somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সামহোয়্যারের বন্ধুরা যখন ক্রিকেটার

২৩ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সামহোয়্যার ইন এর এই সবুজ মাঠে সবাইকে স্বাগতম । সুধী, আজ আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব আমাদের সামহোয়্যার ইন ক্রিকেট টিমের কিছু খ্যাতনামা ক্রিকেটারদের সাথে, যারা নিজেদের চমৎকার ক্রিড়াশৈলী প্রদর্শন করে বরাবরই আমাদের লজ্জাজনকভাবে পরাজিত হতে বাধ্য করেছে । কিন্তু আমরা জানি যে, পরাজয় ডরে না বীর । আর তার জন্যেই আমাদের আজকের এই আয়োজন । আসুন কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে চলে যাই ।
প্রথমেই প্রাথমিক খেলোয়ার পরিচিতি ।
ব্যাটস্ম্যান ঃ
1। জুয়েল ঃ ব্যাটিং (লেখা) নিয়েই ব্যাস্ত, বোলিং (সমালোচনা) করার কথা ভাবেননা বললেই চলে । মূল মনোযোগটাই ব্যাটিংয়ে । স্কোয়ার কাট এবং কাভার ড্রাইভে বেশি পরদর্শী ।
2। ধাঁনসিড়ি ঃ জুয়েলের মতই ব্যাটিংয়ে বেশি মনোযোগী । ঠান্ডা মাথায় বলের মোকাবেলা করেন । তাকে আউট করা যেকোন বোলারের পক্ষেই ভিষন কঠিন কাজ । অকেশনালি স্লো মিডিয়াম বল করতে পছন্দ করেন ।
3। কালপুরুষ ঃ তিনি বেশ স্টাইলিস ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংয়ে দারুন মনোযোগী । সুযোগ পেলেই ব্যাট নিয়ে মাঠে নেমে পরেন । দলকেও নিয়মিত সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন । যদিও স্লো মিডিয়াম বল করতে পছন্দ করেন, তবুমাঝে মধ্যে বাজে বোলিং করে সমালোচিতও হয়ে থাকেন ।
4। সাদিক মোঃ আলম ঃ তিনি মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । সব সময়ই বলের দিকে তীক্ষন নজর তার । হাতে প্রচুর মার আছে । আর ব্যাটিংয়ের প্রতি আছে দারুন নেশা, যা বড় ব্যাটস্ম্যানের লক্ষন ।
5। ঝড়ো হাওয়া ঃ তিনিও মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংটা ভাল বোঝেন । কিন্তু মাঝে মাঝে খেলার মধ্যে মনোযোগের অভাব ধরা পরে ।
6। মাশীদ ঃ লোয়ার মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংটা ভালই । পর্যাপ্ত সময় দিলে ভাল করতে পারতেন । এক কথায় সম্ভাবনা ময়ী ।
7। শুভ ঃ মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংটা খারাপ না । কিন্তু ধৈর্যের অভাব আছে । না বুঝে শট্ খেলে আউট হন মাঝে মধ্যে । সতর্ক হলে আরও ভাল করবেন আশা করা যায় ।
8। হিমু ঃ সামহোয়্যারের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন । দারুন স্টাইলিস । যে কোন পজিসনে খেলার যোগ্যতা রাখেন । বোলিংটাও খুব একটা অগোছাল বলা যাবে না । তবে কিছুটা আলুর দোষ আছে ঃ-))
9। ধুসর গোধুলী ঃ তিনিও সামহোয়্যারের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন । ব্যাটিংয়ে নিজস্বতা আছে । দেখেশুনে খেলতে পছন্দ করেন । দলের প্রয়োজনে ব্রেক থ্রু দেয়ার মত যোগ্যতাও আছে ।
10। বদরূল আহমেদ ঃ ব্যাটিংয়ের প্রতি একনিষ্ঠতা আছে । মাঝে মাঝে কিছু ভাল খেলা উপহার দেয়ার যোগ্যতাও রাখেন । তবে বল সিলেকসনে ভুলের কারনে সহজেই বোলার তার দুর্বলতা ধরে ফেলেন । আর প্রচুর আজে বাজে শট্ খেলেন বিধায় কোচের কাছে প্রচুর বকাও খেতে হয় ।
11। তেলাপোকা ঃ অনেকটা ঝড়ো হাওয়া'র মতই অবস্থা তার । ভাল খেলা সত্বেও পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাবে দলে টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে । নাবুঝে বোলিং করার চেষ্টা করেন বিধায় কোচের বিরাগভাজন হতে হয় মাঝে মাঝে ।
12। শাহানা ঃ চমৎকার ব্যাটসম্যান । সম্পূর্ন নিজস্ব স্টাইলে খেলেন । কিন্তু দীর্ঘ সময় ক্রীজে থাকার মানুষিকতা না থাকায় দলের প্রয়োজনে ভরসা করা কঠিন হয়ে দাড়ায় । মনোযোগী হলে যে কোন দলের জন্য সম্পদ হতে পারেন ।
13। শর্মী ঃ ব্যাটিংটা খারাপনা । তবে কোথায় যেন একটু সমস্যা আছে । তাই দীর্ঘদিন ধরে খেলার পরেও একটা স্থায়ী আসন তৈরি হয়নি ।
14। মলি ঃ তিনিও শর্মীর মতই ব্যাটিং করে থাকেন । তবে কিছুটা আক্রমনত্বব্যাটস্ম্যান । ভূল বল সিলেকশানের কারনে তাকে আগামীতেও ভুগতে হবে ।
15। ফারিয়াল ঃ অলস/কুইরা ব্যাটস্ম্যান । প্রতিভা থাকা সত্বেও মনোযোগের অভাবে অবহেলিত রয়ে গেছেন ।
16। হাবীব মহাজন ঃ দীর্ঘদিন ধরে দলকে ব্যাটিং সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন । নানা কারনে মাঝে মাঝে বিতর্কিত হয়েছেন । তবে ব্যাটিংয়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসার কারনে বরাবরই সাড়া ফেলেছেন ।

