আমার সবটুকু দৈর্ঘ তোমাকে দিলাম __আর অমনি আকাশের তারার ঝিলিক
দিগন্তের দিকে প্রসারিত করলো হাত
তুলতুলে ফুলের ঘ্রাণে যখন হৃদয়ের চৈত্রে আসলে বৈশাখের বৃষ্টি
আকাশের চাঁদটা তখন খাড়া মাথার উপরে।
তুমি আমাকে ভুল ভেবেছিলে __অথচ আজ বিনা পরোয়ানায় ধরা দিলে নিশিরাতে
নিজেই হাঁটাতে নিয়ে গেলে নেপচুনের নির্জন সন্ধ্যায়__
সেখানে গোলপাতা ছাউনি, পুকুরের নীল জল, শাল সেগুন আর মেহগনির বিজন প্রান্তরে
বুনোফুলের ঘ্রাণ__কিচির মিচির করছে অচেনা পাখিসব __ বুনোহরিণ কী সুন্দর ঘাসের মাঠে
চড়ে বেড়াচ্ছে। আমরা ঝরাপাতাদের ভীড়ে হেঁটে হেঁটে গেলাম তেপান্তরের মাঠ।
তুমি নিজেই খুলে দিলে অন্তর্গত সুুন্দরের অরণ্যে ভ্রমণের টিকেট __
গেট পাশ নিয়ে যখন ঢুকেছি সেন্টার্ল পার্কের ভেতর __আর অমনি দেখি পৃথিবীর সবচে অনুভবময়
এক স্নিগ্ধ নগরী সেখানে। সমস্ত নগরী ঘুরেফিরে যখন ফিরছি আমি আমার সীমানায় __
তখন আমার দৈর্ঘের সবটুকু আনন্দ যেন পুজো ভেবে তুমি ধারণ করলে __
বহুদিনের আনন্দ ভ্রমণ শেষে যখন নিজকে সামলে নিয়ে যাবো বাথরুমে
তখন বুঝলাম __এতক্ষণ ছিলাম আমি অঘোর ঘুমে....
০৪.০৫.২০১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


