পাকস্থলী ফুটো করে এক সময় বেহায়া চাঁদটা
সেঁধিয়ে যায় শরীরের নরম বিছানায়।
ভিক্ষার থালাটা কটমট করে চেয়ে দেখে
নোংরা পলিথিন আর চটে ঢাকা
ঝাঁঝরা চালের ফুটোগুলোর দিকে।
আর্সেনিকমুক্ত বৃষ্টির পানি গড়ায়
পুলিশের লাঠির গুঁতোয়।
দানব ট্রাকগুলো বিনানোটিশে
ভাঙ্গে অবৈধ ঘুমের প্রাচীর।
মহা জ্বালাতন!
রোজ রাতে নেশার আসর বসে আমার দাওয়ায়।
মাস কাবারে ভাড়া, মুখ বুঁজে সহ্য করি
শালা বেইমান বস্তির নেড়ি কুত্তাটারে।
আমার মত সমাজটারে প্রতি রাতে পঙ্গু করে
ছোট ছোট কাগজের পুড়িয়া আর "ডাইল"-নেশার নেশায়।
ধীরে ধীরে আমায় ছেড়ে সুরম্য অট্টালিকাগুলোর
পাকস্থলী ফুটো করে নেশার জোসনা।
ঢুকে পড়ে থাই গ্লাসে ঢাকা বিশুদ্ধ সতেজ ফুসফুসে।
নেতার বংশধর যারা জোসনার আলোয় মাতে,
টের পায় অনেকদিন বাদে-
যে নেতা পালে বস্তির এই কুত্তাগুলারে।
ঘেউ ঘেউ করে রোজ টাকার জন্য_ তারই কানের কাছে।
মতিঝিল: সন্ধ্যার পর অফিন ঘরের জানালা দিয়ে আরামবাগের বস্তিতে যা দেখি_
15.03.2005

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

