somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সস্তায় ব্যাংকক ভ্রমণ!

২১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকেই একা ঘুরতে ভালবাসেন। যদিও উপমহাদেশের ট্রাভেলারদের মধ্যে এই প্রবণতা কম, কিন্তু ইউরোপ বা আমেরিকার ট্রাভেলারদের জন্য একলা ট্রাভেলিং কোন ব্যাপার না। একা যারা ট্রাভেল করেন, তাদের বলা হয়ে থাকে সলো ট্রাভেলার। সলো ট্রাভেলারদের সবচেয়ে বড় সুবিধে হল, তারা যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন, যেখানে খুশি থাকতে পারেন। পছন্দ না হলে পরেরদিন আবার স্থান পরিবর্তন। আর সবচেয়ে বড় অসুবিধে খুব সম্ভবত সেফটিতে। যদিও সেটা বেশি একটা সমস্যা করে না এসব দেশগুলোতে।

এভাবেই সূচনা আমার সলো ট্রিপের। এজেন্ট কে জমা দিয়ে দিলাম আমার মূল পাসপোর্ট, ৩.৫ সেমি x ৪.৫ সেমি মাপের ল্যাব প্রিন্ট দুই কপি রিসেন্ট ছবি, ব্যাংক এর বিগত ৭ মাসের স্টেটমেন্ট, ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট, থাই এমব্যাসি এর ভিসা অফিসার বরাবর আমার পাসপোর্ট এর ইনফো দিয়ে একটা দরখাস্ত যেখানে আমাকে ভিসা দেওয়ার আবেদন, এবং অফিসে থেকে ছুটি এপ্রুভ করছে এরকম একটা চিঠি তাও ভিসা অফিসারকে এড্রেস করে। প্রথমবার ভিসা হলে অফিসে এবং ব্যক্তিগত নাম্বারে ফোন আসে। আমার দ্বিতীয়বার ভিসা ছিল, তাই ফোন আসে নাই। ৭ দিনের কথা থাকলেও দ্বিতীয় দিনেই ভিসা দিয়ে দিছে। সূচনা পরে আমার উদ্দেশ্য খারাপ ভাবার কারণ নাই। ব্যাংকক সন্ধ্যার পর উন্মাতাল হয়ে যায়, এই দায় আমার নয়। অনভিপ্রেত কাকতাল মাত্র।

চট্টগ্রাম থেকে রিজেন্টের বিমান ব্যাংকক যায়। বিমানটি আসলে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম আসে, এরপর সোজা ব্যাংকক “সুবর্ণভুমি এয়ারপোর্ট”। ব্যাংককে দুটি এয়ারপোর্ট। একটির নাম তো বললামই, আরেকটি “ডন মুয়াং এয়ারপোর্ট”। ডন মুয়াং এয়ারপোর্টে সাধারণত ডমেস্টিক ফ্লাইট বেশি চলাচল করে। ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট বেশিরভাগ ছাড়ে সুবর্ণভুমি থেকেই।

রিজেন্টের ডমেস্টিক ফ্লাইটে এসি না ছাড়ার বদনাম আছে। তবে ব্যাংকক ফ্লাইটে এসি ছাড়ে। অন্তত আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে। বোয়িং বিমানটি চট্টগ্রাম থেকে উড্ডয়নের পরপরই খাবার পরিবেশন করে। খাবারের মান ভাল। চিকেন খিচুড়ি, পেপসি, পায়েস/ফিন্নি, বাদাম/কেক, পানি এর সাথে চা/কফির ও ব্যবস্থা থাকে। খাওয়া শেষ করে প্লেট ফেরত দিয়ে একটু পরেই ল্যান্ডিং এর সময় হয়ে যায়।

নেমে বিশাল পথ হাঁটতে হবে। কিছু কিছু জায়গায় মুভিং ওয়াকওয়ে আছে, তবুও অনেকদুর হাঁটতে হয়। ইমিগ্রেশন শেষ করে লাগেজ কালেক্ট করে এক্সিট দিয়ে বের হয়ে শুরু হয় আমার লোকাল যাত্রা।

