মুসলমান শাসনামলে বাঙ্গলায় হিন্দু মন্দির প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ ছিলো
২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাঙ্গলাদেশে সেন শাসনের স্থায়ীত্বকাল ছিলো ১০৭০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ১৫০ বছর। এই সময়ে সেন সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি সারা বাঙ্গলা জুড়ে ঘটেনি। সেন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও,, গৌড় ও বিহারে পাল সাম্রাজ্য টিকে ছিলো ৯০ বছরের অধিককাল। ময়নামতি ও বিক্রমপুরেও বৌদ্ধধর্মের অনুসারী রাজশক্তি তখনও টিকে ছিলো। কাজেই পাল সাম্রাজ্যের পতন থেকে ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে বাঙ্গলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত হিন্দু ধর্মের বিস্তৃতির সময়কাল ছিলো নাতিদীর্ঘ। এ সময়ে বাঙ্গলার হিন্দু ধর্মের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো গীতগোবিন্দম নামক সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা যা আজকের বৈষ্ণব ধর্মের আকর গ্রন্থ। সে জন্য দেখা যায় যে, সারা বাঙ্গলায় সেন শাসনামল পর্যন্ত মন্দির স্থাপনের দৃষ্টান্ত কম। দিল্লীর মুসলমান শাসকগণের মতো বাঙ্গলার মুসলমান শাসকগণ হিন্দু ধর্মের প্রতি বৈরী ছিলেন না, যে কারণে বাঙ্গলার মুসলমান শাসন আমলে হিন্দু ধর্মের বিস্তৃতি ও মন্দির স্থাপনের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সেই অনুকূল পরিবেশের সুযোগে বাঙ্গলার অনার্য সমাজ হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়। বাঙ্গলায় মুসলমান শাসন চালু থাকাকালে, কোচবিহারে এই ধর্ম রাষ্ট্র ধর্ম হিসাবে চালু করা হয়। সেজন্য বাঙ্গলাদেশের অধিকাংশ হিন্দু মন্দির মুসলমান শাসনামলের প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
নজির
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
সুখ নাই, আনন্দ নাই, নাই শান্তি
একলা চলতে চলতে উদাসী
আত্মভোলা, মনভোলা, বেখেয়ালি
প্রতিমুহূর্ত লাগে যেন গোধূলি!
আমার ব্যক্তিত্বে, চিন্তা, চেতনায়
কেউ আটকায় না, হয় না আকৃষ্ট!
নিঃসঙ্গ বিষাদযুক্ত ঘুরতে ঘুরতে
হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগের ইতিহাস কোনো সহজ পথে হাঁটেনি। রক্ত, ত্যাগ আর সংগ্রামের ভেতর দিয়ে এই দলের জন্ম, আর সেই জন্মসূত্রের গৌরব আজও অক্ষুণ্ণ- ণ্কারণ ইতিহাস সাক্ষী, এই দল কখনো...
...বাকিটুকু পড়ুন
ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪

বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।
দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।
ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"...
...বাকিটুকু পড়ুন