বর্তমানে চালু তত্ত্বাবদায়ক সরকার পদ্ধতিটি ভালো করে রিভিউ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। এটার মধ্যে কোথাও বিরাট ত্রুটি বা কারসাজি আছে। বিএনপির মত একটি অবৈধভাবে গটিত দল একা তার সাথীদের নিয়ে মধ্য রাতে যে আইন করেছে, এটা ভাববার কোন কারন নাই তারা নিজেদের সার্থের আগে জাতির সার্থ চিন্তা মাথায় নিয়ে এ বিল পাশ করেছে। তাইত প্রতিবার দেখেছি প্রায় সব উপদেস্টা পদে বিএনপি পন্থি লোকেরা স্থান পেয়েছে, তাইত তারা এটা রাখার জন্য বেঁকে বসেছে। ত্রুটিগুলি শোধরানো হোক।
বিশেষ করে গত তত্ত্বাবদায়ক আমলে আমি বেশী অবাক হয়েছি যখন ঘোরতর অনৈতিক ও ক্রিমিনাল কর্মকান্ডের জন্য অভিযুক্ত সদ্যগত সরকারের সরাসরি উচ্ছিষ্টভোগী কর্মচারীদেরকে উপদেষ্টা পদে দেখেছি (যেমন হাসান আরিফ মতিন ফখর ইত্যাদি) বুঝলাম না কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে এবং কোন যুক্তিতে এরা একটি নির্দলীয়(? নিরপেক্ষ)(?)। সরকারে স্থান পেলো। এদের দ্বারা যে নিরপেক্ষ থাকা সম্ভব নয় এদের কাজে প্রমানিত হয়েছে, এদের একমাত্র দায়িত্বই যেন ছিল কোমড় ভাংগা বিএন পি কে পুনরায় দাঁড় করিয়ে দেয়া এবং আওয়ামী লীগের ইমেজকে টেনে নামানু ।তাই ত শেখ হাসিনা বিনা দোষে এক বৎসর জেল খাটলেন কিন্তু অপরদিকে সীমাহীন দুর্নীতি জংগি ও গ্রেনেড বোমা সন্ত্রাসের রানী খালেদা ভিডিও ছবিতে নায়িকার রোল দিব্যি করেছেন আরামছে হেসে খেলে। একদিনে তারেকের তেরটি মামলায় জামিন হতে দেখেছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