এক্সিট দিয়ে বের হয়ে একধাপ নিচে নেমে সিম কিনে নিলাম। ২৯৯ বাথ দিয়ে ৭ দিন মেয়াদ। ১০০ বাথের কল ক্রেডিট সাথে আনলিমিটেড ইন্টারনেট। এইটাই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশে সব কল করা ইন্টারনেট দিয়েই। এরপরের ধাপে নামলে ওখানে ট্যাক্সি, মিনিবাস, পাতায়া যাওয়ার বাস ইত্যাদি পাওয়া যায়। আগেই ডলার ভাঙ্গিয়ে নিয়েছি, এয়ারপোর্টে ১ ডলারে ৩৩.০২ বাথ। ১০০ ডলার ভাঙ্গিয়ে নিলাম। মনে মনে ধরেই রেখেছি, ট্যাক্সি নিতে হবে ব্যাংকক যেতে, ৪০০-৫০০ বাথ ভাড়া আসবে মিটারে।

একদম নিচতলাতে, অর্থাৎ, যেখান থেকে পাতায়র বাস ছাড়ে, সেখানে এদিক-ওদিক হাঁটছিলাম। উদ্দেশ্য, এয়ারপোর্ট দেখা। মাঝামাঝি এক জায়গায় গিয়ে দেখি লেখা আছে, এয়ারপোর্ট রেল লিঙ্ক। নিচের দিকে ইন্ডিকেশন। নামলাম। দেখি দুইটা লাইন আছে। একটা এক্সপ্রেস লাইন। একটা সিটি লাইন। আমি সিটি লাইনের দিকে ঢুকলাম। তখনও জানি না, কই যাচ্ছি। সিটি লাইনে ঢুকে দেখলাম, টিকেট কাটার কাউন্টার আর বুথ। বুথ থেকে কয়েন দিয়ে টিকেট কেটে নেওয়া যায়। যাদের কয়েন নাই, তারা কাউন্টার থেকে টিকেট কাটে। এই ট্রেনের নাম “SRT’’। এক গার্ডকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি সুকুমভিত যেতে চাই, এই ট্রেনে যাওয়া পসিবল? সে আমাকে একটা ষ্টেশনের নাম বললো, “মাক্কাসান”। বললো, মাক্কাসান ষ্টেশনে MRT, অর্থাৎ মেট্রো রেলের একটা ইন্টারসেকশন আছে। ওইখানে নেমে মেট্রো রেলের সুকুমভিতের টিকেট কাটবে। পৌঁছে যাবা। আমি তার কথামত টিকেট কাটলাম। ৩৫ বাথ টিকেটের দাম। আধঘণ্টার কম সময়ে মাক্কাসান পৌঁছলাম। মাক্কাসানে নেমে ডিরেকশন মোতাবেক গেলাম এমআরটি স্টেশনে। ১৬ বাথ দিয়ে সুকুমভিতের টিকেট কেটে পৌঁছে গেলাম সুকুমভিত। আমি আসলে সুকুমভিত সয় ৩ এর কাছাকাছি যেতে চাইছিলাম। এটা সয় ১১ এর কাছাকাছি। সয় মানে রাস্তা। সুকুমভিত এমআরটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছি, চোখে পড়লো কাছেই একটা BTS ষ্টেশন। বিটিএস ওদের স্কাই ট্রেনের নাম। এটা বিটিএস এর “অশোক” স্টেশন। অশোক থেকে ১৫ বাথ দিয়ে নানা ষ্টেশনের টিকেট কেটে চয়রে বসলাম। নানা বিটিএস থেকে নেমেই “ATLAS HOSTEL”। এইখানেই থাকবো আমি। সলো বা লোন ট্রাভেলারদের জন্য একটা দুর্দান্ত জায়গা এসব হোস্টেল। ৪০০ বাথের ট্যাক্সি এর রাস্তা আধঘন্টা কম সময় নিয়ে ৬৬ বাথ দিয়ে আসলাম। যদিও ৩ বার ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়েছে। লাগেজ ছিল কেবল ব্যাকপ্যাক, তাই এতো সাহস করতে পেরেছি। চাইলে এয়ারপোর্ট থেকে মাক্কাসান স্টেশনে না নেমে ওই ট্রেনের শেষ স্টেশন “পায়া থাই”-তেও চলে আসা যেত। সেখানে একটা স্কাই ট্রেন ষ্টেশনের সাথে ইন্টারসেকশন হয়। ফলে দুইটা ট্রেন পরিবর্তন করলেই চলতো আমার। এটা অবশ্য পরে জেনেছি।

