সামহোয়্যার ইন এর এই সবুজ মাঠে সবাইকে স্বাগতম । সুধী, আজ আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব আমাদের সামহোয়্যার ইন ক্রিকেট টিমের কিছু খ্যাতনামা ক্রিকেটারদের সাথে, যারা নিজেদের চমৎকার ক্রিড়াশৈলী প্রদর্শন করে বরাবরই আমাদের লজ্জাজনকভাবে পরাজিত হতে বাধ্য করেছে । কিন্তু আমরা জানি যে, পরাজয় ডরে না বীর । আর তার জন্যেই আমাদের আজকের এই আয়োজন । আসুন কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে চলে যাই ।
প্রথমেই প্রাথমিক খেলোয়ার পরিচিতি ।
ব্যাটস্ম্যান ঃ
1। জুয়েল ঃ ব্যাটিং (লেখা) নিয়েই ব্যাস্ত, বোলিং (সমালোচনা) করার কথা ভাবেননা বললেই চলে । মূল মনোযোগটাই ব্যাটিংয়ে । স্কোয়ার কাট এবং কাভার ড্রাইভে বেশি পরদর্শী ।
2। ধাঁনসিড়ি ঃ জুয়েলের মতই ব্যাটিংয়ে বেশি মনোযোগী । ঠান্ডা মাথায় বলের মোকাবেলা করেন । তাকে আউট করা যেকোন বোলারের পক্ষেই ভিষন কঠিন কাজ । অকেশনালি স্লো মিডিয়াম বল করতে পছন্দ করেন ।
3। কালপুরুষ ঃ তিনি বেশ স্টাইলিস ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংয়ে দারুন মনোযোগী । সুযোগ পেলেই ব্যাট নিয়ে মাঠে নেমে পরেন । দলকেও নিয়মিত সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন । যদিও স্লো মিডিয়াম বল করতে পছন্দ করেন, তবুমাঝে মধ্যে বাজে বোলিং করে সমালোচিতও হয়ে থাকেন ।
4। সাদিক মোঃ আলম ঃ তিনি মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । সব সময়ই বলের দিকে তীক্ষন নজর তার । হাতে প্রচুর মার আছে । আর ব্যাটিংয়ের প্রতি আছে দারুন নেশা, যা বড় ব্যাটস্ম্যানের লক্ষন ।
5। ঝড়ো হাওয়া ঃ তিনিও মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংটা ভাল বোঝেন । কিন্তু মাঝে মাঝে খেলার মধ্যে মনোযোগের অভাব ধরা পরে ।
6। মাশীদ ঃ লোয়ার মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংটা ভালই । পর্যাপ্ত সময় দিলে ভাল করতে পারতেন । এক কথায় সম্ভাবনা ময়ী ।
7। শুভ ঃ মিডল্ অর্ডার ব্যাটস্ম্যান । ব্যাটিংটা খারাপ না । কিন্তু ধৈর্যের অভাব আছে । না বুঝে শট্ খেলে আউট হন মাঝে মধ্যে । সতর্ক হলে আরও ভাল করবেন আশা করা যায় ।
8। হিমু ঃ সামহোয়্যারের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন । দারুন স্টাইলিস । যে কোন পজিসনে খেলার যোগ্যতা রাখেন । বোলিংটাও খুব একটা অগোছাল বলা যাবে না । তবে কিছুটা আলুর দোষ আছে ঃ-))
9। ধুসর গোধুলী ঃ তিনিও সামহোয়্যারের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন । ব্যাটিংয়ে নিজস্বতা আছে । দেখেশুনে খেলতে পছন্দ করেন । দলের প্রয়োজনে ব্রেক থ্রু দেয়ার মত যোগ্যতাও আছে ।
10। বদরূল আহমেদ ঃ ব্যাটিংয়ের প্রতি একনিষ্ঠতা আছে । মাঝে মাঝে কিছু ভাল খেলা উপহার দেয়ার যোগ্যতাও রাখেন । তবে বল সিলেকসনে ভুলের কারনে সহজেই বোলার তার দুর্বলতা ধরে ফেলেন । আর প্রচুর আজে বাজে শট্ খেলেন বিধায় কোচের কাছে প্রচুর বকাও খেতে হয় ।
11। তেলাপোকা ঃ অনেকটা ঝড়ো হাওয়া'র মতই অবস্থা তার । ভাল খেলা সত্বেও পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাবে দলে টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে । নাবুঝে বোলিং করার চেষ্টা করেন বিধায় কোচের বিরাগভাজন হতে হয় মাঝে মাঝে ।
