ভাগ্য ভাল ছিল বলে, অন্তত পাঁচবার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেছি এ যাত্রায়। এবং ঘটনাটা সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত আড়াইটার মধ্যেই ঘটে। তাও নরসিংধি থেকে সিলেট শহর পর্যন্ত যে রাস্তা, তার ভেতর।
আপনি কল্পনা করুন, দুই লেনের একটা রাস্তা, তার মধ্যে একসঙ্গে কয়টা গাড়ি এক অপরকে ওভারটেক করে। আমি বাস ড্রাইভারদের রাতে সময়ে বাস চালান দেখে মোটামুটি সিক । বিশেষ করে হানিফ আর শ্যামলী পরিবহনের।
![]()
আমার অনেক বন্ধু এই দুই পরিবহনে ঢাকা সিলেট আসা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু তাদের রাফ ড্রাইভিংয়ের জন্যে। বাসের ভেতর বসে টান টান উত্তেজনায় গাড়ি চালান দেখতে অনেকের ভালই লাগে।
এইবার আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি, কতটা বাজে চালায় ২১ থেকে ৪২ জন মানুষের জীবন নিয়ে। এই বাস ড্রাইভার রা কোন লাইটিং সিগনাল মানে না। বিপরীত দিকে আগত বাহনের চালক তীব্র আলোর ফোকাসে ঠিকমত দেখতে পাচ্ছে কিনা তাও তারা ভাবে না।
![]()
এসব ধরুন ভদ্রতার ব্যাপার। কিন্তু ওভার টেকিয়ের সময়, বিপরীত দিকের গাড়িটা তার বাম পাশের কাঁচা রাস্তায় নেমেও জায়গা করতে পারবে কিনা , সেটাও ভাবে না।
যাই হোক সেদিন ওই ভয়ঙ্কর ৭ ঘন্টায় আমাকে প্রায় ৪০-৫০টার মত বাস আর ২০০টার মত ট্রাক কে পাশ কাটিয়ে যেতে হয়েছে। আর পেছন থেকে এরকমই গাড়ি ওভার টেক করে গেছে।
দু একটা বাস চালক বাদে সব বাস চালকের অবস্থা এমন যে, হয় ওদের মা মারা গেছে অথবা ওদরে মেয়ে রেপড হয়েছে, সেরকম মাথা নষ্ট করে চালায়।
![]()
সেদিক দিয়ে বলব, ট্রাক চালকরা অনেক অনেক গুন ভাল চালায়। অনেক ফরমাল চালায়। অনেক ধৈর্য্য নিয়ে চালায়। আমার তরফ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই ট্রাক চালকদের। এদের কাছে আসলে শেখা উচিত, ড্রাইভিং কি ভাবে করতে হয়।
![]()
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




