পারে??
দিন দিন তাদের লেখা পড়তে পড়তে এখন আমি আর এতটা অবাক হইনা। বুঝতে পারলাম এটা তাদের জ্ঞ্যানের স্বল্পতার কারনে। যেমনটা আমাদের স্যার একদিন বলেছিলেন যে, শাশুরি তার ছেলের বউকে কলস থেকে এক গ্লাস পানি আনতে। পুত্র বধু গেল পানি আনতে। কলসের ঢাকনা খুলার সময় আংটি খুলে পরে গেল কলসের ভেতরে। সে আংটি খুজতে লাগলো কলসের ভেতরে। খুজে পাচ্ছেনা কারণ তার হাত গুলো ছিল কলসের তুলনায় ছোট।
আমার ধর্মীয় বিষয়ে সোজা ও সহজ বিষয়কে কেউ প্যাঁচাতে চাইলে খুব রাগ লাগে। যুক্তি পূর্ন বিষয়ে আলোচনা করতে ভাল লাগে।
ব্লগের আপডেট হচ্ছে দিন দিন। সেই সাথে ব্লগাররাও আপডেট হচ্ছে। চমৎকার চমৎকার লেখা লিখে চলেছেন ব্লগাররা। পোষ্টের ক্যাটাগরির হিসেবে যা ভাল লাগে বা বুঝতে পারি সে সব পোষ্টই পড়ি। কবিতা তেমন একটা বুঝিনা তাই তা পড়াও হয়না তেমন। সফটওয়্যার এ ইলেকট্রিক বিষয়ের পোষ্ট গুলো আগে পড়ি।রাজনৈতিক বিষয় থেকেও দূরে নই। মাঝে মাঝে লিখি এবং রাজনৈতিক বিষয়ের লেখা গুলোতে কমেন্টও করি।
লেখা লেখির সূত্র ধরেই আব্দুর রাজ্জাক শিপনের সাথে পরিচয়। সে দেশ থেকে আসার পর আমি তাকে ব্লগ সম্পর্কে বললাম। রেজিস্টারও করালাম। আমি নিয়মিত নেটে আসতে না পারলেও শিপন এখন নিয়মিত ব্লগে লগিন করে থাকে।
যা পাই তা আমি হারাতে চাইনা বা পেতে চাই সারা জীবন। কোন কিছু পেলে আমি সেটাই কামনা করি। বন্ধুত্ব আজ আছে কাল থাকবে না আমি এটা ভাবতে পারিনা। কোন নতুন বন্ধু জুটে গেলে এমনটা ভাবতে থাকি যে সে বিয়ে করবে, বাচ্ছা হবে, বুড়ো হবে। আমিও বিয়ে করবো, বাচ্ছা হবে, বুড়ো হবো, তবুও আমাদের বন্ধুত্ব থাকবে ঠিক আগের মতই। আসলে এমনটা হয়না।
বলতে চাইছিলাম, সামহোয়ার কে পেয়েছি, হারাতে চাইনা। সামহোয়ারের উন্নতি ও সফলতা কামনা করছি। আছি সামহোয়ারের সাথে ততদিন, যতদিন ইন্টারনেট কানেকশানের আমার সাথে আছে।
সবাইকে ধন্যবাদ (কষ্ট করে পড়ার জন্য) ভাল থাকবেন সবাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৬
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শৈশব থেকে খেলতে খেলতে শিশুকে ইংরেজি শিক্ষা দিন। ২ বছর বয়স থেকে কীভাবে আপনার শিশুকে খেলাধুলা, আনন্দ এবং দৈনন্দিন জীবনের মাধ্যমে ইংরেজি শেখাবেন?

লিখেছেন rezaul827, ২২ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

অনেক অভিভাবকের ধারণা, ইংরেজিতে সাবলীল হতে হলে ছোটবেলা থেকেই কোচিং, টিউটর বা ব্যয়বহুল স্কুল প্রয়োজন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে। আমি আমার সন্তানকে খেলার ছলে, স্বাভাবিক পরিবেশে এবং পরিবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আল্লাহ মহান=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:২২



একবার চিন্তায় ডুবাও মন?
ভেবে দেখো আরো একবার
আল্লাহ কত মহান, কত যে তাঁর দয়া;
ভুমিকম্প হলো প্রকট
তবুও বেঁচে আছি এ যাত্রায়
শোকর গুজার করেছো কী তাঁর?

ভাবনায় একবার আনো,
আল্লাহর দেয়া গজব-কত ভয়ঙ্কর
তবুও কী ভয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাঠে নামছে জামায়াত-এনসিপি।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:১৭


বাংলাদেশে এই প্রথম একটা অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি আমরা। সরকার টেকানোর জন্য মাঠে নামছে বিরোধী দল! জ্বী, আপনি ঠিকই পড়েছেন। আগামীকাল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ওহ সরি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×