somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্ডার হাট

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বর্ডার/সীমান্ত হাট মানে ২ টা দেশের মানুষের মিলনমেলা। বাংলাদেশ ও ভারত, দুদেশের পারস্পরিক সমঝোতায় সীমান্ত এলাকার মানুষের জন্য কয়েকটি সীমান্ত হাট চালু করা হয়েছে। ২০১১ সাল থেকে এপর্যন্ত মোট চারটি সীমান্ত হাট চালু হয়েছে, যেখানে দুদেশের সীমান্ত এলাকার মানুষজন প্রতি সপ্তাহে অন্যদেশের পণ্য কেনার সুযোগ পান। হাটের পাঁচ কিলোমিটার এলাকার মানুষের ওই হাটে নিয়মিত কেনাকাটা করার অনুমতি রয়েছে। তাই আশেপাশে পাঁচ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের স্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছে, যেটি দেখিয়ে তারা সহজেই হাটে যেতে পারেন। তবে অন্যদেরও সাময়িক পাস নিয়ে হাটে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে । বর্তমান ৪টি সীমান্ত হাট চালু রয়েছে, ২টি হাটের নির্মাণ কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে এবং আরও ৭টি হাট স্থাপনের বিষয় বিবেচনাধীন আছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে স্থাপিত এই বর্ডার হাটে বর্তমানে প্রত্যেক ক্রেতা ১০০ ডলারের পণ্য কিনতে পারেন। এটি ৩০০ ডলারে উন্নীত করার কথা ভাবা হচ্ছে। এছাড়া সীমান্ত হাটে বর্তমানে প্রতি দেশের ২৫ জন বিক্রেতা পণ্য বিক্রি করতে পারেন। এই সংখ্যাও বাড়িয়ে ৫০ বা তার বেশিতে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে।



১। কুড়িগ্রাম বর্ডার হাটঃ
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ সিদ্ধান্তে ২০১১ সালের ১৬ জুলাই কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলা সদর থেকে সাড়ে ৪ কিলোমিটার দূরে ভারতের কালাইরচর সীমান্তের বিপরীতে বাংলাদেশের বালিয়ামারী সীমান্তে সোনাভরি নদের তীরে প্রথম বর্ডার হাটটি চালু করা হয়। আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৭২-এর ৪ এবং ৫ নম্বর সাব পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে জিরোলাইনের উভয় দিকে বাংলাদেশ অংশে ৭৫ গজ এবং ভারত অংশে ৭৫ গজ জায়গা জুড়ে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে হাটটি বসে। সপ্তাহের প্রতি বুধবার এখানে হাট বসে। শীতকালে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩টা এবং গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হাটে কেনা-বেচা চলে। হাটে উভয় দেশের ২৫জন করে বিক্রেতার জন্য ৫০টি কক্ষ রয়েছে। হাটে ক্রেতা বিক্রেতারা তাদের নিজ নিজ মুদ্রায় কেনাকাটার সুযোগ পেয়ে থাকে । সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী দুদেশের ৪৭টি করে পণ্য বেচাকেনার কথা। কিন্তু নানা জটিলতায় দীর্ঘদিনেও এই বর্ডার হাট কাক্ষিত সফলতা আসেনি। মাঝখানে হাটটি বেশ কিছুদিন বন্ধ ছিল। ২০১৬ সালের ৬ই এপ্রিল ২ দেশের নতুনভাবে বৈঠকের মাধ্যমে হাটটি আবার চালু করা হয় । উভয় দেশের ২০টি করে স্থানীয় পণ্য সামগ্রী কেনাবেচার অনুমোদন ছিল। এ বৈঠকে আরো ১০টি পণ্য বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে একজন ক্রেতা আগে কিনতে পারত একশ’ ডলারের মধ্যে। এখন সেটা বাড়িয়ে দেড়শ’ ডলার করা হয়েছে। হাটের আশপাশ ৫ কিলোমিটারের মধ্যে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী হাটে বেচাকেনা করা যেত। এখন সেটা বাড়িয়ে ১০ কিলোমিটার করা হয়েছে।

