নিজেকে মাঝে মাঝে ঈশপের ছোট ভাই ভাবতে ইচ্ছে করে। এমন কিছু ভাবনা আসে হৃদয়ে; যা এমনটি ভাবতে কলকাটি নাড়ে। এখন তেমনি কিছু ভাবনা মাথায় ঘুরছে। না লিখে পালামনা।
দরুণ আপনার পেছন ফিরতেই হচ্ছে। দুটো ওপসন আছে আপনার হাতে। আপনি চায়লে স্বাভাবিক ভাবে ঘাড় ফিরিয়ে দেখতে পারেন পেছনে কি রঙ্গটা চলছে। নতুবা কোমর নিচু করে দুই উরুর মধ্যবর্তী ফাকা স্থান দিয়েও দেখতে পারেন আপনি। পন্ডশ্রমের কি দরকার আছে। দুইটাইতো বেকাজ। পেছনের ভিক্ষুককে এক টাকা ভিক্ষা না দিয়ে যে হেটে এগিয়েছে তার এমন কী দায়ে সুন্দরী রমনী দেখতে পেছনে তাকাতে হচ্ছে? নাকি কতো পথ চলেছেন তার দৈর্ঘ্য মাপছেন! আর কীইবা দরকার পেছনে ফেরার? ওটাতো মাড়ি দিয়েছি। সামনে তো দিগন্তহীন পথ হাত নাড়ছে। তার চিন্তা করিনা। কতটা পথ পাড়ি দিলাম তা সময় আমাদের বলে দেবে। তার জন্যে মাথার চুল ছিঁড়ার কি প্রয়োজন।আজ যখন টঙে বসে চা খাচ্ছি তখন একজন বলে, ভাই সিগারেট এখন ফ্যশন হয়ে দাড়ায়ছে। যারা মনে করে সিগারেটের ধোঁয়া ওদের পেটে না পরলে ওনাদের মল বের হয়না ওদের ওটা ফ্যশন নয় নেশা। ইচ্ছে করে নেশা করার কি দরকারটা পড়েছে? টাকা না থাকলে ভাইয়ের মানিব্যাগ হাতিয়ে টাকা নিয়ে নিকোটিন গিলার কি এহমিয়্যাত আছে? একটু ভাবুন তো আপনার ভাই মাথার কি পরিমাণ ঘাম মাটিতে ফেলে এ টাকা উপার্জন করেছে? এদেশে ভাল কথা বল্লে সে পাগলে পরিণত হয়। আমিও হয়তো উন্মাদই হয়ে গেলাম। পাবনা না গিয়েই উন্মাদ হওয়ার সার্টিফিকেট পাইলাম। বাহ্ চমৎকার!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