12। শাহানা ঃ চমৎকার ব্যাটসম্যান । সম্পূর্ন নিজস্ব স্টাইলে খেলেন । কিন্তু দীর্ঘ সময় ক্রীজে থাকার মানুষিকতা না থাকায় দলের প্রয়োজনে ভরসা করা কঠিন হয়ে দাড়ায় । মনোযোগী হলে যে কোন দলের জন্য সম্পদ হতে পারেন ।
13। শর্মী ঃ ব্যাটিংটা খারাপনা । তবে কোথায় যেন একটু সমস্যা আছে । তাই দীর্ঘদিন ধরে খেলার পরেও একটা স্থায়ী আসন তৈরি হয়নি ।
14। মলি ঃ তিনিও শর্মীর মতই ব্যাটিং করে থাকেন । তবে কিছুটা আক্রমনত্বব্যাটস্ম্যান । ভূল বল সিলেকশানের কারনে তাকে আগামীতেও ভুগতে হবে ।
15। ফারিয়াল ঃ অলস/কুইরা ব্যাটস্ম্যান । প্রতিভা থাকা সত্বেও মনোযোগের অভাবে অবহেলিত রয়ে গেছেন ।
16। হাবীব মহাজন ঃ দীর্ঘদিন ধরে দলকে ব্যাটিং সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন । নানা কারনে মাঝে মাঝে বিতর্কিত হয়েছেন । তবে ব্যাটিংয়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসার কারনে বরাবরই সাড়া ফেলেছেন ।
বোলার ঃ
1। রাসেল (........) ঃ সামহোয়্যারের বোলিং এ্যাসেট যদি কেউ থাকে তাহলে নিঃস্বন্দেহে তার নাম রাসেল (.....) । নিখুত লাইন লেন্থ (মিডল স্ট্যাম্প) বজায় রেখে বোলিং করে থাকেন । আর উইকেট তুলে নেন (শুভ) খুব সহজেই । কাকে কোন বলে ঘায়েল করতে হবে তা তার চাইতে ভাল খুব কম বোলারই বোঝেন । হার্ড হিটার ব্যাটস্ম্যান হিসেবেও তার খ্যাতি আছে ।
2। দীক্ষক দ্্রাবীর ঃ রাসেল (........) এর বোলিং পার্টনার হওয়ার সবচাইতে ভাল যোগ্যতা যে রাখে সেই হচ্ছে দীক্ষক দ্্রাবীর । যথেষ্ট গতি সম্পন্ন বোলার । লাইন লেন্থে কিছুটা ঘাটতি আছে । বেশি জোড়ে বল ছুড়তে যেয়ে মাঝে মধ্যে এলোমেলো হয়ে যান । যদিও তিনি হার্ড হিটার ব্যাটস্ম্যান হিসেবে খ্যাত, তথাপি বল বুঝে খেলার যোগ্যতাও তার আছে । কিন্তু ব্যাক্তিগত সংগ্রহ বাড়াতে যেয়ে (বুলেটিন) দলের প্রতি নজর না দেয়ার কারনে সমালোচিত হন ।
3। মহুয়া মঞ্ছুরী ঃ সামহোয়্যারে নারী খেলোয়ারদের মধ্যে চাতুর্যপূর্ন মায়াবী স্পিনের যাদুদেখিয়ে সবচেয়ে বেশি যে সারা ফেলেছে, সে ই মহুয়া মঞ্ছুরী । তবে তার দূর্বল দিক হচ্ছে লাইন লেন্থের অভাব । মাথা গরম করে বল করেন বলে মাঝে মধ্যে বেধরক মারও খেয়ে থাকেন । তবে ঠান্ডা মাথায় দেখেশুনে বল করলে ভাল করতে পরবেন নিঃস্বন্দেহে । হার্ড হিটার হিসেবে ইতিমধ্যেই খ্যাতি কুড়িয়েছেন । সেই সঙ্গে আলু বিতরনের দায়ে দলে কোন্দলের জন্ম দিয়ে হয়েছেন বিতর্কিত ।
4।
ঃ ফার্স্ট চেনজ বোলার হিসেব দলে ঢোকার যোগ্যতা রাখেন । মাঝারি মানের বোলিং করে থাকেন । তবে ব্যাটসম্যানকে নাবুঝে বল করার কারনে মাঝে মধ্যেই পানিসড্ হতে হয় । লাইন লেন্থেরও অভাব আছে ।
5। হাসান ঃ তিনিও ফার্স্ট চেনজ বোলার হিসেবেই দলে আসতে পারেন । বোলিংটাও ভাল । কিন্তু মনোযোগের অভাব রয়েছে । ফলে দলে জায়গা করে নেয়া কঠিন হতে পারে । দলের প্রয়োজনে ব্যাট হাতেও সার্ভিস দেয়ার যোগ্যতা রাখেন ।
অল-রাউন্ডার ঃ
