somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি ভালোবাসার গল্প।। পড়ুন ভালো লাগবে।

২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েটির ছদ্ব নাম কবিতা !!
.
মেয়েটির একটা বয়ফ্রেন্ড ছিল । স্কুল লাইফে
তাদের
ভালবাসার সম্পর্ক হয় । বছর দুই ভালই চলছিল তাদের
ভালবাসার দিন কাল গুলো । মেয়েটি খুব করে
তাকে
ভালবাসত । তাকে এত টাই ভালবাসত যে সে অন্য
কোন
ছেলের সাথে কথাও বলত না । শুধু ওর সাথে কথা
বলার
জন্য পাগল ছিল ।
.
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করত ওর সাথে একটু
কথা
বলার জন্য । কিছু দিন থেকে মেয়েটি
ছেলেটাকে কল
এর পর কল দিয়ে যাচ্ছে । শত শত কল দিত
প্রতিদিন ।
কিন্তু ওপাশ থেকে ছেলেটি কল ধরে না । কি
হল কিছুই
বুঝে উঠতে পারেনি কবিতা । এমন তো হওয়ার
কথা না ।
.
তাহলে এখন কেন এমন করছে দিন পার হয়ে
যায়,
সপ্তাহ পার হয় যায়, মাস পার হয়ে যায় কিন্তু
ছেলেটির
কোন আগ্রহ নাই মেয়েটির প্রতি । মাঝে
মাঝে একবার
কল রিসিভ করতো । তাও শুধু কল ধরে বলতো
আমি
ব্যাস্ত । আমাকে কল দিয়ে ডির্ষ্টাব কর না । এই
বলে
কলটা কেটে দিত ।
.
ফোন টা কেটে দেওয়ার সাথে সাথে এপাশে
থাকা কবিতা
ফোন টা কানের সাথে লাগিয়ে রাখত আর
ছেলেটির কথা
গুলো ভাবত আর কেঁদে দিত । কিন্তু ওপাশের
ছেলেটি
সেই কান্না গুলো শুনতে পেত না । মেয়েটি
ছেলেটার
সাথে কথা না বলে থাকতে পারে না । প্রতি রাতে
কল
করেই যেত ।
.
মাঝে মাঝে অটো ডায়াল দিয়ে রাখত ! সারা রাত
কল
দিয়েই চলত । কল দিতে দিতে এক সময় দেখা
যেত
ফোনের চার্জ শেষ । আবার চার্জ দিয়ে কল
দিয়েই
যেত কিন্তু ওপাশে থাকা নিষ্ঠুর ছেলেটা কল
ধরতো না
। মেয়েটি একটি রাত ও ঘুমাতে পারত না ।
ছেলেটির কথা
ভেবে রাতে কান্না করে বালিশ ভিজিয়ে দিত ।
.
খাটের এপাশ থেকে ওপাশ করে কিন্তু
চোখে ঘুম নাই ।
ঘুমানোর আকুল চেষ্টা । ঘুম আসবে কিভাবে
মনের ঘুম
নিয়ে যে অন্য একজন খেলা করছে । দিনেও
অনেক
কান্না করত । কবিতার বোন কবিতার কান্না দেখে
ঠিক
থাকতে না পেরে কান্না করে দেয় । ভালবাসার
এ কি
নির্মম পরিহাস শুধু কান্না আর কান্না ।
.
কিভাবে ঠিক থাকবে তা আগে জানা থাকলেও এখন
জানা নেই । এই কান্না আর সহ্য হয় না । নিজের
কান্না করাটা মানা যা কিন্তু বোনের কি দোষ । আর
নিজের জন্য বোন কে কেন কাঁদাবো । ওর
তো কোন
দোষ নেই । খুব ভালবাসে আমাকে তাই আমার
কান্না
সহ্য করতে না পেরে নিজেও কান্না করে ।
.
