যবন ঠাকুরের, "লক্ষী'র পাঁচালি" পড়িয়া অন্তর জুড়াইয়া গেল । তাই ঠাকুর'কে কিছু কথা না বলিয়া পারিলাম না ।
ঠাকুর, লিখিয়াছেন ভাল সন্দেহ নাই । রসে ডুবাইয়া ক্ষিড় মোহন বানাইয়া ছাড়িয়াছেন স্বীকার করিতে হইবে । কিন্তু ইহাকি মহুয়া সুন্দরী'র সহিত যোগ সাজসে লিখিয়াছেন ? যদি লিখিয়া থাকেন তাহা হইলে বলিবার কিছুই নাই । কিন্তু যদি স্বইচ্ছায় চুঁপিসারে তাহার কাব্যের নাম এবং ঘটনার অলংকার চুরি করিয়া থাকেন, তাহা হইলে দুইটি কথা আছে ।
প্রথমত, আপনি বোধকরি মহুয়া সুন্দরী'র লেখাটি পড়িয়া উদ্্বুদ্ধ হইয়া জাগতিক বিশ্বে নারী দেহের যে শুধা গ্রহন করিতে ব্যার্থ হইয়াছেন, স্বর্গে যাইয়া উাহাই লাভ করিবার স্বপ্ন দেখিতে দেখিতে এই মহাকাব্য রচনা করিয়া চলিয়াছেন । ইহাতে কাহারও কোনরূপ অসুবিধা থাকিবার কথা নহে । কিন্তু কিছু কিছু দুষ্টু প্রকৃতির লোকের মনে প্রস্ন জাগিতেই পারে যে, যবন ঠাকুরের লোভাতুর দৃ ষ্টি এক পর্যায়ে আসিয়া মহুয়া সুন্দরী'র প্রতিই বর্ষিত হইবে নাতো ? মহুয়া সুন্দরী'কে কোন মন্ত্র বলে আপনার সখি বানাইলেন, তাহা বোধগম্য হইল না । জাগতিক বিশ্বে যেই নারী'র যৌবন সুধা আকু ন্টহ পান করিতে ব্যার্থ হইয়া স্বর্গের দ্্বার গ্রহন করিয়াছেন তাহাকেই প্রকারান্তরে সখি সাজাইয়া ভুলাইয়া ফাঁসাইয়া বাহুলগ্ন করিবার মতলব অাঁটিতেছেন নাতো ? তাহা হইলে কিন্তু ধর্ম দেবতা বরই নাখোষ হইবেন । হয়তোবা মুখের গ্রাস অন্যে করিয়া লইয়া চাঁটিয়া-চুসিয়া অাঁটি বানাইয়া ছাড়িবার উপক্রম করিতেছে এমত ভাবিয়া অতিমাত্রায় খুব্ধ হইয়া আপনার গোপন অঙ্গটি ছেদ করিয়া নপুংসক বানাইয়াও ছাড়িতে পারেন । অতএব, সাবধান ।
দ্্বীতিয়ত, আপনার লেখার মধ্যদিয়া চটুল রস যুক্ত কামকেলির যে আস্বাদ গ্রহন করিয়াছি তাহা অতুলনীয় । বহুদিন রসময় দা'র রসেপূর্ন লেখা না পড়িতে পারিয়া অন্তরের গহীন ভিতরে চড়ুই পাখির মত ছোট্ট যে প্রানিটি বাড়ে বাড়ে অস্থির হইয়া ডানা ঝাপটাইতেছিল, তাহা আজ যেন প্রান ফিরিয়া পাইল । আমার সালাম-নমস্কার যাহা ইচ্ছে হয় গ্রহন করো হে ঠাকুর । দোয়া করি অচিরেই যেন ধর্ম ঠাকুরের ধর্মের ঢাল ভাঙ্গিয়া মহুয়া সুন্দরীর 62 আসনের স্বাদ গ্রহন করিবার শক্তি সঞ্চয় করিতে সক্ষম হও । সত্যের জয় হউক ঃ-))
তথাপি পরিতাপের সহিত বলিতে হয় যে, মহুয়া সুন্দরী'র সুষমা মন্ডিত রূপ-লাবন্যের কিঞ্চিত অধিক বর্ননা প্রদান করিলে আমাদের মত হতভাগারা (মহুয়া যাহাদের সখি নহে) দুগ্ধের স্বাদ মাস্টারবেসন করিয়া মিটাইতে পারিত । আশাকরি পরবর্তি অধ্যায়গুলিতে এই বিষয়ে অধিক মনোযোগ দান করিয়া যথার্থ চটি বইয়ের স্বাদ ছড়াইতে কুন্টহা বোধ করিবেন না ।
পরিশেষে একটি কথা না জিজ্ঞাসিয়া পারিতেছি না । যতদূর বুঝিতে পারি, লক্ষী এই মুহুর্তে স্বর্গে বসিয়া ধর্ম দেবতাকে তাহার কাম কেলি দাড়া বধ করিবার চেষ্টা চালাইতেছে, সেই সুযোগে যবন ঠাকুর, মহুয়া সুন্দরী'র গৃ হে হানা দেয় নাই তো ? এখন কি সেখানে রতীক্রিয়ার 62 কলা রপ্ত করিবার অনুশীলন চলিতেছে ? সন্দেহ হইতেছে কিন্তু । ঃ-0
*** যদি পাঠক লেখাটিকে অশালীন বলে রায় দেয়, তাহলে কথা দিচ্ছি অতিস্বত্বর মুছে ফেলব ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



