ছাত্র ইউনিয়নের নেত্রীর ওপর হামলার ছবি নিয়ে বুদ্ধিজীবিদের ‘ত্যানা প্যাঁচানো’ শুরু হয়ে গেছে। টিভিওয়ালারা দুই/চার দিনের টক শো’র টপিক পেয়ে গেছে। প্রতিবাদের ঝড়ে ফেসবুকের ‘ওয়াল’ কাঁপাকাপি করতেছে। এর মধ্যে একটা ছবির সমালোচনাও করছে কেউ কেউ।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেই নেত্রী ইট ছুড়ছেন পুলিশের গাড়িতে! বলে রাখি, আমি এখানে সমালোচনার কিছু পাইনা! আন্দোলনকারীদরে ওপর আক্রমণ চালানোর পর তারাও প্রতিবাদ করেছে। যদি সেটা ‘অপরাধ’ হয়ে থাকে, তবে তাকে গ্রেফতার করা যেত, তারপর প্রচলিত আইনে শাস্তি হতে পারতো, কিন্তু যা হলো সেটা কোন বিচারে হলো? কেউ কেউ এও বলেছেন, পাকিস্তানের শাসনামলেও এভাবে নারীদের ওপর আত্রমণ/হামলা/নিপীড়ন চালানোর সাহস পুলিশ পেতেনা! কোথা থেকে পায় এখন?
অামি বরং সেই নেত্রীকে অভিনন্দন জানাই! এই পুলিশী শাসনের যুগেও যে ‘দু:সাহস’ তিনি দেখিয়েছেন, তার জন্য ‘টুপি খোলা’ সালাম! এই দেশে মোট কত পুলিশ এখন? সারা রাস্তাজুড়ে পুলিশ ছাড়া আরতো কিছু দেখিনা!!!
প্রতিবাদটা এরকমই হবে! হতে হবে। যেখানে অন্যায়, অবিচার, স্বেচ্ছাচারিতা, জোরজবরদস্তি, সেখানেই প্রতিবাদ! ঘরে-বাইরে-রাস্তায়-সংগঠন সবখানে! কেউ নিপীড়নটা পুলিশের পোশাক পড়ে করছে, আর কেউ করছে প্যান্ট-শার্ট পরে! ভদ্রলোক সেজে। প্যান্ট-শার্ট পড়াগুলো বড় বেশি নোংরা...ঘিন ঘিন করে!
আমি এই প্রতিবাদটা করি! সবসময়। যখন ঘুরে চোখ বড় করে তাকাই, দেখি অপরাধীর চেহারাটা ছোট হয়ে আসে! একবার ঘুরে তাকিয়ে দেখতে পারেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


