দুপুরের নদী ছুঁয়ে একপাল হাঁস সাঁতরায়
একঝাঁক গাংচিল উড়ে উড়ে খেলে কানামাছি
বিষখালি নদী এসে কেঁপে যায়
পাহাড়ের ঘিরে থাকা শাড়ীর আঁচলে।
আঁচলের গল্পে যে কে বাঁধা,
জল কি তা জানো?
চোখের কোণার অশ্রু শৈশবের কোন মেলা খোঁজে--
পিতামহী-শাদা শাড়ী বিষখালি উজানে হারায়,
বৃক্ষের আশ্রয় ছেড়ে শিমূল তুলারা চলে
বেহালার বালিশের খোঁজে-
একমাঠ সবুজের অস্তিনে ঘুম
নিভে যাওয়া কবেকার স্বপ্নক্লান্ত চোখে!
ক্লান্তিরা ব্যপ্তি ভালোবাসে
দীর্ঘতম যাত্রাক্লান্ত সাঁতারুর বাহু
অতলে বসতি গড়া শৈবালকে তো বোঝে!
কোথায় লুকিয়ে ছিলে শৈবাল আমার
সারাজীবনের শ্রুত আগাছা জড়ায়ে?
আমি যে ঘাসের বুকে বোঝা হয়ে থাকি-
শুয়ে থাকা ঘাস কাঁদে বোধের আড়ালে
কিছুটা নিজের সুখে--কিছুটা তো লোনাজল ভারে!
আমারও তো ইচ্ছে করে জমে থাকা ক্লেদগুলো
জলের সারল্যে ঢেলে দিই---
পাথর, তুমি কি শোনো---
কষ্টগুলো, প্রেমগুলো পৌঁছাতে কি পারে
তোমার তো বুক আছে-শুষে নিতে পারো তার কিছু!
ঘাসের ডগায় শুয়ে পাথরকে চুপি চুপি বলি,
তুমি ছাড়া কিছু নেই
তুমি ছাড়া কেউ নেই এ গল্প শোনার!
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





