ব্যাংকওয়ালারা কী শুরু করছে এইসব?
টাকা তোলা, জমা, হেন-তেন, প্রশ্ন-উত্তর সব এক লাইনে। যখনি যাই ২০/৩০ জনের পিছনে দাড়াইতে হয়। ঝাড়া এক ঘন্টা! কাউন্টার বসাইছে ১ থেকে ১৭, কাস্টমারের উপচে পড়া ভিড়; অথচ দোকানদার ৩জন। যে ‘এটিএম’ এ যাই, হয়তো নস্ট, না হয় টাকা নাই (ডাচ-বাংলা)। নাটক নাকি এগুলা? সামলাইতে না পারলে লাখ লাখ একা্উন্ট খোলার দরকারটা কী ছিল? ছাল নাই কুত্তার বাঘের ডাক!
ক্যাশ কাউন্টারের লোকজনরে কোত্থেকে নিয়োগ দিতেছে আজকাল? কেউ কেউ তো সরকারি অফিসের কর্মকর্তাদের চেয়েও ধীরগতির। নড়েনা, চড়েনা...মাউজ ধরা দেখলে মনে হয়, লাঙ্গলের হাল ধরছে! কাঁপে আর কাঁপে...
ঢুকলে ইন্টরিয়রের ঠেলায় গায়ে কাঁপন ধরে। বন্ধ-রুদ্ধ কাজ কারবার। অধিকাংশেরই এসি চলেনা। গরমে মাথার পেছনটা ঘামতে শুরু করে। এর পরে যখন দেখি, একটা চেক ক্লিয়ার করতে ১৭ মিনিট লাগে, মেজাজ কীভাবে ঠিক থাকে? আরে বাপ, নস্ট এসি ঠিক করার পয়সা না থাকলে দরজা-জানালা হাট করে খুলে দে! বাতাসটা অন্তত: আসুক!
এই চার্জ, সেই চার্জ, এই কার্ড-ওই কার্ড, ফোন-এসএমএস! খাই নাই-দাই নাই, বছর শেষে গেলাস ভাঙা ১০ টাকা! চালাইতে না পারলে শাটার টেনে দে না বাপ! থালা নিয়ে বস। ওখানে আয়-রোজগার বেশ ভাল আজকাল। পত্রিকার রিপোর্টতো তাই বলে!!!
যত্তসব!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