বোলার ঃ
1। রাসেল (........) ঃ সামহোয়্যারের বোলিং এ্যাসেট যদি কেউ থাকে তাহলে নিঃস্বন্দেহে তার নাম রাসেল (.....) । নিখুত লাইন লেন্থ (মিডল স্ট্যাম্প) বজায় রেখে বোলিং করে থাকেন । আর উইকেট তুলে নেন (শুভ) খুব সহজেই । কাকে কোন বলে ঘায়েল করতে হবে তা তার চাইতে ভাল খুব কম বোলারই বোঝেন । হার্ড হিটার ব্যাটস্ম্যান হিসেবেও তার খ্যাতি আছে ।
2। দীক্ষক দ্্রাবীর ঃ রাসেল (........) এর বোলিং পার্টনার হওয়ার সবচাইতে ভাল যোগ্যতা যে রাখে সেই হচ্ছে দীক্ষক দ্্রাবীর । যথেষ্ট গতি সম্পন্ন বোলার । লাইন লেন্থে কিছুটা ঘাটতি আছে । বেশি জোড়ে বল ছুড়তে যেয়ে মাঝে মধ্যে এলোমেলো হয়ে যান । যদিও তিনি হার্ড হিটার ব্যাটস্ম্যান হিসেবে খ্যাত, তথাপি বল বুঝে খেলার যোগ্যতাও তার আছে । কিন্তু ব্যাক্তিগত সংগ্রহ বাড়াতে যেয়ে (বুলেটিন) দলের প্রতি নজর না দেয়ার কারনে সমালোচিত হন ।
3। মহুয়া মঞ্ছুরী ঃ সামহোয়্যারে নারী খেলোয়ারদের মধ্যে চাতুর্যপূর্ন মায়াবী স্পিনের যাদুদেখিয়ে সবচেয়ে বেশি যে সারা ফেলেছে, সে ই মহুয়া মঞ্ছুরী । তবে তার দূর্বল দিক হচ্ছে লাইন লেন্থের অভাব । মাথা গরম করে বল করেন বলে মাঝে মধ্যে বেধরক মারও খেয়ে থাকেন । তবে ঠান্ডা মাথায় দেখেশুনে বল করলে ভাল করতে পরবেন নিঃস্বন্দেহে । হার্ড হিটার হিসেবে ইতিমধ্যেই খ্যাতি কুড়িয়েছেন । সেই সঙ্গে আলু বিতরনের দায়ে দলে কোন্দলের জন্ম দিয়ে হয়েছেন বিতর্কিত ।
4। ঃ ফার্স্ট চেনজ বোলার হিসেব দলে ঢোকার যোগ্যতা রাখেন । মাঝারি মানের বোলিং করে থাকেন । তবে ব্যাটসম্যানকে নাবুঝে বল করার কারনে মাঝে মধ্যেই পানিসড্ হতে হয় । লাইন লেন্থেরও অভাব আছে ।
5। হাসান ঃ তিনিও ফার্স্ট চেনজ বোলার হিসেবেই দলে আসতে পারেন । বোলিংটাও ভাল । কিন্তু মনোযোগের অভাব রয়েছে । ফলে দলে জায়গা করে নেয়া কঠিন হতে পারে । দলের প্রয়োজনে ব্যাট হাতেও সার্ভিস দেয়ার যোগ্যতা রাখেন ।

