somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আবির্ভাব সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি অনুগ্রহ ও রহমত হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন; সেজন্য তারা যেন ঈদ মুবারক উদযাপন তথা খুশি মুবারক প্রকাশ করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা সেসব কিছু থেকে উত্তম, যা তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে।” (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৮)

এ ঈদ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র ও সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ; যা ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ তথা পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে সমধিক পরিচিত। যা পালন করা শুধু মুসলমানই নয়, বরং কুল-কায়িনাতের সবার জন্য ফরয-ওয়াজিব।

মূলত পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উদযাপনের ঘনঘটা, ব্যাপকতা, প্রাচুর্যতা এমনকি দায়সারা মানসিকতা উম্মত হিসেবে হাবীবে দোজাঁহা রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আমাদের অন্তরের টানের তথা মহব্বতের মাপকাঠির সূচক নির্দেশ করে। উনার আগমনে খুশি হওয়া তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যথাযথভাবে পালনের অর্থ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মূল ও প্রধান ইচ্ছার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। আর তার বিপরীত হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার মূল ও প্রধান ইচ্ছার প্রতি অসম্মান ও শত্রুতা করা। যা ইবলিসী খাছলত এবং চূড়ান্ত হালাকির কারণ। (নাঊযুবিল্লাহ)

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি অর্থাৎ সৃষ্টি করেছি- রহমতুল্লিল আলামীন তথা সারা বিশ্বের রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি অর্থাৎ সৃষ্টি করেছি।” মূলত এই আয়াত শরীফ মুবারক উনার অনেক ফযীলত। যা অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে।

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা ফাতহ শরীফ উনার ৮-৯ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি অর্থাৎ সৃষ্টি করেছি- সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারীরূপে। অতএব, তোমরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি ঈমান আনো এবং উনার মুবারক খিদমত কর, মুবারক তা’যীম-তাকরীম কর সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে উনার মুবারক ছানা-ছিফত প্রশংসা মুবারক করতে থাকো।”

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা সাবা শরীফ উনার ২৮ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক ফরমান- “হে আমার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি অবশ্যই আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষই তা জানে না বা বুঝে না।”

উল্লেখ্য, আজকে গণমাধ্যমকে বলা হয় মিডিয়া। সবকিছু জানার জন্য মানুষ এই মিডিয়ার উপরে নির্ভর করে। মিডিয়া জানিয়েছে- পৃথিবীতে প্রতি সেকেন্ডে ১.৭৮ জন, প্রতি মিনিটে ১০৭ জন, প্রতি ঘণ্টায় ৬,৩৯০ জন এবং প্রতিদিন ১,৫৩,০০০ লোক মারা যাচ্ছে।

কিন্তু মিডিয়া মানুষকে জানাতে পারেনি যে মানুষের মৃত্যুর পরে কি অবস্থা হয়? মানুষের প্রবৃত্তি কী? মানুষের পরিণতি কী? ক্বিয়ামত কী? জাহান্নাম-জান্নাত উনার বিষয় কী?

