somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুধু আদর নয় শাসনও প্রয়োজন

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুধু আদর নয় শাসনও প্রয়োজন

বেশিরভাগ সময়ই আদর ও শাসনের মাঝে আমরা গুলিয়ে ফেলি । আমরা ঠিক বুঝতেও পারি না আমাদের কখন আদর প্রয়োজন কখন শাসন প্রয়োজন। আদর ও শাসন যদি ব্যালেন্সে না থাকে তবে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে । আমরা সাধারনত আদর শাসন ব্যাপারটা আমাদের সন্তানদের ব্যাপারেই প্রয়োগ করে থাকি । কিন্তু এই ব্যাপারটা আসলে সব বয়সিদের জন্যই প্রয়োজন । তবে সেেেত্র আদর শাসনকারী কতর্ৃপরে পরিবর্তন হয় মাত্র । যেমন একজন শিশু থেকে শুরু করে টিনএজার বা তার কিছু বড় পর্যন্ত মা বাবা আদর শাসনের দায়িত্ব পালন করেন । স্কুল জীবন থেকে কলেজ ইউনিভার্সিটিতে এই ব্যাপারটায় শিকরা বড় ভূমিকা পালন করেন । এর পরে কর্মেেত্রর বস এবং পারিবারিক মুরুব্বী যারা তারা এবং বিবাহের পরে স্বামী বা স্ত্রী এই ভূমিকা পালন করেন। অতিরিক্ত আদর বা শাসনবিহীন আদরে কি তি হয় তা আমরা সবাই জানি । আমরা সাধারনত বলে থাকি অতিরিক্ত আদরে ছেলেটা বা মেয়েটা নষ্ট হয়ে গেছে, উচ্ছন্নে গেছে। এই কথা বাস্তবিকই সত্য । আবার অতিরিক্ত শাসনে যারা থাকে, তাদের কি হয়? তারা নিজেদেরকে বন্দী দেখতে পায় । এবং কখনো তারা মু্ক্ত পৃথিবীর সন্ধান পেলে পথ হারিয়ে ফেলে । পরবতর্ী জীবনে তারা নিজেদের দুর্ভাগ্যের জন্য মা-বাবাকেই দায়ী করতে থাকে। তাই ব্যালেন্স দরকার । আর মনস্তাতি্বকভাবে আমরা যেখানে আদর এবং শাসনের ব্যালেন্স আছে সেখানেই নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করি। আমরা অবচেতনভাবে তৈরীই থাকি যে আমি ভুল করলে কেউ একজন আমাকে শুধরিয়ে দেবে। আমি একজন মেয়েকে জানি যে তার মায়ের চেয়ে তার শ্বাশুরীর কাছেই বেশী নিরাপদ মনে করে । কারন অনুসন্ধান করে দেখলাম যে তার মা তাকে একমাত্র মেয়ে হিসাবে যতধরনের আদর দেয়া সম্ভব তা দিয়েছেন। তিনি মেয়েকে অতি প্রয়োজনীয় কাজও শেখাননি বা শিখতে দেননি। শিখতে দেননি এজন্য বলছি যে , মেয়ে কোন কিছু করতে চাইলে বলেছেন, তোমার করতে হবে না- আমি করি বা আমি করে দেই । কিন্তু শ্বশুর বাড়ী এসে মেয়ে শ্বাশুরীকে দেখলো উল্টো । শ্বাশুড়ি ( অবশ্যই ভালো মানুষ) তাকে কাজ করতে উৎসাহিত করলো, কাজ শিখিয়ে দিলো, ভুলের জন্য যতটুকু প্রয়োজন শাসন করলো সাথে আদরও করলো। ফলে অবচেতনভাবেই এই মেয়ে শ্বাশুরীর কাছে নিজেকে নিরাপদ মনে করতে শুরু করলো। আমি এ ঘটনা থেকে এটা বলতে চাচ্ছি যে, ছোটবেলা থেকেই মানুষ আদর ও শাসনের যেখানে ব্যালেন্স থাকে সেখানে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে শেখে। সেই পরিবেশে সে মানিয়ে নেয় , সেই পরিবেশে সে শেখে এবং বিকশিত হয়, মেধার বিকাশ ঘটায় । আসুন আমরা এই বিষয়টা নিয়ে একটু ভাবি এবং নিজেদের সঠিক উপলব্ধির আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্পিকারকে নিরপেক্ষ হতেই হবে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৭

স্পিকারকে নিরপেক্ষ হতেই হবে....

দুইদিন আগে সংসদে ট্রেজারি বেঞ্চের একজন সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের তীব্র আপত্তি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এমন অবস্থায় ডেপুটি স্পিকার অত্যন্ত দৃঢ়তা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাদিক হাসনাতের প্রোগামে রাজাকার মঈনুদ্দীন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



এই ছবিটি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়া নিজেস্ব অর্থায়নে সাদিক হাসনাতের প্রোগামের। অসংখ্য আঙ্কেল আন্টিদের মাঝে একজন বিশেশ লোককে দেখা গেল সেখানে। লোকটাকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে ছবিতে। এই লোকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেয়ে চেয়ে দেখুন

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩১


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ; স্বাভাবিকভাবেই তারা অনলাইনে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। মাঝেমধ্যে ঝটিকা মিছিল করে তাদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে।

রাজনীতিতে সক্রিয় বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি গং। বিএনপি ও জামায়াত আগে জোটবদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



'এই জল ভালো লাগে; বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে দিয়েছে চুল-চোখের উপরে
তার শান-স্নিগ্ধ হাত রেখে কত খেলিয়াছে, আবেগের ভরে
ঠোঁটে এসে চুমো দিয়ে চলে গেছে কুমারীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

গানটি প্রিয় রাজীব নূর ও কবি স্বপ্নের শঙ্খচিলকে উৎসর্গ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:০৬

আমার খুব প্রিয় একটি কবিতার সাথে ব্লগার স্বপ্নের শঙ্খচিলের কবিতা মিলিয়ে গানটি বুনেছি।
শোনার আমন্ত্রণ রইলো।
============================

এই জল ভালো লাগে;
বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×