1। অপ বাক ঃ ঠিক যেন জিন্বাবুয়ের "নেইল জনসন" । একই সঙ্গে ওপেনিং ব্যাটসম্যান এবং ওপেনিং বোলার । দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা তার ব্যাটিংকে করেছে পরিশীলিত । সব ধরনের মার আছে তার ঝুলিতে । মাঠের চতুর্দিকে মেরে খেলতে পছন্দ করেন । তবে পার্টনারের সাথে ভুল বোঝাবুঝির (2 দিনের অনশন) কারনে মাঝে মাঝে রান আউট হয়ে থাকেন । বোলিংয়ে ইন সুইং আউট সুইং দুটোই আছে । ফলে যে কোন ব্যাটসম্যানের পক্ষেই তার বল খেলা ভিষন কঠিন । তবে অতিরিক্ত অনাবস্যক বাউন্সার (ইসলাম এবং রাসুল) ছোড়ার কারনে মাঝে মাঝে অন্যদের বিরাগভাজন হয়ে পরেন ।
2। তীরন্দাজ ঃ চমৎকার অলরাউন্ডার । খেলার প্রতি মনোযোগেরও তেমন ঘাটতি নেই । ব্যাটিংয়ের শুরুটা সবসময়ই চমৎকারভাবে করে থাকেন । তবে শেষেগিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন (ধারাবাহিক গল্প) । এটা তার ক্যারিয়ারে দাঁগ ফেলতে পারে । বোলিংটা সবসময় বুঝেশুনেই করেন । ফলে উইকেট না পেলেও রান খরচায় মিতব্যায়িতার জন্য সতীর্থদের বাহবা কুড়ান ।
3। শোহেইল মোতাহির চৌ ঃ ভাল অলরাউন্ডার সন্দেহ নাই । দীর্ঘ দিন ধরে দলকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন । তবে খেলায় নিজের প্রতিভার পুরোপুরি প্রকাশ ঘটাতে পারেন নি । ব্যাটিংয়ে বৈচিত্রের অভাব রয়েছে । ফলে দলে অবস্থান যেকোন মূহুর্তে টলে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে । বোলিংটাও সাদামাটা ধরনের । ফলে ক্যাপ্টেন কখনোই তাকে দিয়ে বেশিক্ষন বল করার ধৃষ্টতা দেখান না । যোগ্যতার যথার্থ ইউটিলাইজ করতে পরলে পিছনে তাকাতে হবে না ।
4। অমি রহমান পিয়াল ঃ আক্রমনত্বক ব্যাটস্ম্যান এবং স্লো মিডিয়াম বোলার । বরাবরই আক্রমন করে খেলতে পছন্দ করেন । ভাল রানও পেয়ে থাকেন মাঝে মধ্যেই । কিন্তু বোলারের বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঝে মধ্যেই খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা করে থাকেন । বোলিংয়ে কোন বৈচিত্র নেই । ফলে মাঝে মাঝে ব্যাটসম্যানের টার্গেটে পরিনত হন ।
5। মুখ ফোড় ঃ জেনুয়িন অলরাউন্ডার বলতে যা বোঝায় এক কথায় মুখ ফোড় হচ্ছেন তাই । যেমন চমৎকার ব্যাটিং তেমনি চমৎকার বোলিং । কিন্তু ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে সবসময় দলকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেননা বলে দলকে মাঝে মাঝেই তার অভাব বোধ করতে হয় । তাছাড়া পার্টনারের বাজে বোলিংয়ের কারনে তাকেও ব্যাটসম্যানের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ের শিকার হতে হয় ।
6। অরুপ ঃ ব্যাটিং বোলিং কোনওটাতেই প্রতিভার অভাব নেই । কিন্তু তবু তাকে জেনুইন অলরাউন্ডার বলা যায়না খেলায় তার পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাবের কারনেই । তবে মনোযোগী হলে সহজেই কোচের নজর কাড়তে পারবেন সন্দেহ নেই ।
7। ব্রাত্য রাইসু ঃ ব্যাটিংটাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তিনি । বৈচিত্রও রয়েছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে । বোলারকে বোকা বানানোর প্রানান্ত চেষ্টাও (রাসেল) লক্ষ্য করা যায় । কিন্তু বোলিংটাকে সেভাবে শানাতে পারেননি । অবস্য সেদিকটা তার অবহেলার ফল বলেই মনে হয় । ফলে বোলিংয়ে সাফল্য নেই বললেই চলে ।