কিন্তু এসব সম্পর্কে মানুষকে পরিপূর্ণ এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ ইলম মুবারক দিয়েছেন আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত। (২) আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত কি? (৩) এবং আপনি কি জানেন, আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত দিবস কি? অর্থাৎ আপনি জানেন আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত দিবস সম্পর্কে। (৪) সেদিন বা যেদিন (ক্বিয়ামতের দিন) মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের ন্যায়। (৫) এবং পর্বতসমূহ হবে ধুনিত তুলা বা রঙিন পশমের ন্যায়। (৬) অতঃপর নেকীর পাল্লা ওজনে ভারি হবে। (৭) অতঃপর সে জীবনযাপন বা বসবাস করবে সন্তুষ্টির মধ্যে সন্তুষ্টচিত্তে। (৮) এবং অতঃপর নেকীর পাল্লা ওজনে হালকা হবে। (৯) অতঃপর তার আশ্রয়স্থল হবে হাবিয়াহ দোযখে। (১০) এবং আপনি কি জানেন, উহা (হাবিয়াহ) কি? অর্থাৎ আপনি জানেন। (১১) হাবিয়াহ হলো প্রজ্জ্বলিত অগ্নিকু-। (পবিত্র সূরা ক্বারিয়াহ শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) আধিক্যের লালসা (দুনিয়ার লোভ) তোমাদেরকে (আল্লাহ পাক উনার থেকে) গাফিল করে রেখেছে। (২) যে পর্যন্ত না তোমরা কবরস্থান যিয়ারত কর অর্থাৎ ইন্তিকাল পর্যন্ত। (৩) কখনই নয়, অতিশীঘ্রই জানতে পারবে। (৪) অতঃপর কখনই নয়, অতিশীঘ্রই জানতে পারবে। (৫) কখনই নয়, যদি তোমরা ইলমুল ইয়াক্বীন দ্বারা জানতে অর্থাৎ নিশ্চিত জানতে। (৬) নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই তোমরা জাহান্নাম (জাহীম) দেখবে। (৭) অতঃপর নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই তোমরা উহা আইনুল ইয়াক্বীন অর্থাৎ চাক্ষুষ বা প্রত্যক্ষভাবে দেখবে। (৮) অতঃপর সেদিন (ক্বিয়ামতের দিন) তোমরা নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই জিজ্ঞাসিত হবে প্রাপ্ত নিয়ামত সম্পর্কে। (পবিত্র সূরা তাকাছুর শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) প্রত্যেক সম্মুখে দোষারোপকারী ও পশ্চাতে গীবতকারীর জন্য ধ্বংস, জাহান্নাম ও আফসুস। (২) যে মাল জমা করে ও গণনা করে। (৩) সে ধারণা করে, নিশ্চয়ই তার মাল স্থায়ীভাবে তার সাথেই থাকবে। (৪) কখনও নয় (যা সে ধারণা করে) অবশ্যই সে হুতামাতে (জাহান্নামে) নিক্ষিপ্ত হবে। (৫) আপনি কি জানেন, হুতামাহ কি? অর্থাৎ আপনি জানেন, হুতামাহ কি। (৬) আল্লাহ পাক উনার প্রজ্জ¦লিত অগ্নি। (পবিত্র সূরা হুমাযাহ শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (৭) এবং নিশ্চয়ই সে (মানুষ) নিজেই এ বিষয়ে সাক্ষী বা অবহিত। (৮) এবং নিশ্চয়ই সে (মানুষ) ধন-সম্পদের মোহে কঠিনভাবে মোহগ্রস্ত। (৯) তবে সে (মানুষ) কি জানে না যখন উত্থিত হবে কবরসমূহে যা কিছু রয়েছে। (১০) এবং তখন প্রকাশ করা হবে অন্তরে বা বক্ষসমূহে যা কিছু রয়েছে। (১১) নিশ্চয়ই তাদের রব তাদের সেই কঠিন দিন সম্পর্কে পরিপূর্ণরূপে অবহিত আছেন। (পবিত্র সূরা আদিয়াত শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) যখন যমীনকে তার উপযুক্ত কম্পনে প্রকম্পিত করা হয়। (২) এবং যমীন বের করে দিবে তার সমস্ত বোঝাসমূহ। (৩) এবং মানুষ বলবে তার কি হলো। (৪) সেদিন যমীন তার (উপরে ঘটে যাওয়া) সমস্ত সংবাদ বর্ণনা করবে বা বলে দিবে। (৫) কেননা আপনার রব তায়ালা তাকে (এরূপ বলতে) আদেশ করবেন। (৬) সেদিন মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে দলে দলে প্রকাশ পাবে বা প্রত্যাবর্তন করবে যেন তাদেরকে দেখানো হয় তাদের কৃত আমলসমূহ অথবা যেহেতু তাদেরকে তাদের কৃত আমলসমূহ দেখানো হবে। (৭) অতঃপর যে জাররা পরিমাণ নেক কাজ বা আমল করবে তা সে দেখতে পাবে। (৮) এবং যে জাররা পরিমাণ বদ কাজ বা আমল করবে তাও সে দেখতে পাবে। (পবিত্র সূরা যিলযাল শরীফ)

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ‘জাহান্নাম’ শব্দটি এসেছে ৭৭ বার এবং ‘জান্নাত’ শব্দ মুবারকটি বিভিন্নভাবে এসেছে ১৪৭ বার। উল্লেখ্য, অতি সামান্য ক্ষণের দুনিয়াবী জীবন যাপনের পর জাহান্নাম বা জান্নাত মুবারক-ই একজন মানুষের শেষ পরিণতি। কিন্তু সে জাহান্নাম ও জান্নাত মুবারক উনার বিষয় আজকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে চরমভাবে উপেক্ষিত, অনালোচিত তথা লুকায়িত।

কিন্তু উম্মতের কান্ডারী, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঠিকই উম্মাহকে এ বিষয়ে পূর্ণ অবহিত ও সতর্ক করেছেন।

কাজেই উম্মাহর উচিত- এ বিষয়ে সতর্ক হয়ে পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মোতাবেক জীবন-যাপন করে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এবং সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ উনাদের সাথে গভীর নিছবত মুবারক তায়াল্লুক মুবারক স্থাপনে কোশেশ করা।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইরান বনাম ইজরাইল আমেরিকা যুদ্ধ; কার কি লাভ?

লিখেছেন খাঁজা বাবা, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮



২০০৬ থেকে আহমাদিনেজাদ ইজরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে, আমেরিকা ২০০২ থেকে ইরানে হামলার প্ল্যান করছে, নেতানিয়াহু ৪০ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছেন ইরানে হামলা করার। তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিথ্যাবাদী কাউবয় "ট্রাম্প" এবং ইরান যুদ্ধের খবর

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯


দিনের শুরুটা হলো ট্রাম্পের মিথ্যা দিয়ে। তিনি লিখলেন: "ইরানে সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে, যা আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করবে।" পরে জানা গেলো, ট্রাম্প যথারীতি মিথ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার হারিয়ে যাবার গল্প

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২

তোমাকে আমি কোথায় রাখি বলো,
চোখের ভিতর রাখলে
ঘুম ভেঙে যায় বারবার,
বালিশের নিচে রাখলে
স্বপ্নে এসে কাঁদো।

তুমি কি জানো
আমার এই শরীরটা এখন
পুরোনো বাড়ির মতো,
দরজায় হাত দিলেই কেঁপে ওঠে,
জানালায় হাওয়া লাগলেই
তোমার নাম ধরে ডাকে।

আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানব সভ্যতার নতুন অধ্যায়

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৭


আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
তারিখঃ ২৪ শে মার্চ, ২০২৬
সময়ঃ বিকাল ৪টা, (নর্থ আমেরিকা)
আমেরিকার কংগ্রেস স্বীকার করে নিল ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব। স্বীকার করে নিল পৃথিবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই কালরাতে Operation Searchlight নামের বর্বর অভিযানের মাধ্যমে পাক আর্মি নিরস্ত্র বাঙালির উপর ইতিহাসের জঘন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×