বাংলাদেশের ’বি’ টিম পাকিস্তানরে হারাইয়া দিছে! হোক সেটা প্রস্তুতি ম্যাচ। কী আসে যায় তাতে? ১৯৯৯ সালের পর এই প্রথম দ্বিতীয়বারের মতো যেকোন ধরনের ক্রিকেটে পাকিস্তানরে হারাইলো বাংলাদেশ। তো, ‘বি’ টিমের সাথে যদি এই অবস্থা হয়, জাতীয় দলের সাথে ওদের অবস্থাটা কী হবে? মাশরাফির তোপের মুখে? গর্জনের সামনে?? তাহলে কী এখন আরেক ইতিহাসের অপেক্ষা???
বণ্য এক আনন্দ হইতেছে! বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারালে এই আনন্দটা হয়। যে কোন জায়গায়, যে কোন বিষয়ে পাক্স্তিানকে টপকালে এই আনন্দটা পাই। হোক সেটা শিক্ষা প্রসারের র্যাংকিংয়ে, মানব উন্নয়ন সূচকে অথবা জঙ্গিবাদ দমনে।।।
বাংলাদেশের তরুন দলের এই অসাধারণ সাফল্যের নেপথ্যের কারিগরদের নাম জানতে চোখ বুলালাম স্কোর কার্ডে। চোখ চকচক করে উঠলো। অানন্দ বেড়ে গেল বহুগুন।
তামিম ইকবাল তার বিশ্বকাপের অনন্য পারফরম্যান্স ধরে রেখেছেন! অসাধারণ নৈপূণ্য অব্যাহত রেখে মাত্র ৯১ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেছেন! এই আনন্দ রাখি কোথায়!!! চোখে জল আসার মতো অবস্থা হয়েছে আমার। বিশ্বকাপের পরপর ছেলেটা সস্ত্রীক ওমরাহ করে এসেছেন। ভেবেছিলাম এবার যদি কিছু হয়...
এখন একটাই দাবি তামিমরে ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দিতে হবে । এক থেকে উপরে তুলে শূন্য (০) পজিশনে নামানো হোক!!! এই ধারাবহিক অসাধারণ পারফর্মেন্সের একটা মূল্য আছে বৈকি!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


