somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২১ ফেব্রুয়ারীর মূলের কথা কি !n

১৯ শে জুলাই, ২০১৫ সকাল ১০:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২১ ফেব্রুয়ারীর মূলের কথা কি জানে আমাদের ডিজুয়েস পোলাপান ?
ওহ! মূলের কথা জানলে তো আর ডিজুয়েস থাকবে না, মৌলবাদী হয়ে যাবে ।
==================
‪#‎ মহান‬ভাষাআন্দোলনের মূল উদ্যোগতা ছিল তমদ্দুন মজলিস (সংগঠন)।
তমদ্দুন মজলিসের প্রধান ব্যক্তি ও প্রাণপুরুষ ছিলেন মরহুম প্রিন্সাপ্যাল আবুল কাশেম । ভাষা আন্দোলনে তমদ্দূন মজলিসের মূল চিন্তা ছিল অধিকারের বঞ্চনা থেকে মুক্তি । পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কিছুদিনের মধ্যেই উর্দূকে এতদঞ্চলে প্রশাসনিক ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রচলনের প্রয়াস লক্ষ্য করা যাচ্ছিল । অতীতের পরীক্ষিত বাস্তবতা হল, ভাষার জটিলতা একটি জাতিকে বিভিন্ন ভাবে কোনঠাসা ও পশ্চাদপদ করে দিতে সক্ষম । সে কারণেই তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষে ব্যাপকভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রোগ্রাম শুরু করে । ......,
__ভাষা সৈনিক অধ্যাপক আব্দুল গফুর
==================
‪#‎ বলা‬বাহুল্য আটচল্লিশের ১১ মার্চে বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সেক্রেটারিয়েট ঘেরাও , বায়ান্নর ২১ ফেব্রুয়ারীতে মিছিল ও মিছিলে গুলি চালানোর পর তা নিয়ে প্রতিবেদন সব কিছুর নেতৃত্তবে ছিল তমুদ্দুন মজলিস ।
‪#‎ তমদ্দুন‬মজলিস একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা করে।
__তথ্যসূত্রbr /> উইকিপডিয়া ।
==================
‪#‎ এখন‬আমাদের ডিজিটাল যুগের কথিত সূশীল সমাজের ধ্বজাধারীরা যারা নিজেদের সন্তানদের এমন ডিজুয়েস বানিয়ে রেখেছে যে , ইসলামী সংগঠনের নাম শুনলে ভাবে এই তো মৌলবাদীর দল । এদের থেকে থেকে দুরত্ত্ব বজায় রাখা ভাল । অথচ সেই ইসলামী সংগঠনের অর্জিত ২১ আসলে তাদের তোলপাড়ে কানে তালা লেগে যায় । এদের মুখের ভাষা বাংলা না বাংরেজি বোঝা কঠিন ।
==================
‪#‎ যাক‬পোলাপানের কথা বাদ দিলাম । এবার আসি চেতনাধারীদের কথায় ।তারা ইংরেজিতে কথা বলাকে সভ্যতা মনে করে, দু’শব্দ ইংরেজিতে বলে গর্ববোধ করে। অফিস-আদালতে পুরোদমে চলে ভিন্ন ভাষার দাপট। এই যদি হয় বাংলার প্রতি কৃত্রিম ভালোবাসার নমুনা তাহলে বায়ান্নর শহীদানের ত্যাগ-তিতিক্ষারপ্রয়োজনই বা কি ছিল? এ জন্যই কি তাজা খুনে রাজপথ তারা রাঙায়িত করেছিল? চেতনাধারীরা ২১ আসলে শহিদমিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে চেতনা প্রকাশ করে । তাদের ভিতর আবার ধর্মদ্রোহী স্যেকুলাররাও আছে । আর হিন্দুরা তো বেদিতে ফুল দেবে এটা তাদের ধর্ম । কিন্তু চেতনাধারীরা ঐ সময় মনে হয় অচেতন হয়ে যায় । যে , ইসলামী সংগঠনের শহিদদেরকে হিন্দুয়ানী রীতিতে পূজা করা হচ্ছে । যাদেরকে এ যুগে হলে মৌলবাদী বলে হয় তো নিরাপদ দূরত্ত্ব বজায় রাখত ।
‪#‎ এবার‬হিন্দুদের নিয়ে কিছু বলি । ২১ এলে তাদের কতিপয় কালোবিড়াল মার্কা লোক এমন ভাব দেখায় যে বাংলা ভাষার মালিক মনে হয় হিন্দুরা । তাদের মনে রাখা উচিত যে ভাষা আন্দোলনের মূলে মুসলমানদের অবদান । ২১ শে তে তারা মুসলমানদের পূজা করে । ( ইসলামে এটা বৈধ নয় )
আর সকল ডিজুয়েস পোলাপান , চেতনাধারী , স্যেকুলার, হিন্দুদের মনে রাখতে হবে ভাষা শহিদদের কেউ অমুসলিম অথবা স্যেকুলার ছিলেন না । সবাই মুসলিম ছিলেন । যদিও রাজনৈতিক ফায়দার কারণে ভাষা আন্দোলনে বিভিন্ন মতাদর্শের লোক জড়িত ছিল । স্যেকুলার , কমিউনিস্টের কেউ কেউ ছিল ।
==============
এবার আসি মুসলমানদের কথায় । কাউকে ছাড় দিচ্ছি না ইনশা আল্লাহ । মুসলিম বিশ্বের অহঙ্কার, ইসলামী শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) বাংলাদেশের এক উলামা সেমিনারে বলেন যে, আমার কথা আপনারা লিখে রাখুন। দীর্ঘ জীবনের লব্ধ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি উদাসীনতা প্রদর্শন কিংবা বিমাতাসুলভ আচরণ এদেশের আলেম সমাজের জন্য জাতীয় আত্মহত্যারই নামান্তর হবে।
বাংলা ভাষাকে অন্তরের মমতা দিয়ে গ্রহণ করুন এবং মেধা ও প্রতিভা দিয়ে বাংলা সাহিত্য চর্চা করুন। কে বলেছে, এটা অস্পৃশ্য ভাষা? কে বলেছে এটা হিন্দুদের ভাষা? বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় পুণ্য নেই, পুণ্য শুধু আরবিতে-উর্দুতে,কোথায় পেয়েছেন এ ফতোয়া? এ ভ্রান্ত ও আত্মঘাতী ধারণা বর্জন করুন। এটা অজ্ঞতা ও মূর্খতা। আগামী দিনের জন্য এর পরিণতি বড় ভয়াবহ। (১৯৮৪ সালের ৪ মার্চ প্রদত্ত ভাষণ) বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের উদাসীনতা দেখে আল্লামা নদভী (র.) আবেগমাখা কণ্ঠে এ কথাগুলো বলে আমাদের সুপ্ত চেতনাকে জাগ্রত করতে চেয়েছেন। জানি না আমাদের বোধোদয় কবে হবে।
* আমি মূলে বিশ্বাসী একজন সাধারণ মানুষ । তাই মূল নিয়ে কিছু কথা বললাম । আগাবাদে বিশ্বাস করি না তাই আমি একজন মৌলবাদী হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি ।
Copy from__ফকির মাস্টার
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×