somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নওগাঁ পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব ইসাহাক হোসেন সন্ত্রাসীদের ছুরির আঘাত এ নিহত

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রবিউল ইসলাম সবুজ : নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইসাহাক হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দৃর্বত্তরা। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন তার গাড়ি চালাক দুলাল রায়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিমল চন্দ্র জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক করে বাসায় ফিরছিলেন ইসাহাক হোসেন। বাড়ির সামনে গাড়ি থেকে নামার পর দূর্বৃত্তরা তাকে এলোপাথারি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত তার গাড়ি চালাকের দুলাল রায় এর অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানান ওসি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ইসাহাক হোসেনের বাড়ি উপজেলাটির নজিরপুর পৌরসভার মামুদপুর গ্রামে। তিনি নজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র। স্থানীয়রা জানান, নিহত ইসাহাক হোসেন দলীয় কার্যালয়ে সভা শেষ করে মাইক্রো বাসে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি বাড়ির গেইটে নামলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় ইসাহাক হোসেনকে বাঁচাতে মাইক্রো চালক দুলাল রায় এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে আহত ইসহাক হোসেন ও দুলাল রায়কে উদ্ধার করে পত্নিতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইসাহাক হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। গাড়ি চালক দুলাল রায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহত ইসাহাক হোসেনের বাড়ির দাঁড়োয়ান অনিকুল জানান, হামলাকারীরা ঘটনার বেশ কিছু আগে আসে। তাদের সবার মুখ কাপড় দিয়ে বাধা ছিল। কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই অস্ত্রের মুখে তার মুখ ও হাত-পা বেধে ফেলে তারা। এরপরে হামলাকারীরা ইসাহাক হোসেনের আসার অপেক্ষা করে। রাত ১০টার দিকে সভা শেষ করে ইসাহাক হোসেন মাইক্রোবাস যোগে বাড়ির দরজায় এসে নামলে হামলাকারীরা তার উপরে আক্রমন করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য

লিখেছেন চারাগাছ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৬




বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য


​আজকের বৃষ্টিটার কোনো ছন্দ নেই। কোনো ব্যাকরণ নেই। স্রেফ আকাশ ভাঙা জল, যা এই শহরের বুকে সশব্দে আছড়ে পড়ছে। মানুষজন তাড়াহুড়ো করে ছাতা মেলছে, আশ্রয়ের খোঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×