
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে অনেক এমন শিক্ষক রয়েছেন, যারা সর্বদা ঈমান-আমল সম্পর্কে সচেতন। তাঁরা মসজিদ ও মাদ্রাসায় নিয়মিত দান-খয়রাত করেন। কিন্তু চাতুরী অবলম্বন করে সন্দর্ভ বা গ্রন্থের প্রকাশনা তৈরি করার বিষয়ে কোনো গ্লানি বোধ করেন না। তাঁদের মধ্যে চাতুরী করে প্রকাশনা করার জন্য কোনো প্রকার গুণাহ, অসম্মান বা অন্যায় বোধ নেই।
প্রকাশনা না করলে সহকারি/সহযোগী অধ্যাপক হওয়া যাবে না। সে জন্য তাঁরা চাতুরী অবলম্বন করে সন্দর্ভ বা গ্রন্থের প্রকাশনা করে থাকেন এবং তা দেখিয়ে সহকারি/সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এর ফলে বেতন বৃদ্ধি হয়। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো চাতুরী করে প্রকাশনা তৈরি করে, আবার সেগুলো চাতুরীর মাধ্যমে ব্যবহার করে পদোন্নতি লাভ করলে, সেখান থেকে প্রাপ্ত বেতন কী হালাল আয় হবে? উল্লেখ্য যে, ইবাদতের শর্ত হলো হালাল রুজী। তাহলে হালাল রুজী না হলে ঈমান-আমল হাসিল করে যে নেকী হবে, সেই নেকী দিয়ে কী চাতুরী করে প্রকাশনা করার কারণে কৃত গুণাহ মোচন হবে? যদি হয়, তাহলে বুঝা যাবে ইসলাম প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের গুণাহকে সমর্থন করে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০২১ সকাল ৭:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