ফ্যামিলির সবাই আমাকে ভালবাসে । আমার কিছু হলে
তারাও ঠিক থাকতে পারে না । আমাকে ভালবাসে
তাই
বলে তাদের কে কেন আমার জন্য কাঁদাবো ।
কখনোই
আমার জন্য তাদের কে কাঁদাবো না । আর আমার
কান্না ও আমি থামিয়ে রাখতে পারবো না । তাই
ভাবচ্ছি
ওকে সুখি করে আমিই চলে যাব অজানা পথে পারি
দিতে
।
.
তাই প্ল্যান করলো কাউকে আর বিরক্ত করবে
না ।
আর কতদিন সহ্য করবো । ভালবাসার কষ্ট যে
সহ্য
করার মত না । এই কষ্ট গুলো মানুষের
জীবনকে নষ্ট
করে দেয়, শেষ করে দেয় । ভালবাসার কষ্ট
গুলো
এতটাই খারাপ যা না পারা যায় সহ্য করা না পারা যা
কাউকে বলা । যার জন্য এত স্বপ্ন ছিল জীবনে
সেই
আজ আমার কথায় বিরক্ত বোধ করে ।
.
সেই স্বপ্নের নেই কোন মানে ।
বোনকে হাজার বার
বলেছি কিন্তু বোনটা আমার কান্না দেখে আর
ঠিক
থাকতে পারে না । পারবেই বা কিভাবে আমি যে
ওর
একটা মাত্র বড় বোন । তাই প্ল্যান মত কাজ
করবো
কাল সকালে । আজ রাত দুইটা বেজেছে আর
কাঁদবো না
। বালিশের অবস্থা অনেক খারাপ ।
.
বালিশ আর রাগ করিস না আজকেই কান্না করা শেষ ।
এই বালিশটার সাথে ওর জীবনের অনেক না বলা
কথা
শেয়ার করেছে । বালিশটা অনেক পুরনো কিন্তু
বালিশটাকে কখনোই ফালায়নি কারণ বালিশ টার প্রতি
তার একটা মায়া জন্মে গেছে । বালিশটা ও হয়তো
ওর
কান্নায় কান্না করত,
.
কিন্তু কেউই সেই কান্নার জল গুলো দেখেনি
। আর
শোনেনি কান্নার আওয়াজ গুলো । পরের দিন
সকাল
১০টা বাজে । কবিতা বোনকে কলেজের জন্য
এগিয়ে
দিয়ে এসে ঘরে ঢুকলো । এরপর নিজের
রুমে গেল । গিয়ে
দরজা বন্ধ করে দিল । কারন এখন আব্বু-আম্মু
চাকরিতে আছে ছোট বোন কলেজে ।
.
এখন কেউ দেখবে না । এই তো সুযোগ
সাথে সাথে
চেয়ার টা টেনে ফ্যানের নিচে আনলো ।
তারপর চেয়ারের
উপরে উঠে দাঁড়ালো, বুক থেকে ওড়না টা টান
দিয়ে গলা
থেকে নামিয়ে ফ্যানের সাথে দুইটা প্যাচ দিল ।
ভয় ও
করছে ? না ভয় পেলে কিছু করতে পারবো না
। সাথে
সাথে বাকি ওড়না নিজের গলায় বাধলো ।
.
চেয়ার টা পা দিয়ে ধাক্কা দিবে, এমন সময় ছোট
বোন
এসে দরজা ধাক্কাছে । সাথে সাথে নেমে
গেল । তারপর
চেয়ার টেবিলের নিচে রেখে গিয়ে দরজা
খুলে দিল । বোন
ভিতরে ঢুকে কবিতা কে জিজ্ঞাস করলো,
কিরে আপু ?
তোর গলায় কিসের দাগ । দেখি দেখি খুব লাল
হয়ে
আছে । কবিতা সাথে সাথে ওড়না টেনে বলল ও
কিছু না
।
.
