somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অনুপম অনুষঙ্গ
আমার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : ১. এবার ধরা দাও (২০০০) ২. উচ্ছ্বাস(২০০১) ৩. পরিত্যক্ত পদাবলি(২০০২) ৪. এক বিকেলে(২০০৪) ৫. নিঃসঙ্গ নির্জন(২০০৫) ৬. ভাঙনের শব্দ(২০১১) ৭. আমার সন্তান যেন দুধেভাতে(২০১২) ৮. চারিদিকে জীবনে সমুদ্র-সফেন(২০১২) গবেষণা গ্রন্থ : ১. শওকত

হে কিশোরী, এসো তোমার কাছে গোলাপ কিনি --

০৭ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হে কিশোরী, না হয় গোলাপ নাই দিলে
এসো তোমার কাছে গোলাপ কিনি।

তবু ভালোবাসার পাবার খেদ মিঠুক,
জংধরা অধরে ভালোবাসা ফুটুক।

হে কিশোরী আমার দিকে নাই চাহিলে
আকাশ দেখো __
নেপথ্যে তোমার খোঁপা দেখি,
তাতেই জুড়াবে প্রেমের পুলকপাখি।

হে কিশোরী ভালোবাসা নাই বাসিলে
চোখে চোখ রাখো একবার,
তাতেই আমার অপার বিস্তার __
তাতেই ভিজি প্রেমের সলিলে।

হে কিশোরী, গোলাপ তুমি নাইবা দিলে
এসো তোমাকে কাছে গোলাপ কিনি।
০৭.০৭.২০১৪





জীবনযাপন প্রণালী //
শাফিক আফতাব //

পারতপক্ষে ইচ্ছে করে কারো সাথে কথা বলতে যাই না
কেউ বললে সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয় ঝটপট কেটে পড়ি
কেনো না এ যুগের মানুষ বড়ই চতুর !
কথায় তেনা চেঁড়ে, উচ্চারণগত ত্রুটি ধরে, কী খেলাম, কী করে খেলাম ?
কীভাবে থাকি, নিজের বাড়ি না ভাড়া বাড়ি ?
ভাড়া হলে ভাড়া কত? স্ত্রী পুত্র কয়টি, স্ত্রীর বাপের বাড়ি ? ইত্যাদি

তারপর আবার ব্যাংক ব্যালেন্স কত হলো, ঢাকায় কোনো প্লট কিনেছেন কি না ?
এখন কত বেতন পান ? জমির দাগ খাতিয়ান এমত প্রভৃতি ।

পারতেপক্ষে আমি তাই এড়িয়ে চলি,
কেনো না আমার আপন যন্ত্রেই যেখানে থাকে না প্রাকৃতিক গ্যাস
রুটিরুজির জন্য হন্য হয়ে ঘুরতে হয় শহরের দশদিক
সত্য আর সুন্দরের জন্য যেখানে পদে পদে হিমসিম খেতে হয়
সেখানে আবার তেনাচেড়ার সময় !

তাছাড়া এযুগের মানুষগুলো তুখোর গুপ্তচর
কিংবা গোয়েন্দা বিভাগের নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা।
তাদের বসতে দিলে শুইতে চায়, শুইতে দিলে কতদিন থাকতে চায়
থাকতে দিলে অন্তর্গত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

তাই পা টিপে পথ চলি, খানা খন্দর দেখে চলি
খাবার আগে ভেবে নিই, এটা আমার উপার্জিত শ্রমের, না বাবার ?
না কারো উপহারের ? না আমার শ্রদ্ধেয় শ্বশুরের?

মেধাবী যুগে মানুষের সাথে মেশা ভার
আমি নই কারো কেউ না নয় আমার ।
০৭.০৭.২০১৪
জীবনযাপন প্রণালী //
শাফিক আফতাব //

পারতপক্ষে ইচ্ছে করে কারো সাথে কথা বলতে যাই না
কেউ বললে সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয় ঝটপট কেটে পড়ি
কেনো না এ যুগের মানুষ বড়ই চতুর !
কথায় তেনা চেঁড়ে, উচ্চারণগত ত্রুটি ধরে, কী খেলাম, কী করে খেলাম ?
কীভাবে থাকি, নিজের বাড়ি না ভাড়া বাড়ি ?
ভাড়া হলে ভাড়া কত? স্ত্রী পুত্র কয়টি, স্ত্রীর বাপের বাড়ি ? ইত্যাদি

তারপর আবার ব্যাংক ব্যালেন্স কত হলো, ঢাকায় কোনো প্লট কিনেছেন কি না ?
এখন কত বেতন পান ? জমির দাগ খাতিয়ান এমত প্রভৃতি ।

পারতেপক্ষে আমি তাই এড়িয়ে চলি,
কেনো না আমার আপন যন্ত্রেই যেখানে থাকে না প্রাকৃতিক গ্যাস
রুটিরুজির জন্য হন্য হয়ে ঘুরতে হয় শহরের দশদিক
সত্য আর সুন্দরের জন্য যেখানে পদে পদে হিমসিম খেতে হয়
সেখানে আবার তেনাচেড়ার সময় !

তাছাড়া এযুগের মানুষগুলো তুখোর গুপ্তচর
কিংবা গোয়েন্দা বিভাগের নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা।
তাদের বসতে দিলে শুইতে চায়, শুইতে দিলে কতদিন থাকতে চায়
থাকতে দিলে অন্তর্গত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

তাই পা টিপে পথ চলি, খানা খন্দর দেখে চলি
খাবার আগে ভেবে নিই, এটা আমার উপার্জিত শ্রমের, না বাবার ?
না কারো উপহারের ? না আমার শ্রদ্ধেয় শ্বশুরের?