এটলাস হোস্টেলের ভাড়া ২০০ বাথ। এখানে চাইলে রুমও ভাড়া নেওয়া যায়। ডাবল বেড খুব সম্ভত ৮০০ বাথ করে। এটার লোকেশান সবচাইতে ভাল, বের হলেই স্কাই ট্রেন ষ্টেশন। কাছাকাছি আরও কয়েকটা হোস্টেল আছে, সিটি লজ, আস্পিরা সুকুমভিত ইত্যাদি।

ফ্রেশ হয়ে বের হলাম, খেতে হবে। নিয়ত করেছি, যা করবো সব লোকাল, কাজেই লোকাল স্ট্রীট ফুডের বিকল্প নাই আমার কাছে। আর বাংককের স্ট্রীট ফুড তো বিশ্বসেরা। প্রথমদিন খেলাম সয় ৩/১ এর মাথায় এক দোকানে। অর্ডার দিতে একটু সাবধান, মাংস থাকলেই একটু মেন্যু পড়ে নিতে হয় পর্ক কিনা। অবশ্য তাদের যদি জিজ্ঞাসা করি হালাল কিনা, ওরা বলে দেয়। প্রথমদিন খেলাম ফ্রাইড রাইস উইথ সি ফুড, ৬০ বাথ দাম। এখানে রাইস আর সি ফুড সমান সমান পরিমাণে। কাজেই খেতে ভালই। সাথে জুস নিয়েছিলাম। তরমুজের জুস। এটা অসাধারণ। বাংককের সব জুসই অসাধারণ।

পরদিন কাজ ছিল বিটেকে, একটা কনফারেন্স সেন্টারে। সেখানে গেলাম। যাওয়ার সময় ব্যবহার করেছি স্কাই ট্রেন। স্কাই ট্রেন ষ্টেশনের নাম “বাং না”। নেমেই বিটেক। স্কাই ট্রেনের এই এক মজা। সব হট স্পটে টাচ করে এই স্কাই ট্রেন। এই বিষয়ে পরে লিখছি। বিটেকে পরিচয় হয়েছে স্থানীয় এক ছেলের সাথে। নাম “সুরাপান”। নাম শুনে হাসার কিছু নাই। নাম পান সুপারি যে হই নাই, এটাই বেশি। সুরাপানের গল্পে আসছি পরে। আগেই বলেছি, একলা ছিলাম, কাজেই কারো না কারো সাথে গল্প করতেই হত। সুরাপান এর সাথেই অনেকক্ষণ আড্ডা দেওয়া হয়েছে তাই।

বিটেক থেকে ফেরার পথে ২০ বাথ দিয়ে পেঁপে কিনে নিলাম। কেটেকুটে দেয়, তবে লবন মরিচ দিয়ে মাখায়ে দেয় না। পেপে খেয়ে রেস্ট নিয়ে আবার বের হলাম। গন্তব্য এমবিকে শপিং মল। এশিয়ানদের কাছে বেশ বিখ্যাত কম দামের জন্য। আসলেই দাম কমে পাওয়া যায়। তবে কিছুটা বারগেইনও করতে হয়।

এমবিকে যাওয়ার জন্য স্কাই ট্রেন সবচাইতে বেটার। ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নামলে সেখান থেকে ওভারপাস দিয়েই চলে যাওয়া যায় এমবিকে এর চারতলাতে। ডিরেকশন দেওয়া আছে, ফলো করে গেলেই হয়। ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের আগের স্টেশন সিয়াম। এখান থেকে সিয়ামের ৩ টা শপিং মলে এক্সেস করা যায়। আন্ডারওয়ার্ল্ড প্ল্যানেটেরিয়াম আর মাদাম তুসো মিউজিয়ামও এইখানে।

