মাথার খুলির ভেতর আঁটকে থাকা মগজটি
তোমার জরাগ্রস্থ কিংবা পঁচে গেছে।
অভিনেতা থ্যালামাস দৈত্য হাসিতে ফেটে পড়ে ভীষন
আজকাল সেরেব্রামটি নষ্ট চিন্তায় অভ্যস্ত
অবুরুদ্ধ মগজটির এক ফোঁটা আকাশ ছোঁয়া এখন ভীষন দ্রোহ!
রাত্রির প্রগাঢ় যোনীর ভেতর থেকে উল্লাসে মত্ত প্রিসিন্যাপটিক,
পোস্টসিন্যাপ্টিক নিউরোনটি আজকাল কাঁদতে ভুলে গেছে।
জরাগ্রস্থ পৃথিবীতে শুভ্রতা, শুণ্যে নিনাদ উড়ায় হাইপোথ্যালামাসে।
মানুষ আর কতদিন ভালো থাকবে বলো!
একবিংশ শতাব্দীতে মানুষ নষ্ট চিন্তার ব্যাবসায়ী
বাকীর খাতায় জমা পড়ে থাকে ভালেবাসা নামক, বমি করা উচ্ছিষ্ট!
কবিদের রক্তবমি করা শব্দগুলো অবাসযোগ্য ভীষন
হৃদপিন্ডে বাস করে কুচারিত্রিক দূষিত রক্ত
অথচ কিছুদিন পূর্বেও যেখানে ভালোবাসা জন্মাতো!
তবু কিছু শব্দ-ব্যাবসায়ী কবি হতে চায়
এসব মানবতা-বিক্রেতারা কিন্তু দেহ-বিক্রেতার মতো নয়
দেহবিক্রেতারও এখন শুভ্রতা আছে, শুদ্ধতা আছে।
শব্দ-সঙ্গমে আড়ষ্ট পর্দাবনত নাগরিক মস্তিষ্ক
আর কতই বা শুদ্ধ হতে পারে বলো!
তোমাদের নষ্ট কলমের খোঁচায় গড়ে ওঠা মেকি সভ্যতায়
বেঁচে থাকা আমি আজকাল অসভ্য হয়ে উঠছি ভীষন!
নইলে তোমাদের জন্যে শুধু শুধু ঘৃণা কেনো জন্মাবে
আমার উত্তরাধুনিক মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে?
শাহাদাত নোমান
১২-০৫-২০১৪
খেজুরবাগান,ঢাকা
মধ্যরাত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