8। শাওন ঃ শাওনকে অলরাউন্ডার বলা চলে । যদিও ব্যাটিংটাই তার মুল ভরসা, তবু মাঝে মাঝে মোটামুটি মানের বোলিংও করে থাকেন । ব্যাটিংটা খুব খারাপ বলা যাবেনা । তবে ধারাবাহিকতায় দারুন অভাব আছে । তাই দীর্ঘ দিন থেকে দলে থাকার পরও আসন টলমলই রয়ে গেছে । আর হাত খুলে বল করতে যেয়ে মাঝে মাঝেই বল হাত ফস্কে বাউন্ডারির বাইরে যেয়ে পরে ।
9। আড্ডাবাজ ঃ জেনুয়িন অলরাউন্ডারের আরেক নমুনা । গ্রামার মেনে চলা ব্যাটসম্যান । কিছুটা আক্রমনাত্বকও হয়ে উঠেন (2 দিনের অনশন) মাঝে মধ্যে । কিন্তু যতক্ষন মাঠে থাকেন ততক্ষনই মাঠে তার উপস্থিতি আলাদভাবে টের পাওয়া যায় । স্পিন বোলিংটাও করেন বুঝেশুনে । তাতে মাঝে মাঝে মিশিয়ে দেন মরন বিষ । কিন্তু ইদানিং দলকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেননা বিধায় তাকে দলে রাখা হবে কি না সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ভাবতে হচ্ছে ।
10। সুমন চৌধুরী ঃ ব্যাটিংয়ে শিল্পের ছোঁয়া আর স্পিনে বিষ, এই হচ্ছে সুমন চৌধুরী'র অলরাউন্ডিং নৈপুন্যের পরিচায়ক । কিন্তু তার ব্যাটিংয়ে প্রায়শই দীর্ঘ সময় মাঠে থাকর মত ধৈর্যের অভাব পরিলক্ষিত হয় । আর বোলিংয়ে পার্টনারের উপর বেশি বেশি ডিপেন্ড করতে দেখা যায় । ফলে ব্যাটিংয়ের সময় কোচ যেমন তার উপরে খুব একটা ডিপেন্ড করতে পারেননা, ঠিক তেমনি বোলিংটাও সবসময় অবহেলিতই রয়ে গেছে ।
11। ওয়ালী ঃ আক্রমনাত্বক ব্যাটসম্যান এবং আক্রমনাত্বক বোলার হিসেবে ওয়ালী'র জুড়ি মেলা ভার । ব্যাটিংয়ে যেমন অধিকাংশ সময়েই নাবুঝে চোখ বন্ধ করে বল মারতে যেয়ে উইকেট থ্রো করেন, বোলিংয়েও তেমনি উপর্যুপরি বাউন্সার আর বীমার মেরে আম্পায়ার এবং আই, সি, সি'র বিরাগভাজন হন । ফলে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও দলে তার অবস্থান নড়বরেই রয়ে গেছে ।
12। আস্তমেয়ে ঃ ভাল অলরাউন্ডার হওয়ার সব রকম যোগ্যতা রয়েছে তার । ব্যাটিংয়ে যথেষ্ট ডেপথ্ রয়েছে । তবে নাবুঝে খেলার টেন্ডেন্সি তার একটা বড় দুর্বলতা । বোলিংটা বেশ গুছিয়ে করতেই পছন্দ করেন । কিন্তু মাঝে মাঝে অগোছাল বোলিং তার প্রকৃ ত যোগ্যতার প্রতিবন্ধক হয়েই দাড়ায় ।
13। তীর্থক ঃ ব্যাটিং বোলিং দুটোই করেন বিধায় তীর্থককে অলরাউন্ডার বলা চলে । ব্যাটিংয়ে বৈচিত্র আনার আপ্রান চেষ্টা সত্ত্বেও বেসিকে দূর্বলতার কারনে কখনই তা সম্ভব হয়নি । হাতে যথেষ্ট মারের অভাব রয়েছে বিধায় দলেও কখনই নিয়মিত হতে পারেননি । বোলিংয়েও লাইন লেন্থের অভাব রয়েছে । সেই সঙ্গে মাঝে মাঝে অপ্রয়োজনীয় জোড়ে বল ছুড়তে যেয়ে অতিরিক্ত রান দিয়ে ফেলেন । ফলে কখনই কোচের নজরতো কাড়তে পারেনই নি বরং হয়েছেন বিরাগভাজন ।
*** সব ঝেড়ে ফেলে কারা মুল একাদশে খেলার সুযোগ পেল তা জানার জন্য আপেক্ষায় থাকুন । ফিরে আসছি সীঘ্রই বিজ্ঞাপন, বিরতীর পর । সেই পর্যন্ত সঙ্গেই থাকুন ।
(পুরো লেখাটাই মজা করার জন্য লেখা হয়েছে । তারপরেও কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃক্ষিত । আর যাদের নাম অনিচ্ছাকৃতভাবে বাদ পরলো তারা অতিসত্বর যোগাযোগ করে নাম এন্টরি করে নিন । )
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



