যখন সবাই-
এইখানে এই ভুমে
ভিষণ কপচায় ‘মানুষ না শিল্প আগে’,
ঠিক তখন এই শহরের বুকে-
খেটে খাওয়া দুই যুবক-যুবতীর
বুক জমিন কেঁপে ওঠে-
লুকিয়ে রাখা তীব্রমাত্রার ভু-কম্পনে,
আমি সে শব্দ শুনতে পাই।
তাই লিখে যাই-
শিল্পের ঠিক বিপরীতে দাঁড়িয়ে
‘জীবন থেকে নেয়া’র নতুন আরো একটি স্ক্রিপ্ট।
না; এটি কোনো কবিতা না, গল্প না, চলচ্চিত্র না-
অথবা সব ভালোদের আট কলাম জুড়ে
লেখা কৃত্রিম দেশপ্রেমের ফিচারও নয় এটি।
এটি হতে পারে পিতাহীন কোনো কন্যার প্রতিদিন
বেঁচে থাকার লড়াই; অথবা একদিন যুবক
অস্কার জিতবে অথচ তার আজ চাল ফুরানোর
বিশাল উপাখ্যান।
জানি আমার এই নতুন সৃষ্ট কর্মে কোনো
শিল্প খুঁজে পাবে না কেউ। কারণ; এখানে
শেষ ফ্রেমে দর্শক দেখবে না-
'সুখের সমাপ্তি’।
যুবতী-
দু’ হাতে গুনে পাঁচ’শ, এক’শ তারপরে পঞ্চাশ
মোটে মিলে টাকা সাড়ে ছয়’শ। যুবকও তাই-
তবে দু’টোই আলাদা আলাদা গল্প।
সবই ‘জীবন থেকে নেয়া।‘ যুবতীর নাম কেয়া।
কেয়া এবার মার ঔষধ কিনবে
ছেলেটা বাড়ি ভাড়া যোগাবে-
অথচ এইখানে এই ভুমে চলছে না
আমল অব শায়েস্তা খা-
তাই ওদের বলছে সকলে যেদিকে যাবার যা।
এখনো যুবকের নাম আমি জানি না।
তবে জানি-
এই অনাসৃষ্টির দ্বায়ে হয়তো শিল্পীকুল
আমায় চড়াবেন শুলে-
তবু সব ভুলে; আমি-
এই আমি কি করে
হতে পারি
সালভাদর দালি?
তাই এমন সুখহীন বাস্তবতায়-
তোমাদের প্রভুদের সালাম ঠুকি
আর সাহসের সাথে বলে উঠি-
ওমন শিল্পের নিকুচি করি।
যেখানে আমাদের কথা নেই
এমন দুঃসময়েও।
তাই আমি লিখে যাই-
শিল্পের ঠিক বিপরীতে দাঁড়িয়ে
‘জীবন থেকে নেয়া’র নতুন আরো একটি স্ক্রিপ্ট।
এটি কোনো কবিতা না, গল্প না, চলচ্চিত্র না-
অথবা সব ভালোদের আট কলাম জুড়ে
লেখা কৃত্রিম দেশপ্রেমের ফিচারও নয় এটি।
এটি হতে পারে পিতাহীন কোনো কন্যার প্রতিদিন
বেঁচে থাকার লড়াই; অথবা একদিন যুবক
অস্কার জিতবে অথচ তার আজ চাল ফুরানোর
বিশাল উপাখ্যান। লাল সালাম...
(০৩ মে ২০১৫, পল্টন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