অল-রাউন্ডার ঃ
1। অপ বাক ঃ ঠিক যেন জিন্বাবুয়ের "নেইল জনসন" । একই সঙ্গে ওপেনিং ব্যাটসম্যান এবং ওপেনিং বোলার । দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা তার ব্যাটিংকে করেছে পরিশীলিত । সব ধরনের মার আছে তার ঝুলিতে । মাঠের চতুর্দিকে মেরে খেলতে পছন্দ করেন । তবে পার্টনারের সাথে ভুল বোঝাবুঝির (2 দিনের অনশন) কারনে মাঝে মাঝে রান আউট হয়ে থাকেন । বোলিংয়ে ইন সুইং আউট সুইং দুটোই আছে । ফলে যে কোন ব্যাটসম্যানের পক্ষেই তার বল খেলা ভিষন কঠিন । তবে অতিরিক্ত অনাবস্যক বাউন্সার (ইসলাম এবং রাসুল) ছোড়ার কারনে মাঝে মাঝে অন্যদের বিরাগভাজন হয়ে পরেন ।
2। তীরন্দাজ ঃ চমৎকার অলরাউন্ডার । খেলার প্রতি মনোযোগেরও তেমন ঘাটতি নেই । ব্যাটিংয়ের শুরুটা সবসময়ই চমৎকারভাবে করে থাকেন । তবে শেষেগিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন (ধারাবাহিক গল্প) । এটা তার ক্যারিয়ারে দাঁগ ফেলতে পারে । বোলিংটা সবসময় বুঝেশুনেই করেন । ফলে উইকেট না পেলেও রান খরচায় মিতব্যায়িতার জন্য সতীর্থদের বাহবা কুড়ান ।
3। শোহেইল মোতাহির চৌ ঃ ভাল অলরাউন্ডার সন্দেহ নাই । দীর্ঘ দিন ধরে দলকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন । তবে খেলায় নিজের প্রতিভার পুরোপুরি প্রকাশ ঘটাতে পারেন নি । ব্যাটিংয়ে বৈচিত্রের অভাব রয়েছে । ফলে দলে অবস্থান যেকোন মূহুর্তে টলে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে । বোলিংটাও সাদামাটা ধরনের । ফলে ক্যাপ্টেন কখনোই তাকে দিয়ে বেশিক্ষন বল করার ধৃষ্টতা দেখান না । যোগ্যতার যথার্থ ইউটিলাইজ করতে পরলে পিছনে তাকাতে হবে না ।
4। অমি রহমান পিয়াল ঃ আক্রমনত্বক ব্যাটস্ম্যান এবং স্লো মিডিয়াম বোলার । বরাবরই আক্রমন করে খেলতে পছন্দ করেন । ভাল রানও পেয়ে থাকেন মাঝে মধ্যেই । কিন্তু বোলারের বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঝে মধ্যেই খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা করে থাকেন । বোলিংয়ে কোন বৈচিত্র নেই । ফলে মাঝে মাঝে ব্যাটসম্যানের টার্গেটে পরিনত হন ।
5। মুখ ফোড় ঃ জেনুয়িন অলরাউন্ডার বলতে যা বোঝায় এক কথায় মুখ ফোড় হচ্ছেন তাই । যেমন চমৎকার ব্যাটিং তেমনি চমৎকার বোলিং । কিন্তু ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে সবসময় দলকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেননা বলে দলকে মাঝে মাঝেই তার অভাব বোধ করতে হয় । তাছাড়া পার্টনারের বাজে বোলিংয়ের কারনে তাকেও ব্যাটসম্যানের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ের শিকার হতে হয় ।
6। অরুপ ঃ ব্যাটিং বোলিং কোনওটাতেই প্রতিভার অভাব নেই । কিন্তু তবু তাকে জেনুইন অলরাউন্ডার বলা যায়না খেলায় তার পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাবের কারনেই । তবে মনোযোগী হলে সহজেই কোচের নজর কাড়তে পারবেন সন্দেহ নেই ।
7। ব্রাত্য রাইসু ঃ ব্যাটিংটাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তিনি । বৈচিত্রও রয়েছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে । বোলারকে বোকা বানানোর প্রানান্ত চেষ্টাও (রাসেল) লক্ষ্য করা যায় । কিন্তু বোলিংটাকে সেভাবে শানাতে পারেননি । অবস্য সেদিকটা তার অবহেলার ফল বলেই মনে হয় । ফলে বোলিংয়ে সাফল্য নেই বললেই চলে ।