মেধাবী যুগে মানুষের সাথে মেশা ভার
আমি নই কারো কেউ না নয় আমার ।
০৭.০৭.২০১৪

হে কিশোরী, এসো তোমার কাছে গোলাপ কিনি
-------------------------------

হে কিশোরী, না হয় গোলাপ নাই দিলে
এসো তোমার কাছে গোলাপ কিনি।

তবু ভালোবাসার পাবার খেদ মিঠুক,
জংধরা অধরে ভালোবাসা ফুটুক।

হে কিশোরী আমার দিকে নাই চাহিলে
আকাশ দেখো __
নেপথ্যে তোমার খোঁপা দেখি,
তাতেই জুড়াবে প্রেমের পুলকপাখি।

হে কিশোরী ভালোবাসা নাই বাসিলে
চোখে চোখ রাখো একবার,
তাতেই আমার অপার বিস্তার __
তাতেই ভিজি প্রেমের সলিলে।

হে কিশোরী, গোলাপ তুমি নাইবা দিলে
এসো তোমাকে কাছে গোলাপ কিনি।
০৭.০৭.২০১৪


গতিরোধ //
শাফিক আফতাব //

আমার পথে আমি যেতে চাই, তোমরা ঈর্ষা করো
আমার কথা আমি বলতে চাই, তোমাকে কানে তালা দাও
তোমাদের মিথ্যার মুখোশ খুলে দিতে চাই, তোমার শত্রু ভাবো
আমি কিছু বলতে চাই না, তোমার উত্তপ্ত হও।

কারো পাকা ধানে দেই না মই,
বরং আমারী ধান পেকে গেলে তোমার হিংসা করো
কারো পুকুর করি না চুরি
তবু নিশিতে অস্ত্র ধরো।

তোমরা দাও অবৈধ তর্জনীসংকেত
তোমরা হারাম খেয়ে আরাম করে মোলায়ম ঘরে
তোমার রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হও
মনে হয়ে বর দিয়েছে তোমাদের কোন যাদুকরে।

আমার পথে আমি যেতে চাই তোমরা গতিরোধ করো
তোমাদের গোপন খবর বলতে চাই, আমাকে অস্ত্র ধরা।
০৭.০৭.২০১৪

উজাড় //
শাফিক আফতাব //

আমি বলিনি তুমি কাছে বসো, তা দাও
তুমিই অনুকূল হয়েছিলো
আমি তো প্রতিকূলেই ছিলাম, তুমি নিবিড় করে নিলে।

আমার জমানো সবটুকু ভালোবাসা উজাড় করে দিলাম
আমাদের হৃদয়ের সবটুকু অভিবাদন তোমাকে দিলাম
আজন্ম জমানো আমার কথার ফুলগুলো তোমার স্পর্শে ফুটলো
ভালোবাসার ভ্রমরগুলো কাছে এসে জুটলো
আর তুমি চলে গেলে
অথই পাথারে আমি রাত্রির গভীরে নিঃসঙ্গ থাকি
ভোরের বিহঙ্গ করে ডাকাডাকি
অথচ তুমি ফিরলে না, ফিরলে না,
আমার ভালোবাসাগুলো ফেরত দিলে না, দিলে না।

আমি অনধিকারে প্রবেশ করিনি তোমার সংরক্ষিত এলাকায়
তুমি প্রবেশের অনুমতি দিয়ে আমাকে উজাড় করেছো।
০৭.০৭.২০১৪
প্রেক্ষাপট //
শাফিক আফতাব //

তোমরা নিজেই খুঁজে দেখো পায়ূপথ, আকাশ পথে কেনো চাও
তোমরা খুঁজে দেখো, আপন অপসারনী, শুনছে কেনো আকাশবাণী
দর্পণে গিয়ে নিজের দিকে তাকাও
দেখো তোমার কত রূপের ঝলকানি।

নিজের অর্শের জ্বালায় সারারাত বিনিদ্র থাকো
অথচ অর্শগেজ ভগন্দরের ডাক্তার হয়ে খুলেছে চেম্বার
চুরি ডাকাতি করো, অথচ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার
চোরের মাল ভেঙে আবার ফলে ফরমালিন মাখো।

রাত্রিবেলা ধর্ষণ করে পঞ্চাযেত কমিটির হয়েছে প্রধান
ধর্ষকের বিচার করে সাজা দিলে একশত বেত্রাঘাত
নামাজ পড়োনা অথচ মুয়াজ্জিনকে দিতে বলো আজান
দুর্নীতিদমন করো অথচ নিজেই বাঘা ডাকাত।

এই তো আমাদের প্রিয় স্বদেশের শিক্ষিত মার্জিত জন
আপন চিকিৎসা না করে অপরের রোগ করে উপশম।
০৭.০৭.২০১৪

কুকুরের লেজে মেখেছি তেল
মানুষেরে আমি করেছি আপন
বাইসাইকেলের মেরেছি পেটেল
এ কেমন আমার জীবনযাপন।

কুকুরের লেজ তো হয় না সোজা
মানুষগুলোর চক্ষু বোজা
সাইকেলে আমার ধরেছি জং
প্রেমার কত অহেতুক ঢং।

নির্জন ঘর বসে থাকি তাই
মিছামিছি দিগন্তে তাকাই
মানুষেরে কাছে যাই তো বৃথাই
সবাই তো আজ অলিক শাঁই

কুকুরের লেজ কোনোদিন হবেনা সোজা
চিরদিন থাকবে মানুষের চক্ষু বোজা।


সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১১:১৬
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×