আরও দুইটা শপিং মলের নাম রবিনসন আর টার্মিনাল ২১। পাশাপাশি দু’টোই। বিটিএস স্টেশন অশোক বা এমআরটি স্টেশন সুকুমভিতে গেলেই চলে। অশোক থেকে মিনিট সাতেক হাটলেই নানা বি টি এসে পৌঁছানো যায়।

পরদিন শনিবার। এখানকার ছুটি। উইকেন্ডে চাতুচাক নামে একটা জায়গায় বসে চাতুচাক উইকেন্ড মার্কেট। কম খরচে এখান থেকে শপিং করার ভাল জায়গা। স্কাই ট্রেনে উঠে “মোহ চিত” স্টেশনে নামলাম। এক্সিট ১ দিয়ে বের হয়ে দেখলাম মানুষের স্রোত যাচ্ছে চাতুচাকের দিকে। ওদের সাথেই হাঁটা দিলাম। মিনিট পাঁচেক হেঁটেই পৌঁছে গেলাম চাতুচাক উইকেন্ড মার্কেটে। এনাউন্সমেন্ট হচ্ছে, ৯০০০ এর উপর দোকান আছে এইখানে। হাঁটা শুরু করলাম একপাশ থেকে। কি নাই? জুতা থেকে শুরু করে নেইলকাঁটার, পেইন্টিং থেকে শুরু করে উকুলেলে, সব আছে। একপাশে খাবার দোকান। সেখানে পাওয়া যায় না এমন কিছু নাই। ৫০ বাথ এর একটা চিকেন মেন্যু নিলাম। চাপের মত, কেটে দেয়। খেতে খেতে টায়ার্ড হয়ে গেছি, শেষ হয় না।

টুকটাক শপিং শেষ করে ফিরে আসলাম। পরদিন রবিবার। আজকে টার্গেট চায়না টাউন যাবো। আর গ্র্যান্ড প্যালেস। স্কাই ট্রেনে উঠলাম। গেলাম “সাপান তাসকিন” স্টেশনে। সাপান তাসকিন ষ্টেশন থেকে বোট ছাড়ে। “ছাও পায়া এক্সপ্রেস”। কিছু এক্সপ্রেস বোট আছে। সিঙ্গেল জার্নি হলে ৪০ বাথ টিকেট। সারাদিনের জন্য ১৫০ বাথ টিকেট। একটু পাশেই দেখি লোকালরা টিকেট কাটছে। ১৫ বাথ টিকেট। বোট একটু লোকাল টাইপ। ওইটার টিকেট কেটে উঠে গেলাম। ৯ নাম্বার স্টেশনে নামলাম। একটু ঝামেলা আছে, কারণ প্রচুর মানুষ, বেশি লোকাল মানুষ। নামাটা একটু কষ্টকর। আমি বোটের একদম সামনের দিকে ছিলাম, পেছনে আসতে কষ্টই হয়েছে। নেমে একটু হাঁটলেই গ্র্যান্ড প্যালেস। বেশ বিখ্যাত জায়গা। ৫০০ বাথ এন্ট্রি টিকেট। টিকেট কেটে ঢুকলাম। একটু হতাশ হয়েছি। এতো এতো পর্যটক, ভাবতে পারি নাই। বেশিক্ষণ ছিলাম না। আবার ঘাটে ফিরে এসে উঠলাম নৌকায়। ১৫ বাথে ৫ নম্বর ঘাটে এসে নামলাম। এরপর একটা বাইক ভাড়া করলাম, ওকে নিয়ে চায়না টাউন যাবো। চায়না টাউন পৌঁছে দিতে সে ১০০ বাথ নিল। ঘুরেটুরে চায়না টাউনের গেটের একটু সামনে থেকেই বাস ছাড়ে। ১৮৮ নাম্বার বাসে চড়ে চলে আসছি আবার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। ৩০ বাথে। ওইখান থেকে স্কাই ট্রেনে হোটেলে।

