চুলকানী জিনিসটা বড্ড খারাপ। যাকে একবার আক্রমন করে তার রক্ষা নাই। বাংলাদেশে কিছু মানুষের চুলকানীর সমস্যা আছে। মাদ্রাসার ছাত্র বা হুজুর দেখলেই চুলকানীর প্রকোপ বেড়ে যায়।
আজ সকালে এক ফেসবুক ফ্রেন্ড তার স্ট্যাটাস আপডেট করেছেন ঠিক নিচের ভাষায়ঃ
মাদ্রাসার ছাত্ররা একটু জা*য়া টাইপের হয়।
আমি তাকে সেখানে উত্তর দেয়া সমীচীন মনে করি নি তাই তাকে ইনবক্সে নক করলাম। শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক পর্যায়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,আপনাকে মাদ্রাসার হুজুররা কি করেছে?
উত্তরে তিনি গালাগালি শুরু করে দিয়েছেন এমনকি জঙ্গী, আল কায়দা পর্যন্ত বলেছেন। শেষ পর্যন্ত ব্লক।
***
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে পথে-ঘাটে মাদ্রাসার ছাত্ররা উপহাসের শিকার হয়। বাংলাদেশ যেহেতু গনপ্রজাতন্ত্রী দেশ,সেহেতু প্রত্যেক নাগরিকেরই ব্যক্তি স্বাধীনতা আছে। কিন্তুু কথা হলো মাদ্রাসার ছাত্ররা কতটুকু সাংবিধানিক অধিকার পেয়ে থাকে?
একটুও না,বরং সকল ক্ষেত্রে অবহেলিত হয়। একজন মাদ্রাসার ছাত্রকে দিনে কতবার যে পথে-ঘাটে,অনলাইনে-অফলাইনে হেনস্তা হতে হয় তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানে।
কোন কথা বলতে গেলেই সন্ত্রাসী, জঙ্গী উপাধী মিলে। কিন্তুু বাস্তবে কতটা সত্যি?
আজ পর্যন্ত কোন সঠিকপন্থী মাদ্রাসায় মারামারি,সন্ত্রাসবাদী গ্রুপের তৈরী হয়েছে তার কোন প্রমান নেই। তারপরেও প্রতিটি স্তরে কেন বিভিন্ন বৈষম্য?
***
মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী,জানি লেখাটি আপনার কাছে পৌছাবে না তবুও আশা রাখি। কারন আমরা স্বাধীনতাই বিশ্বাসী পরাধীনতায় নয়। তাই নিজের অধিকার পাওয়ার জন্য,পূর্ন সাংবিধানিক স্বাধীনতার জন্যই এই লেখা। এই লেখাটি প্লিজ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন দিয়ে দেখবেন না,বরং মানবিক দিক দিয়েই দেখুন,কারন কেউই চায় না নিজ দেশে পরবাসী হয়ে থাকতে। সংবিধান অনুসারে দেশের সকল জনগনের অধিকার সমান,আশাকরি এই বৈষম্য দূর করতে আপনি সচেষ্ট হবেন। তাই এই বৈষম্য দূর করে সত্যিকারের সোনার বাংলা গঠনের অভিপ্রায়ে লেখাটি লেখলাম। লেখাটি প্রথম আমার ফেসবুক আইডিতে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে #আলোহীন_ল্যাম্পপোস্ট নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




