ইসলামের ছদ্মনামে মেওয়াতী তবলীগ চরম গোমরাহী ফেরকা তথা ৭২টি জাহান্নামী দলের একটি । এই সংঘঠনটি ১৯২৬ ইং সালে বর্তমান ভারতের > মেওয়াত নামক শহর হতে কার্যক্রম শুরু করে । তার অনুসারীরা তাকে হজরত জী বলে ডাকে । ইলিয়াছ মেওয়াতী ১৮৮৫ ইং সালে জন্ম গ্রহণ করে এবং ১৯৪১ ইং সালে মৃত্যু বরণ করে ।
বাংলাদেশ সহ প্রায় সারা বিশ্বের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানগন, তাদের বাহ্যিক লেবাস দেখে তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে দ্বীনের প্রকৃত ধারা হতে যেমন সরে যাচ্ছে তেমনিভাবে তাদের আকিদাকে সঠিক মনে করতেছে । কিন্তু সত্য অনেক ভিন্ন । কারনঃ-
* ইসলামের উছুল হলো পাঁচটিঃ কলেমা, নামাজ, রোজা, যাকাত ও হজ্ব । কিন্তু ইলিয়াছ শান্তি, মুক্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলামের পঞ্চবেনা ভেঙ্গে মনগড়া ছয় উছুলে রূপান্তর করেছে । যথাঃ- কলেমা, নামাজ, একরামুল মুছলেমীন, এলেম ও জিকির, ইখলাছে নিয়্যাত, দাওয়াত ও তবলীগ ।
* মৌঃ শিব্বির আহম্মদ দেওবন্দী মোকালাতুস সদরইন নামক কিতাবে লিখেছে- মৌঃ ইলিয়াছ মেওয়াতীকে বৃটিশ গভঃ-এর পক্ষ হইতে নিয়মিত ৬০০ টাকা করে মাসিক ভাতা দেয়া হত । প্রক্ষাত ঐতিহাসিক জনাব মাওলানা গোলাম মেহের আলী সাহেবের দেওবন্দী মাজহাব নামক কিতাবেও এই ভাতা প্রাপ্তির কথা উল্লেখ রয়েছে ।
* ইলিয়াছ মেওয়াতী তার বিশ্বস্ত শিষ্য জহিরুল হাসানকে তার আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে গিয়ে বলেছে যে, জহিরুল হাসান আমার গোপন রহস্য কেউ জানেনা, লোকজন মনে করছে এটা নামাজের আন্দোলন, আমি কসম খেয়ে বলছি এটা কোন নামাজের আন্দোলন নয় । একদিন খুবই আক্ষেপ করে বললেন, মিয়া জহিরুল হাসান আমার উদ্দেশ্য হলো নতুন একটি কওম তথা দল সৃষ্টি করা । ( দ্বিনী দাওয়াত উর্দু রেছালার ২৩৪ পৃষ্ঠা )।
*তবলীগ জামায়াতের চিল্লা- আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করার চেয়েও শ্রেষ্ট । ( মালফুজাত- ৬৭, ৬৮, ১২৩ পৃষ্ঠা ) ।
* ১৯৫০ এর দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বর্তমান বাংলাদেশে তবলীগ জামায়াতের প্রসার লাভ করে । ১৯৬৫ সালে ঢাকায় প্রথম এজতেমা শুরু হয় । এর আগে এই এজতেমা অনুষ্ঠিত হত কাকরাইল মসজিদে । পরবর্তীতে টঙ্গীর তুরাগ নদীর পূর্ব তীরে এই এজতেমার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে থাকে ।
>> বোখারী শরিখঃ ২য় খন্ড ১১২৮ পৃষ্ঠা আবু সাঈদ খুদরী থেকে বর্ণিত- প্রিয় নবী এরশাদ ফরমান- পূর্বদেশ থেকে একটি দল বের হবে, এরা কুরআন পড়বে কিন্তু ওদের কুরআন পড়া হলকুমের নীচে যাবেনা ।ওরা দ্বীন ধর্ম থেকে এরূপ ভাবে বের হয়ে যাবে, যেমন তীর শিকার ভেদ করে চলে যায় আর কখনো শিকারের উপর ফিরে আসেনা । জিজ্ঞাসা করা হলো ইয়া রাসুলাল্লাহ ওদের চেনার উপায় কি ? প্রিয়নবী বললেন, ওরা অধিকাংশ লোকই মাথা কামায়ে (চেচে) রাখবে ।
মেশকাত শরীফের ২য় খন্ডে ৪৬২ পৃষ্ঠায় হাশিয়া লুমআতে বর্ণিত আছে ওরা গোল হয়ে বসবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