8। শাওন ঃ শাওনকে অলরাউন্ডার বলা চলে । যদিও ব্যাটিংটাই তার মুল ভরসা, তবু মাঝে মাঝে মোটামুটি মানের বোলিংও করে থাকেন । ব্যাটিংটা খুব খারাপ বলা যাবেনা । তবে ধারাবাহিকতায় দারুন অভাব আছে । তাই দীর্ঘ দিন থেকে দলে থাকার পরও আসন টলমলই রয়ে গেছে । আর হাত খুলে বল করতে যেয়ে মাঝে মাঝেই বল হাত ফস্কে বাউন্ডারির বাইরে যেয়ে পরে ।
9। আড্ডাবাজ ঃ জেনুয়িন অলরাউন্ডারের আরেক নমুনা । গ্রামার মেনে চলা ব্যাটসম্যান । কিছুটা আক্রমনাত্বকও হয়ে উঠেন (2 দিনের অনশন) মাঝে মধ্যে । কিন্তু যতক্ষন মাঠে থাকেন ততক্ষনই মাঠে তার উপস্থিতি আলাদভাবে টের পাওয়া যায় । স্পিন বোলিংটাও করেন বুঝেশুনে । তাতে মাঝে মাঝে মিশিয়ে দেন মরন বিষ । কিন্তু ইদানিং দলকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেননা বিধায় তাকে দলে রাখা হবে কি না সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ভাবতে হচ্ছে ।
10। সুমন চৌধুরী ঃ ব্যাটিংয়ে শিল্পের ছোঁয়া আর স্পিনে বিষ, এই হচ্ছে সুমন চৌধুরী'র অলরাউন্ডিং নৈপুন্যের পরিচায়ক । কিন্তু তার ব্যাটিংয়ে প্রায়শই দীর্ঘ সময় মাঠে থাকর মত ধৈর্যের অভাব পরিলক্ষিত হয় । আর বোলিংয়ে পার্টনারের উপর বেশি বেশি ডিপেন্ড করতে দেখা যায় । ফলে ব্যাটিংয়ের সময় কোচ যেমন তার উপরে খুব একটা ডিপেন্ড করতে পারেননা, ঠিক তেমনি বোলিংটাও সবসময় অবহেলিতই রয়ে গেছে ।
11। ওয়ালী ঃ আক্রমনাত্বক ব্যাটসম্যান এবং আক্রমনাত্বক বোলার হিসেবে ওয়ালী'র জুড়ি মেলা ভার । ব্যাটিংয়ে যেমন অধিকাংশ সময়েই নাবুঝে চোখ বন্ধ করে বল মারতে যেয়ে উইকেট থ্রো করেন, বোলিংয়েও তেমনি উপর্যুপরি বাউন্সার আর বীমার মেরে আম্পায়ার এবং আই, সি, সি'র বিরাগভাজন হন । ফলে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও দলে তার অবস্থান নড়বরেই রয়ে গেছে ।
12। আস্তমেয়ে ঃ ভাল অলরাউন্ডার হওয়ার সব রকম যোগ্যতা রয়েছে তার । ব্যাটিংয়ে যথেষ্ট ডেপথ্ রয়েছে । তবে নাবুঝে খেলার টেন্ডেন্সি তার একটা বড় দুর্বলতা । বোলিংটা বেশ গুছিয়ে করতেই পছন্দ করেন । কিন্তু মাঝে মাঝে অগোছাল বোলিং তার প্রকৃ ত যোগ্যতার প্রতিবন্ধক হয়েই দাড়ায় ।
13। তীর্থক ঃ ব্যাটিং বোলিং দুটোই করেন বিধায় তীর্থককে অলরাউন্ডার বলা চলে । ব্যাটিংয়ে বৈচিত্র আনার আপ্রান চেষ্টা সত্ত্বেও বেসিকে দূর্বলতার কারনে কখনই তা সম্ভব হয়নি । হাতে যথেষ্ট মারের অভাব রয়েছে বিধায় দলেও কখনই নিয়মিত হতে পারেননি । বোলিংয়েও লাইন লেন্থের অভাব রয়েছে । সেই সঙ্গে মাঝে মাঝে অপ্রয়োজনীয় জোড়ে বল ছুড়তে যেয়ে অতিরিক্ত রান দিয়ে ফেলেন । ফলে কখনই কোচের নজরতো কাড়তে পারেনই নি বরং হয়েছেন বিরাগভাজন ।

*** সব ঝেড়ে ফেলে কারা মুল একাদশে খেলার সুযোগ পেল তা জানার জন্য আপেক্ষায় থাকুন । ফিরে আসছি সীঘ্রই বিজ্ঞাপন, বিরতীর পর । সেই পর্যন্ত সঙ্গেই থাকুন ।
(পুরো লেখাটাই মজা করার জন্য লেখা হয়েছে । তারপরেও কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃক্ষিত । আর যাদের নাম অনিচ্ছাকৃতভাবে বাদ পরলো তারা অতিসত্বর যোগাযোগ করে নাম এন্টরি করে নিন । )




সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আমার মন খারাপ, ফুল দিয়ো=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮



অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।

অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।

কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×