বাহুবালি-২ মুভিতে যখন সেনাপতি কুমতলব নিয়ে মেয়েদের গায়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল তখন নায়িকা সেনাপতির আঙ্গুল কেটে নেয়। পরবর্তিতে বাহুবলি একথা জানতে পেরে ভরা মজলিসে বউকে বলে যে, মেয়েদের গায়ে হাত দিলে অাঙ্গুল নয় গলা কাটতে হয়, এবং সাথে সাথেই ঐ সেনাপতির মাথাটাই কেটে নেয় ।
তখন কিন্তুু এই বিচারের খুশি হয়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, সুশিল, কুশিল, আস্তিক, নাস্তিক সবাই আনন্দে শিস্ দিয়ে হলরুম গরম করে ফেলেন। এই পর্যন্ত সব ঠিক আছে, চলুন এবার প্রেক্ষাপট পরিবর্তন করে ১৪০০ বছর পিছন থেকে ঘুরে আসি।
জাজিরাতুল আরব। মোহাম্মদ (সাঃ) যখন তখনকার সময়ের এক চরম অসভ্য জাতির উপর এক এক করে ইসলামের আইন প্রয়োগ করছেন এবং এর বাস্তব ফলাফল তখনকার আরববাসি দেখতে পাচ্ছে। চুরি, হত্যা, ধর্ষন, লুটসহ যত প্রকার অন্যায় ছিল তা কয়েক বছরের মধ্যেই অলৌকিকভাবে হ্রাস পেতে শুরু করল। একসময় তা প্রায় শূন্যের এর কাছাকাছি চলে আসল। কেন সেই সমাজে এত দ্রুত এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছিল? ইসলামি আইন এবং এর যথাযথ প্রয়োগ। কিন্তুু আজকে যখন এই সমাজে ইসলামি আইন প্রয়োগের প্রসঙ্গ আসে তখন তথাকথিত নাস্তিক ও সুশিল সমাজের গায়ে জ্বর চলে আসে। এটাতো এই সভ্য সমাজে চলে না, এটা বর্বর আইন, আধুনিক সমাজে এমন আইন কেন বলে মিডিয়া গরম করে তুলে। তাদের হিপোক্রেসিটা কখন ধরা পরে দেখুন, যখন কুমতলব নিয়ে জাস্ট গায়ে হাত বুলিয়ে দেয়ার অপরাধে বাহুবালি জনসম্মুখে সেনাপতির মাধা কেটে নেয় তখন উনারা খুশিতে আত্মহারা, অথচ ধর্ষনের অপরাধে ইসলাম যখন বলে তাকে হত্যা করতে তখনই উনারা বেকে বসেন।
সমাজ, আধুনিকতা, সভ্যতা, মানবিকতা, এসব উনাদের নিকট কেবলই কতগুলো শব্দগুচ্ছ ছাড়া আর কিছুই নয় তাদের আসল চুলকানি শুরু হয় ইসলামের নাম শুনলে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০১৭ সকাল ৮:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



