আমরা যারা রেগুলার ফেসবুকিং করি তারা দেখছি,যে আজকাল পোলাপান ফ্রেন্ডদের সাথে আচ্ছামত সেলফি দেয়। সাজুগুজু করে ফ্রেন্ডরা ঘুরতে যায়, বিয়েবাড়িতে যায়, রেস্টুরেন্ট এ যায়, পার্ক এ যায়, জাবি তে যায় আরও কত জায়গায় যায়। আবার কিছুদিন পরপরই স্ট্যাটাস দেয়, বন্ধু ছাড়া লাইফ ইমপসিবল, তুই আমার জানটুস, তোরে ছাড়া বাচুম না, চাইলে দিয়ে দিব কলিজার হাফ্ আরও কতকিছু।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য কি জানেন আপুরা??
এরা অধিকাংশই বন্ধুত্বের তাৎপর্য জানেনা।
আজকে বন্ধু একটা বিপদে পড়ে হেলপ চাইলে কতরকম তালবাহানা করবে যার কেন অন্ত নাই। আপনার লাইফে কোন প্রবলেম হলে আপনি সবার আগে আপনার ঐ বন্ধুকেই বিশ্বাস করে বলবেন,আর দেখবেন চোখের পলক ঠিকমত ফেলার আগেই ঐ কথা পেপারে ছাপানো শেষ। দেখবেন আপনার সামনে আপনাকে অনেক ভালো বলতেছে, আর অন্যের বদনাম করতেছে।আবার কালকেই শুনবেন যে মানুষের নামে আপনার কাছে বদনাম করছে, সে মানুষের কাছেই আপনার বদনাম করে আসছে। আজকে আপনাকে তার কোন কারনে খুবই দরকার, দেখবেন আপনাকে মাখন মাখতে মাখতে হয়রান হয়ে যাবে। যেদিন প্রয়োজন শেষ, সেদিন আপনাকে চিনবেইনা!!!
এটাই আজকালকার দিনের বন্ধুত্ব। আসলেই, কয়জন পারে সত্যিকার অর্থেই তার বন্ধুকে কলিজার হাফ বানাতে??খুব বেশি হলে ২%
সেলফি তোলা,ঘুরতে যাওয়া, স্ট্যাটাস দেয়ার বিরুদ্ধে আমি না। কিন্তু আমি বলব এসব দেয়ার আগে আসল বন্ধু হওয়াটা সবচেয়ে বেশি জরুরি। বন্ধু বিপদে পরলে তাকে সাহায্য করা,পরীক্ষায় খারাপ করলে তাকে টিটকারি না পেরে তার পাশে দারানো,তার মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা,তার প্রবলেম হলে,ভুল হলে বদনাম না করে সেটা শুধরে দেয়া, এটাই তো বন্ধুত্ব!!!!
স্ট্যাটাস, পিক না দিলেও চলবে।
আগে বন্ধুর মত বন্ধু হয়ে উঠি, তারপর নাহয় স্ট্যাটাস পিক দেয়া যাবে??
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




