নদীর পাড় ভেঙে সমুদ্রে হারাবার মতোন আমরা
পৃথিবীর পাড় থেকে ছিটকে মহাশূন্যে মিশে গেলাম ।
মনে হলো উঁচু ঢাল থেকে গড়াতে গড়াতে আমরা পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে পড়ে যাচ্ছিলাম
এই কঙ্কালের ভেতর থেকে বের হয়ে আমরা কোথায় যেন পালাচ্ছিলাম।
এক অনন্তের পুলিশের কাছে দিতে ধরিত্রি মাতা আমাদের হাতের আংটা খুলে নিয়েছিলো।
কেনো তবে প্রকৃতির এই রুদ্ধরূপ ?
সে-ই কি জন্মায় নি আমাদের__তার বুকের দুধে বাঁচিয়ে রাখেনি পৃথিবীর প্রাণীসকল ?
তার ঝর্ণার জল, ফুল ফল আর ফসলের সম্ভারে আহার দেয়নি কি আমাদের ?
ধরিত্রি মাতা তবে কেনো মুখ ফেরাতে চায় ?
সংক্ষুব্ধ মানুষের মতোন পৃথিবী কেঁপে উঠলো __
কী যেন বলতে চেয়ে থেমে গেলো আবার __
আমরা থরথরে কাঁপতে থাকলাম __
স্নেহময়ী মায়ের মতোন পৃথিবী অনেক কথা মুখে জমা রেখে আবার থেমে গেলেন।
আমরা স্থির হলাম,
ভাবলাম ; এবার তাহলে রাগ সংবরন করেছেন ধরিত্রি।
তবু ভয়ে ভয়ে রাত্রি যায়__মিশকালো আঁধারে মা আমাদের ঘুমে রেখে পাশের বাড়ি যায় ?
যদি বুধ কিংবা নেপচুনের সঙ্গে সখ্যতা করে __
আমরা পৃথিবীর মানুষ তবে কী করে অভিবাসী হবো মহাশূন্যে ?
২৯.০৪.২০১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