কিভাবে যাবেনঃ
মহাখালী থেকে রৌমারির বাস ছাড়ে, ভাড়া ৪৫০ টাকা , সেখান থেকে আপনি যে কোন গাড়িতে যেতে পারবেন ।
সীমান্ত হাটটি চালু হওয়ায় বালিয়ামারি, মণ্ডলপাড়া, সান্ডারপাড়া, জালছিরাপাড়া, কড়াইডাঙ্গিপাড়া, আলগারচর, লাঠিয়ালডাঙ্গা, ব্যাপারীপাড়া, জাউনিয়ারচর, মিয়াপাড়া ও বাউলপাড়া গ্রামসহ রাজিবপুর এবং এর লাগোয়া রৌমারী উপজেলার বিপুল সংখ্যক মানুষ বাজার করতে পারে। একই সঙ্গে ভারতীয় অংশের বলদানগিরি, ওয়াদাগিরি, জানগিরি, মারহালিপাড়া, কালাইরচর ও ঢাকঢাকিপাড়া গ্রামসহ এর আশপাশের এলাকার লোকজনের আগমন ঘটে।

২। সুনামগঞ্জ বর্ডার হাটঃ
২০১২ সালের ১লা মে বাংলাদেশের ২য় বর্ডার হাট সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ডলুরা ও ভারতের মেঘালয়ের রাজ্যের শিলং সাব ডিভিশনের বালাটের লালপানি এলাকার জিরো পয়েন্টে উদ্বোধন হয়। সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার (৮ টা থেকে ৩ টা ৩০ পর্যন্ত) বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত এলাকার লোকজন বর্ডার হাটে পণ্য বেচাকেনা করে । সুনামগঞ্জ জেলা শহর হতে এই হাটে যেতে এক ঘণ্টার মত সময় লাগে। সাধারনত মটরসাইকেল যোগে এই হাটে যেতে হয়। বাংলাদেশ এবং ভারতের অনেক পণ্য এই হাটে কেনা বেচা হয়।

কিভাবে যাবেন ঃ
ঢাকা থেকে যে কোন বাসে (হানীফ, শ্যামলী, এনা) সুনামগঞ্জ যাবেন। ভাড়া ৫৫০ টাকা, সুনামগঞ্জ থেকে অটোতে হালুয়ার ঘাট, ১০ টাকা, > সুরমা নদী পার হয়ে বাইকে (৮০/=) বা অটোতে বর্ডার হাট। ।
সুনামগঞ্জ থেকে যেতে আনুমানিক সময় ১ঃ৩০ ঘন্টা লাগে ।
টাকা থেকে রুপি করার জন্য জনতা ব্যাংকের একটি বুথও রয়েছে বর্ডার হাটে।

৩। ফেনীর ছাগলনাইয়া বর্ডার হাটঃ
২০১৫ সালের ১৩ ই জানুয়ারী থেকে চালু হয়েছে ফেনী আর ত্রিপুরার সীমান্তের এই হাট।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় চার ঘণ্টার গাড়ি পথের দূরত্ব পার হয়ে ফেনীর ছাগলনাইয়া আর ভারতের শ্রীনগর সীমান্তে প্রতি মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত বসছে এরকম একটি সীমান্ত হাট।
দুই দেশের সীমান্তের ঠিক মাঝে তৈরি করা হয়েছে সীমান্ত হাটের কাঠামো। যদিও সপ্তাহে মাত্র একদিন এখানটা সরগরম হয়ে ওঠে।
কাছেই বাড়ি হওয়ায় প্রায়ই বাংলাদেশী পণ্য কিনতে হাটে আসেন এই ক্রেতা চারদিকে ধানক্ষেত, তার মাঝে কয়েকটি আধাপাকা ঘর। একপাশে বাংলাদেশী বিক্রেতারা বসেছেন, অন্যপাশে ভারতীয় বিক্রেতারা। বিজিবি বা বিএসএফকে পাস বা পরিচয়পত্র দেখিয়ে বাজারে প্রবেশ করছেন ক্রেতারা।
সীমান্ত হাটে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা চানাচুর, চিপস, আলু, তৈরি পোশাক, মাছ, শুঁটকি, মুরগি, ডিম, সাবান, শিম, সবজি, গামছা ও তোয়ালে, কাঠের টেবিল-চেয়ার, গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত লোহার তৈরি পণ্য বিক্রি করে। আর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা ফল, সবজি, মসলা, মরিচ, হুলুদ, পান, সুপারি, আলু, মধু, বাঁশ ইত্যাদি বিক্রির সুযোগ পান।
মুলত ভারতীয় ব্র্যান্ডেড প্রসাধনি আর চকলেট ই বাংলাদেশীরা বেশি কেনেন

কিভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে স্টার লাইন বাসে করে ফেনী ছাগলনাইয়া যাওয়া যাবে। ভাড়া এসি ৩৭০ নন এসি ২৯০। আর ফেনী মহিপাল থেকে গেলে টাউন সার্ভিস অথবা রিকশা করে ডাইরেক্ট শহিদ মার্কেটের সামনে চলে যাবেন....সিএনজিতে গেলে আপনাকে ট্রাংক রোড নেমে আবার রিকশা করে শহিদ মার্কেটের সামনে যেতে হবে....কারণ সিএনজি এখান পর্যন্ত খুব কমই আসে....
আপনি যদি ট্রেনে আসেন তাহলে একদম ই সহজ....স্টেশনে নেমে এক দেড় মিনিট হাঁটলেই শহিদ মার্কেট সেখান থেকে একটু পরপর সিএনজি ছাড়ে....ডাইরেক্ট ছাগলনাইয়া....ছাগলনাইয়া থেকে আবার সিএনজিতে বর্ডার হাট
বিঃদ্র: হাট বসে প্রতি মঙ্গলবার দুপুর থেকে...যাওয়ার সময় আইডি কার্ড নিয়ে যাবেন....কারণ টিকেট কিনতে আইডি কার্ড লাগে....না নিয়ে গেলে ব্ল্যাকে চড়া দামে কিনতে হবে....সর্বোচ্চ ৭ কেজি মাল কিনতে পারবেন :)



৪। ব্রান্মণবাড়ীয়া কসবা বর্ডার হাটঃ
১১ই জুন ২০১৫ তারিখে ব্রান্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তের ২০৩৯ নং পীলার সংলগ্ন তারাপুর-কমলাসাগর সীমান্ত সংলগ্ন এই হাটের উদবোধন হয়। ব্রান্মণবাড়িয়ার কসবায় অবস্থিত বর্ডার হাট,এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পযর্ন্ত প্রতি মঙ্গলবার আর অক্টোবর থেকে মার্চ প্রতি রবিবার হাট বসে। পাস অবশ্যই সকাল ১০:৪৫ এর ভিতর নিতে হবে।

কি দেখবেন আর পাবেন: ভারতীয় অংশে ত্রিপুরার পাহাড়ি কলা, ভারতীয় কসমেটিকস শাড়ী, থ্রি পিস,চকলেট
বিস্কিট ক্রোকারীজ, বাংলাদেশী অংশে প্রায় ফাকা কয়েকটি দোকানে বিস্কুট, শুটকি, নোনা মাছ, টিশার্ট, জামদানী শাড়ী বিক্রি হচ্ছে।বিকেলবেলা আখাউড়া বর্ডারে দুই দেশের প্যারেড এর মাধ্যমে বডার বন্ধ করা হয়,এই প্যারেড দেখতে অনেক লোকজন যায় সেখানে।যাওয়া বা আসার পথে আখাউড়া বাজারে বা কসবা পৌর মার্কেট এলাকায় খাওয়া দাওয়া করতে পারেন।

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকার কমলাপুর থেকে চিটাগাং, সিলেট বা কুমিল্লার যে কোন ট্রেনে আখাউড়া বা ব্রান্মণবাড়িয়ার বাসে কসবা আসতে পারেন। বিশেষ করে মহানগর প্রভাতী ট্রেনযোগে সকাল ৭:৪৫ এ আখাউড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে ভাল। প্রায় তিন ঘন্টার জার্নি শেষে ১০:৪৫ এ আখাউড়া জাংশনে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে সিএনজি যোগে কসবাতে। প্রায় ৪০ মিনিট জার্নি করে উপজেলা অফিসে পৌঁছে পাস সংগ্রহ করে পাঁচ মিনিট হেঁটে কসবা বর্ডার হাট ।

৫। বিছানাকান্দি বর্ডার হাটঃ
বিছানাকান্দি বর্ডারে প্রতি ৪ দিন পর পর এই হাট বসে। নির্দিষ্ট কোন বার নাই।৪ দিন পর পর যে বার হয়। কোন টিকেট লাগে না। সেখানকার জসীম নামের এক ব্যক্তি আছে তাকে ফোন করলে সে জানিয়ে দেয় বর্ডার হাট কিবারে বসবে । এই বর্ডার হাট এ যেতে ইচ্ছুক হলে আমাকে নক করে জসীম এর নাম্বারটা নিয়ে নিবেন ।