আচ্ছা তুই কলেজ থেকে এত আগে আসলি
কেন আজ ।
আপু তোর জন্য মনটা কেমন যেন করছিল তাই
চলে
আসলাম ? কবিতা বুঝতে পারলো ফ্যামিলির ভালবাসা
টা কত গভীর সেই ভালবাসা ফেলে সামান্য একটা
ছেলের জন্য মারা যাবে । না ! আর কখনো ফাঁসি
দেওয়ার চিন্তা মাথায় আনবো না ।
.
ও বাঁচতে পারলে আমি কেন পারবো না । আমিও
বাঁচতে
চাই । তাই ভাবলো আর কখনো ওর কথা মনে
করে
কান্না করবে না । তবে একা থাকাটা আমার পক্ষে
সম্ভব হবে না । একাকিত্ব থাকা যাবে না তাহলেই
শুধু
ওর কথা মনে পরবে । আমার একাকিত্ব টা দূর
করতে
হবে । একাকিত্ব দূর করার জন্য কিছু বন্ধু
প্রয়োজন
।
.
যাদের সাথে হাসি-খুশি থাকতে পারি । তাহলে
কষ্টের
থেকে কিছু টা হলেও দূরে থাকতে পারবো ।
কিন্তু
কিভাবে । তার কিছু দিন পর কবিতা একটা ফেসবুক
একাউণ্ট খুলল, একাকিত্ব দূর করতে । সেখানে
প্রতিদিন আসে কিন্তু তেমন কাউকেই খুঁজে পায়
না, যে
তার মনের দুঃখ গুলো বুঝবে,
.
তার কথা গুলো কারো সাথে শেয়ার করবে ।
কাউকে পায়
না তাই বেশি সময় ফেসবুকে থাকে না । কিছু দিন
পর
আবার ফেসবুকে আসলো । এসে দেখে
অনেক গুলো
ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট আসছে সেগুলো
কনফার্ম করলো ।
সেদিনের মত ও কাউকে পেল না । কিছু সময়
থেকে চলে
গেল ।
.
পরের দিন ফেসবুকে এসে গল্প পড়ছে এমন
সময় "দূর
আকাশের চাঁদ" নামের একটা আই ডি থেকে
ম্যাসেজ
আসলো--
--হ্যাঁলো ! কেমন আছেন ? আমি কি আপনার
সাথে কিছু
সময় কথা বলতে পারি ?
--কী কথা বলতে চান ? আর কেন ?
--মানুষের মনে কত কথাই না থাকে ।
--হুম টা ঠিক ।
--কেমন আছেন ?
--ভাল ।
.
আজকের দিনের মত এখানেই কথা শেষ । আর
কথা
বারালো না । পরের দিন আবার ফেসবুকে
ঢুকতেই
ম্যাসেজ দিল ছেলেটি--
-- আচ্ছা আপনি এত চুপ-চাপ থাকেন কেন ? মন
খারাপ
নাকি ?
-- কিছুটা ! তবে আপনি যেনে কি করবেন ?
-- আর কিছু না পারলে ও একটা জিনিস করতে
পারবো,
সেটা হল আপনার মনের কষ্ট কিছুটা হালকা করতে
।
-- তাই নাকি ! তা কিভাবে করবেন বলেন তো ?
-- আপনার মনে জমে থাকা কষ্টের কথা গুলো
সব
আমাকে বন্ধু ভেবে বলতে পারেন ? তারপর
আমি
আপনাকে বলছি ?
-- আচ্ছা তাই ?
-- হুম ! বলেন আপনার এত কষ্ট কেন ?
.
ছেলেটির নাম আকাশ !!
.
এরপর আসতে আসতে তাকে অনেক কিছুই
বলছি ।
ছেলেটি কে যে কথা বলি তার উত্তর দিয়েই
চলছে ?
