
এটাকে ক্রেয়েটিভিটি বলা যায়। সৃজনশীল দুর্নীতি। আমাদের দূর্নীতির সুনাম সাড়া বিশ্বেই আছে। তাই আসুন কিছু দুর্নীতিময় ছবি দেখি।
ছবি দেখার আগে বলি, দুর্নীতি দখতেে দেখতে এদেশের মানুষ বড় হয়। এক সময়র্ মারাও যায়। তবুও দুনীতি ফুরায়না। কত রকমর দুর্নীতি যে বাংলাদশেে হয় তার কোন হিসাব নেই। এ কেমন দুনীতিরে বাবা: লজ্জা শরমরে কোন বালাই নেই! রডরে পরবর্তে বাঁশ। এরকম দূর্নীতি কি কেউ নিজের জন্য করবে? কখনই না। কিন্তু দেশর জন্য নিশ্চয় করবে! আর উপররে ছবটি তারই চিহ্ন।

আমাদরে নৈতিকতা আজ কোথায় যয়ে ঠেকেছে চিন্তা করা যায়। টাকার জন্য মানুষের জান মাল ধ্বংশ করতেও আমরা দ্বিধা বোধ করিনা।
রডের পরিবর্তে বাঁশ ঘটনাটা দর্শনার। দর্শনায় উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের অফিস কাম ল্যাবরেটরি ভবন নির্মাণে লোহার রডের পরিবর্তে কাটা বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই নয় ভবনটি নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালি ও সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়ছে। খোয়ার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে পরিত্যক্ত সুরকি।








এসব দুর্নীতি থেকে বের হয়ে আসার সময় আর কবে হবে আমাদের?
-ইন্টারনেট থেকে
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