বর্ডার হাটের এ সফলতায় সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার সায়েদাবাদ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার বাগানবাড়ি এলাকায় আরো দু’টি বর্ডার হাট চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো দিন এ নতুন দু’টি হাট উদ্বোধন করা হবে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে ।

ভবিষ্যতে নতুন করে যেসব এলাকায় বাংলাদেশ-ভারতের বর্ডার স্থাপিত হতে পারে তা হচ্ছেÑ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঘোলাশালা ইউনিয়নের জগমোহনপুর গ্রাম, কুষ্টিয়া দৌলতপুরের মুন্সীগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিষ্ণপুর গ্রামের দক্ষিণ অংশ, রাজশাহীর গোদাগাড়ী চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের সীমানা পিলারের মধ্যবর্তী স্থান, নওগাঁর সাপাহার শিরন্টি মৌজার খঞ্জন সীমান্ত, নওগাঁর ধামইরহাট কালুপাড়া মৌজার কালুপাড়া সীমান্ত, নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার শীতলবাজার সীমান্ত, রাধানগর মৌজার সীমান্ত, শাওলি সীমান্ত, তালতলা পাড়া, ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট গাজীর ভিটা ইউনিয়নের উত্তর নলকুড়া সীমান্ত, ঝিনাইদহের মহেশপুর যাদবপুর ইউনিয়নের গোপালপুর মৌজা, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার পাঁচগাঁও এবং নেত্রকোনার দুর্গাপুর বিজয়পুর সীমান্তে।
বর্ডার হাটের কারণে ২ দেশের পণ্য ক্রয় বিক্রয় সহজলভ্য ও ২ দেশের মানূষের মিলনমেলা হলে ও মুলত এটা এখন চোরাকারবারীদের মিলনমেলাতে পরিণত হয়েছে । ২ দেশের চোরাকারবারীরা এই হাটে এসে পরিকল্পণা করে, টাকার লেনদেন করে, তাদের কোন পণ্য কোন পথ দিয়ে কোথায় যাবে সব প্ল্যান প্রোগ্রাম এই হাটের কারণে সহজ হয়ে গেছে ।

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:২৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রিয় কন্যা আমার- ৯১

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৩৯

প্রিয় কন্যা আমার, আজ ইদের দিন!
একমাস ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা সিয়াম সাধনা করেছে। রমজান মাস মূলত সংযমের মাস। ফাজ্জা কাউকে আমি দেখিনি সংযম করতে। রমজান মাসে সবাই বিলাসিতা করেছে। খাওয়া দাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ ও আগামী

লিখেছেন আবু সিদ, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৫

অন্যের হাতে নিজেকে সমর্পণ করো না, মানুষ !
অন্যের হাতের শিল্প হয়ো না।
অন্যের চোখে বিশ্ব দেখ না,
অন্যের সুর-নৃত্যে আর দুলো না।
নিজেকে খুঁজে নাও তুমি!
বুঝে নাও নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি সত্যিই দেখি, নাকি যা বিশ্বাস করি কেবল সেটাই দেখি ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৯


গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কমলা বেগম ঈদের সকালে গোরুর মাংস রান্না করতে বসেছিলেন। গতবছর কোরবানির ঈদে মানুষের বাড়ি থেকে চেয়ে আনা মাংস, মাসের পর মাস পাশের বাড়ির ফ্রিজে থাকা, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডার্ক ওয়েব সংবাদ : অনুসন্ধানী রিপোর্ট

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১২

ডার্ক ওয়েব সংবাদ : অনুসন্ধানী রিপোর্ট এর সত্যতা কতটুকু ?
সাধারণ মানুষ জানতে চায় !




বাংলাদেশ কি বিক্রি হচ্ছে ডা*র্ক ওয়েবে ?
Redlineinvestigation নামে ডা*র্ক ওয়েবের কেবল ফাইলে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট ফাঁস... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান বনাম ইজরাইল আমেরিকা যুদ্ধ; কার কি লাভ?

লিখেছেন খাঁজা বাবা, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮



২০০৬ থেকে আহমাদিনেজাদ ইজরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে, আমেরিকা ২০০২ থেকে ইরানে হামলার প্ল্যান করছে, নেতানিয়াহু ৪০ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছেন ইরানে হামলা করার। তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×