অন্য সব মানুষের মত বোর হয়নি কখনো
কোন কথাতেই
। শুধু আমার কথা শোনে আর তার সঠিক উত্তর
দেয় ।
ভাল লাগতো ছেলেটির সাথে কথা বলে । খুব
করে
আমাকে কথা গুলো বুঝাত ।
.
মাঝে মাঝে অবাক হতাম । আবার মাঝে মাঝে এমন
সব
কথা বলতো যে, সেই কথা শুনে মনে হয়
আমার
বয়ফ্রেন্ডেই হয়তো ওকে আমার সাথে
রিলেশন করতে
বলছে । তাই আবার একা একা কান্না করত । আমার
বয়ফ্রেন্ড ওকে দিয়ে আমাকে আবার দুঃখ
দিবে নাকি ।
.
না এই দুঃখ বার বার নিতে পারবো না । তার চেয়ে
আমিই ওর থেকে দূরে চলে যাব । আবার মরার
জন্য
প্ল্যান করলো । রাতে বিষ খাবে । বিষের
বোতল
টেবিলের উপর রাখা আছে । রাত দু'টো বাজে
। কিছু
সময় পর বিষ খাবে । বিষের বোতলটা হাতে
নিয়ে
ফেসবুকে ঢুকে ছেলেটি কে শেষ বারের
মত একবার
জিজ্ঞাস করলো ।
--ছেলেটি বলে না আমি এমন কাউকে চিনিনা ।
--তাহলে আপনি আমার কিছু কিছু কথা বলেন কিভাবে
যে গুলো শুধু আমার বয়ফ্রেন্ড যানে ।
--আমি কারো সাথে কথা বললে তার কিছু কিছু
মনের
কথা বুঝতে পারি ?
--ও আচ্ছা !
.
তারপর আর বিষ খাওয়া হল না । আমার ও বিশ্বাস হয়
ছেলেটির উপর । আবার মাঝে মাঝে মনে হত
ছেলেটি
আমার খুব কাছের কেউ । আমার মনের কথা
গুলো না
বলতেই বুঝে যায় । এভাবে অনেক দিন কথা হল
হঠাৎ
এক সপ্তাহ ফেসবুকে আসেনি খুব খারাপ
লাগতো খুব
জেদ লাগতো কিন্তু বলতে পারতাম না ।
.
তারপর প্রতিদিন কথা হত । এভাবে পাঁচ মাস কেটে
গেল । অনেকটা ফ্রি হয়ে গিয়েছি ছেলেটির
সাথে ।
অনেক মজা করতাম প্রতিদিন । হঠাৎ একদিন
আমাকে
বলল--
--আমি প্রেম করবো । একা একা আর ভাল লাগে
না ।
একটা মেয়ে খুঁজে দিয়েন তো ?
--কেন আমি আছিনা ? ( ফাজলামো করে
বলেছিলাম )
--সত্যি বলছেন আপনি আমাকে ভালবাসবেন
তো ?
( খুশীতে লাফানোর অবস্থা । ইমো )
--আপনার কি মনে হয় ?
--কি মনে হয় তা জানি না কিন্তু আমি আপনার
ব্যাপারে সব জানি । তবে এটা বলতে পারবো
আপনাকে
কখনোই দুঃখ দিব না ? কারণ আপনার জীবনটা
দুঃখে
ভরা । আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন ? আমি
আপনাকে
সুখ না দিতে পারলে ও কখনো দুঃখ দিব না ।
.
আমার মন অনেক দুঃখে ভরা । ছেলেটি সব
যেনেও
আমাকে ভালবাসতে চায় । তাহলে রিলেশন টা
করে দেখি
।
.
আজ রিলেশনের তিন মাস পার হল । খুব ভালই
কাটছে
আমাদের দিন গুলো । ওকে পেয়ে খুব সুখে
আছি ।
মানুষটা আমাকে খুব ভালবাসে।

সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:১৭
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×