somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অপলক
আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

সিলেটে মটর বাইকারদের সরকারি বিড়ম্বনা

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাজ নাই তো খৈঁ ভাজ। সারা সিলেট শহরে এখন পুলিশ + ট্রাফিক সার্জেন্টদের এই অবস্থা। রাস্তার প্রতি বড় বাঁকে বাঁকে পুলিশ চেক পোস্ট বসিয়েছে। আজ আমি ডাক্তারের কাছে চেকআপ করতে গিয়ে রাস্তায় চারবার পুলিশের সার্চের খপ্পরে পড়েছি। তার উপর নতুন আইন শুনলাম, "এক মটর সাইকেলে নাকি এক জনই চড়বে, কোন প্যাছেন্জার থাকার নিয়ম নাই"।

আমি ভাই এই আইন এই প্রথম শুনলাম। আপনারা যদি কেউ জানেন তবে আমাকে শেয়ার করুন।



মজার ঘটনা ১.
পুলিশ: কাগজপত্র আছে?
আমি: জি সাথে আছে
পুলিশ: দেখান।
একটুপর বলছে: কি ব্যাপার রেজিস্ট্রেশান পেপারের কালার অন্য রকম কেন?
বললাম: আমি কিভাবে বলব। যারা দিছে তারা জানবে।
তখন বলল: আপনাকে তো কেস নিতে হবে। আমি বললাম : কেন? কি সমস্যা?
আপনার কাগজে তো ঘাপলা মনে হচ্ছে। আমি বললাম: ঠিক আছে দেন। আমি বিআরটিসি এগিন্সটে কেস দিব।
তারপর কোন কথা না বলে জিঞ্জেস করল: আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখি? ভিআইপি রোড়ে চলেন, সব তো ঠিক থাকতে হবে।
তো আমার লাইসেন্স দেখে বলল : ঠিক আছে জান।



মজার ঘটনা ২.
পুলিশের সিগনাল পেয়ে থামলাম। এগিয়ে এসে বলল: দুজন বাইকে চড়া যাবেনা। একজন নামেন। আমি তো পুরা হাঁ হয়ে গেলাম। তারপর বললাম, কোন সমস্যা হয়েছে আশেপাশে?
পুলিশ: জ্বি না। এটাই আইন। পালন করেন। আর কোন সমস্যা নাই।

সামনে গিয়ে পিছনে আবার পিলো প্যাছেন্জার তুললাম। শাহী ঈদগাহ পয়েন্টে আবারও ধরল। একই ঘটনা । এবার আমি বললাম, আমি তো জানি তিন জনে মটর বাইক চালনোর নিয়ম নাই।

পুলিশ: আপনি ভুল জানেন। দুজনে চালান যাবে না। একজন নামেন। বেশি প্রবলেম হলে, দূরে গিয়ে চড়েন। তবে আজ পুলিশ দেখলেই আপানাকে আটকাবে।

কি যে পেইন এখন সিলেটে বাইক চালান তা ভাষায় বোঝান যাবে না। গত দুই সপ্তাহ হলে পুলিশ + ট্রাফিক সার্জেন্টদের এক্সট্রা লেজ গজাইছে। বাইক চুরি গেলে কিছু করতে পারে না। আবার হেলমেট সু পড়া বাইকারদের ধরে ধরে ভাব মারছে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

জেফরি আর্চারের জগৎ বিখ্যাত উপন্যাস ‘A Prisoner of Birth’ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৭


ছবিতে আমি, মারুফ জামান এবং লেঃ কর্নেল রাজীব।
জেলে থাকতে জেফরি আর্চারের (Jeffrey Archer) লেখা ‘A Prisoner of Birth’ বইটির পড়ার জন্য বলেছিলেন ক্যাপ্টেন (চাকুরিচ্যুত) খন্দকার রাজীব... বইটি সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×