শত বছরের ও অধিক প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ইতিহাসে আজ স্মরনকালের কলঙ্কের দিন।নিজেদের ন্যায্য অধিকারের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ রক্তঝরেছে ছাত্র ছাত্রী এবং সন্মানিত শিক্ষকদের ।
সেই ২০০৫ সালে সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর ই বিভিন্ন সময়ে হল নিয়ে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা ।প্রশাসনের আশ্বাসের ছোড়াছুড়ি ,ভিসিরা আসেন ভিসিরা যায় ,সরকার আসে সরকার যায় আর সোভাগ্য বলে মাঝে মাঝে আসেন নেতা নেত্রিরা পিলার উদ্ভোধন কারতে ।এভাবেই ঘুরছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষার্থীরা ভাগ্য ।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২২ টি হল আজ ভুমিদসসুদের দখলে,প্রশাসনের সর্বোচ্ছ মহলের নজর থাকা সত্ত্বেও নেয়া হচ্ছে না বিশেষ কোন উদ্দ্যেগ।যার কারনে শিক্ষার্থীরা বার বার ফুসে উঠতে বাধ্য হচ্ছে ।সর্বশেষ পুরান ঢাকার গডফাদার হাজী সেলিমের হাত থেকে তিব্বত হল এর দখল নেয়া নিয়ে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা।বার বার শিক্ষার্থীরা আল্টিমেটাম দেওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের উদাসীনতার কারনে শিক্ষার্থীদের মাঝে আরও বিক্ষুব্দ হয়ে ওঠে তাই আজ তিব্বত হল দখল করতে যায় তারা।
কিন্তু বিনা উস্কানিতে নির্বিচারে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় পুলিশ। পুলিশের ছিটা গুলি,লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল থেকে খাবার ক্যান্টিন থেকে শুরু করে মেয়েদের কমন রুম, এমন জায়গা নেই যেখানে বাদ পরেনি। আহত হয় ছাত্র শিক্ষক সহ তিন শতাধিক।
বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান আহত
প্রশ্ন
১।কার স্বার্থে ,কার নির্দেশে এই কলঙ্ক জনক হামলা?
২। হাজী সেলিম সহ ভুমিদসসুদের সম্পদ রক্ষা কি ছাত্র-ছাত্রী দের জীবনের চেয়ে দামী ?
৩। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর ২২ হাজার শিক্ষার্থীদের আর কত হলের জন্য প্রহর গুনতে হবে?
৪।সরকারের উচ্চ নীতি নির্ধারক মহলের এ বিষয়ে নজর থাকা সত্ত্বেও নীরব কেন?
নর্থব্রুক হল ১৯০৪ সালে তোলা ছবি।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




