somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হা-ডু-ডু বাংলাদেশের জাতীয় খেলা

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হাডুডু খেলায় তেমন কোন খরচাপাতি নেই। প্রতিপক্ষের ঠ্যাং টেনে ধরে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে না দেয়াই এই খেলার মূল নীতি। এই খেলা বাঙালীর রক্তের সাথে মিশে আছে। পরিবার-পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়েও সেই মূল নীতি প্রয়োগ করা হয়।

এই যেমন ধরুন, শেখ মুজিব রাষ্ট্রপতি হয়ে একটু আরাম আয়েশ করছিল, আপনজনদের একটু আধটু সুবিধা দিচ্ছিল, কিন্তু তাকে অক্কা পাইয়ে দিল। তারপর জিয়া ভাই দেশকে গড়ে তুলছিল শান্তিমত, ইন্ডিয়ার হয়ে বাংলার দুষ্ট ছেলেরা ওপারে পাঠিয়ে দিল। অন্যদিকে এরশাদ চাচা একটু মাগিবাজি আর মাদক পাচার করছিল, সেই শান্তিও কারও সহ্য হল না। তাকেও সরিয়ে দেয়া হল। আবার ঐদিকে খালেদা জিয়া মোটামুটি তারেক আর কোকো কে মদ-মাগি-মাদক নিয়ে ভালই আগাচ্ছিল, দুষ্ট বাঙালীর সেটাও সহ্য হল না। ডিম থেরাপি দিতে দিতে কোকো কোকাতে কোকাতে ওপার, আর তারেক ভাঙ্গা মাজা নিয়ে ব্যারিস্টার।

এদিকে হাসিনা বুবু স্বৈরাচারী চৌদ্দগুষ্টিকে হারিয়ে একটু ক্ষয় ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছিল। গোশত ভুনা করে, পুকুরের মাছ আর হাঁস ভুনা করে জয়কে খাওয়াচ্ছিল, সেই সুখও কারও সহ্য হল না। ঐ যে রক্তে মিয়ে আছে ঠ্যাং টেনে ধরা। বদমাইশ বাঙালী। জয়ের সাড়ে হাজার নিমখারাম ভাইয়েরা গুলি টুলি খেয়েও ঠ্যাঙ ছাড়লো না। হাসিনা বুবুকে দাদাদের হাতে ফেরত পাঠাল। আরে ভাই, বুবু না হয় ওপারের দাদাদের একটু বেশিই ভালবাসতো, তাতো তোদের গা জ্বালা কেন?

এরপর হযরত সুদখোর মাইক্রো ইকোনমিক্সের প্রবক্তা নবেল বিজয়ী বিশ্ববরেন্য আহম্মক স্যার ড.মো. ইউনুস চট্রপুরী দেশের জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগে ১৫ বছরের কাজ ১৫ মাসে করতে গেছেন। হুদাই... এখন তারও ঠ্যাং টেনে ধরা হয়েছে। তার তো বোঝা উচিত, মু্ক্তিযোদ্ধার পক্ষের শক্তি রাজাকার ড. জাফর ইক---বাল, যে ছাত্রদের জন্যে পড়ালেখা প্রায় উঠিয়েই দিচ্ছিল, তারও খেতা ছিড়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে এই বুড়া বয়সে হাডুডু জাতির জন্যে দৌড়াদৌড়ি করা, ভিমরতি ছাড়া আর কিছু না।

এখন তারেক সাহেব ইন্ডিয়ার জন্য হাসিনা বুবুর অসমাপ্ত কাজ করতে দেশে ফিরেছেন, লোকজন তার পিছেও লেগে গেছে। ঐ যে জাতীয় খেলা হাডুডু !!! কয়লা ধুলে ময়লা যায় না, খ্যাসলত যায় না মোলে...



এতো কিছু এক ঝটকায় কেন মাথায় আসলো এবার সেটা বলি। প্রথম আলোতে একটা নিউজ দেখলাম, তিস্তা নিয়ে। চীন বিশাল ঋণের বদৌলতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। এখন কিছু কথা ব্যবসায়ী সেই প্রকল্পের ঠ্যাং টেনে ধরছে। এই প্রকল্প নাকি তিস্তা কে মেরে ফেলবে। একদিকে মানুষ না খেয়ে মরছে। নদী একুল ভাঙে তো ওকুল জবর দখল হয়। ইন্ডিয়ার দাদারা পানি লাগলে পানি দেয় না, আর যখন দরকার নাই, তখন দেয়। সেই ম্যানকা চিপা অবস্থায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা যদিও বা মন্দের ভাল কিছু একটা হতে যাচ্ছিল, সেটাও এখন আর এগোবে কিনা আল্লাহ জানে।

হয়ত এই কথা-ব্যবসায়ীদের ইন্ডিয়ার দাদারা মালপানি খাইয়েছে... নয়ত বোবার মুখে খৈ ফোটে কেমনে?

নিউজটা এখানে: তিস্তা মহাপরিকল্পনার আগে নদী ও প্রকৃতিকে নিয়ে ভাবতে হবে
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলার বিস্মৃত নায়ক এবং এক করুণ অপমৃত্যু

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৩


উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত বাংলার গ্রামে গ্রামে, শহরে শহরে ছড়িয়ে পড়েছিল এক অদৃশ্য আতঙ্ক। মানুষ এই রোগকে ডাকত কালাজ্বর, কালা-দুঃখ, কালা-হাজার, দমদম জ্বর, সাহেবদের রোগ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

হা-ডু-ডু বাংলাদেশের জাতীয় খেলা

লিখেছেন অপলক , ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২০



হাডুডু খেলায় তেমন কোন খরচাপাতি নেই। প্রতিপক্ষের ঠ্যাং টেনে ধরে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে না দেয়াই এই খেলার মূল নীতি। এই খেলা বাঙালীর রক্তের সাথে মিশে আছে। পরিবার-পাড়া মহল্লা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামিলিগের আবদার :D

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২



আওয়ামিলিগের আমলে ঠিক যে যে জিনিস আওয়ামিলিগ করেছে এখন আওয়ামিলিগ সেই সেই জিনিস চায়।
কি এক আইরনি।

বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে আওয়ামীলিগ ৬২ লাখ মামলা দিয়েছে।
তিন তিনটা নির্বাচনের গোয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

লর্ড কার্জন এবং রবীন্দ্রনাথ

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯



১১ জানুয়ারি, ১৮৫৯ সাল।
জন্ম নিলেন এক মহান মানুষ ইংল্যান্ডে। নাম তার লর্ড কার্জন। ইতিহাসকে অস্বীকার করার কিছু নেই। ইতিহাস নিয়েই মানুষ সামনে এগোয়। ১৮৫৯ সাল ছিল একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধ ভাঙার আওয়াজ : সামুতে দশ বছর

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৯



কিছু আওয়াজ থাকে, যা কানে শোনা যায় না—ভেতরে ভেতরে ভাঙে।
কিছু বাঁধ থাকে, যা চোখে দেখা যায় না—কিন্তু মানুষকে থামিয়ে রাখে বছরের পর বছর।
সেই অদৃশ্য বাঁধ ভাঙারই এক নাম—বাঁধ ভাঙার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×