পরদিন আমার বন্ধু সুরাপান আসলো আমাকে সময় দিতে। কয়েকটা মার্কেটে ঘুরে নিয়ে গেল সেন্ট্রাল এমব্যাসিতে। এটা বিটিএস স্কাইট্রেন ষ্টেশন পলেনচিত থেকে এক্সেস করা যায়। এর নিচে একটা রেস্টুরেন্ট আছে “ইথাই” নামে। থাই সব স্ট্রীট ফুড এক জায়গায় করা হয়েছে এইখানে। আমি প্যাড থাই খেলাম, বিখ্যাত থাই ডিশ এইটা। সাথে এদের ডাব। অদ্ভুত রকমের ডাব। পুরো খোসা ছাড়িয়ে রেখেছে ডাবের। কমলার মত। পানিও আছে ভেতরে। কিভাবে সম্ভব করছে, আল্লাহ জানে। রাতে পলেনচিত আর সুকুমভিতের মাঝামাঝি এক জায়গায় হাঁটতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, রাস্তার পাশে অসংখ্য দোকান, মাছ নিয়ে বসেছে। মাছ পছন্দ করে দিবেন, বারবিকিউ করে দিবে। খাওয়া হয় নাই যদিও, একলা মাছ খাওয়ার ইচ্ছা হচ্ছিলো না। ডাবল ট্যুর দিলে খাবো।

পরদিন আমার বন্ধু সুরাপান আমাকে এয়ারপোর্ট ড্রপ করে দিতে আসলো। ও গাড়িতে করে এগিয়ে দিতে না আসলে ট্রেনেই চলে আসতাম এয়ারপোর্ট।

ডীপ ফ্রাইড প্রণ, ৬০ বাথ দাম
এয়ারপোর্ট ছাড়া বাকি সব জায়গায়ই ডলার এক্সচেঞ্জ রেট ছিল ১ ডলার= ৩৪.৯০ এর কাছাকাছি, গড়ে। এয়ারপোর্টেই একটু কম যা আগেই লিখেছি।

সব মিলায়ে ২০০ ডলারেরও কমে ৫ দিন ঘুরে আসছি ব্যাংকক, টুকটাক শপিংসহ। রিজেন্টের টিকেট ঢাকা থেকে ২৪০০০ টাকা।

আপাতত এতোটুকুই। আগের বার এক ছোটভাইসহ গিয়েছিলাম, পাতায়া-ফুকেট ঘুরে এসেছিলাম তখন। সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত নাহয় আরেক দিন লিখবো।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৫০১’কে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে উদযাপন করছেন তারা ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:১৮


আবাসিক হোটেলের দরজা ভেঙে যখন একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসছে তখন সাধারণ মানুষের চোখ ছানাবড়া হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। সম্প্রতি গাজীপুরের এক হোটেলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ যখন দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগী

লিখেছেন শাহেদ শাহরিয়ার জয়, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:১৭

ভাইরাল ফেভারে
জাতি ভোগে যে হারে
কোথা যাবে ঠিক নাই,
কোনো দিকে দিগ নাই
সংকর - বাঙাল,
আহারে আহারে!



সবি হলো জ্ঞানী
যারটা সে মানি,
তাল গাছ আমারই'
যাইহোক বিচারে! ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১-এ মুক্তিবাহিনীর হাতে নিহত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা রাজাকার হত্যার বিচার করতে হবে! :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৮

চতুর্দিকে রক্ষীবাহিনী তথা ফজলু কমান্ডারদের দুর্দান্ত প্রতাপ। ভয়ংকর সত্যটি হলো—যিনি ১০০ মাইল দূর থেকে পাকিস্তানি মিলিটারির আওয়াজ শুনতেন—সেই তিনি লুইচ্যা হামিদের সংগে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপিতে যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ই-পাসপোর্ট নিয়ে কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

আমার সর্বশেষ পাসপোর্টটি করেছিলাম ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে। ততদিনে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু হয়ে গিয়েছিল। ই-পাসপোর্টের অন্যতম একটি বাড়তি সুবিধে ছিল এই যে চাইলে সেটা একসাথে দশ বছরের জন্য ইস্যু... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"-.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০




"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"- বাংলা সাহিত্যের এই বহুল পরিচিত পঙ্‌ক্তির মর্মার্থ আমরা সবাই জানি। তবে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহ ও আন্তরিকতারও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×